Showing posts with label citycell. Show all posts
Citycell New Prepaid Plan "CASH BACK"
Citycell New Prepaid Plan "CASH BACK"
Use tk 2 by voice call excluding fnf and get bonus tk 2.
Highst bonus is tk 20.
bonus is eligible to use at fnf
bonus validity is 1 day
bonus tariff is 1/minute
10 second pulse
check bonus from *887#
Tariff:
on-net: tk 0.60/minute
off-net: tk 1.20/minute
3 on-net fnf at 30 paisa/min
Migration: Type C and send to 4567
Use tk 2 by voice call excluding fnf and get bonus tk 2.
Highst bonus is tk 20.
bonus is eligible to use at fnf
bonus validity is 1 day
bonus tariff is 1/minute
10 second pulse
check bonus from *887#
Tariff:
on-net: tk 0.60/minute
off-net: tk 1.20/minute
3 on-net fnf at 30 paisa/min
Migration: Type C and send to 4567
Tag :
citycell
,
citycell-package
সিটিসেল গ্রাহক সপ্তাহ
(প্রিয় টেক) দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল
দেশব্যাপী 'গ্রাহক সপ্তাহ' উৎযাপন করছে। সোমবার থেকে শুরু হয়ে এই 'গ্রাহক
সপ্তাহ' চলবে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দীর্ঘ এই সময় জুড়ে সিটিসেলের সকল গ্রাহক
সেবা কেন্দ্র এবং গ্রাহক সেবা স্থানে গ্রাহকরা অভিনব সেবা পাবেন।
সোমবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত সিটিসেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে 'গ্রাহক সপ্তাহ' কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সিটিসেলের সম্মানিত গ্রাহকদের দিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে বিশেষ এই গ্রাহক সপ্তাহের। এ সময় সিটিসেলের কর্মকর্তা ছাড়াও আমন্ত্রিত গ্রাহকদের মধ্যে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আতিফ নোমান আলী, প্রাক্তন নেভি চীফ রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোহায়মিনুল ইসলাম, ইউডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডীন মনিরুল ইসলাম শরীফ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাসান মাসুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা কাদির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এই 'গ্রাহক সপ্তাহ' উপলক্ষে গ্রাহকরা ৪৫৬৭ নাম্বারে ডায়াল করে শুনতে পাবেন গ্রাহক সেবা অফারগুলো। একই সঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন ১০০টি (সিটিসেল টু সিটিসেল) এসএমএস। এক হাজার টাকা রিচার্জে পাওয়া যাবে ৪'শ টাকা বোনাস (২০০ টাকা ভয়েস এবং ২০০ টাকা ডাটায়), এসএমএস কুইজের মাধ্যমে কাস্টমার কেয়ারে ভিজিটরদের প্রতিদিন ১০টি হ্যান্ডসেট জেতার সুযোগ, ফ্রি সিডিএমএ হ্যান্ডসেট এবং মোডেম সার্ভিসিং, হ্রাসকৃত মূল্যে (৪৮০০ টাকা) স্যামসাং এফ ৩০৯ হ্যান্ডসেট।
তাছাড়া বিশেষ মূল্যে ব্যাটারি ও চার্জার (মূল্যের ৪০% পরিশোধ করে এবং বাকি ৬০% রিচার্জ করে পেয়ে যাবেন নতুন ব্যাটারি/চার্জার)। হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া মোডেমের ক্ষেত্রে ১০০% পর্যন্ত ছাড় দেওয়া এবং নির্দিষ্ট জুম আল্ট্রা প্ল্যান আপগ্রেড করার ক্ষেত্রে ৩ মাস ধরে মাসিক ফি'র উপর ২৫% ডিসকাউন্ট দেওয়া হবে। তাছাড়া সিমের মালিকানা পরিবর্তনও নিখরচায় সহজেই করা যাবে।
সোমবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত সিটিসেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে 'গ্রাহক সপ্তাহ' কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সিটিসেলের সম্মানিত গ্রাহকদের দিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে বিশেষ এই গ্রাহক সপ্তাহের। এ সময় সিটিসেলের কর্মকর্তা ছাড়াও আমন্ত্রিত গ্রাহকদের মধ্যে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আতিফ নোমান আলী, প্রাক্তন নেভি চীফ রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোহায়মিনুল ইসলাম, ইউডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডীন মনিরুল ইসলাম শরীফ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাসান মাসুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা কাদির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এই 'গ্রাহক সপ্তাহ' উপলক্ষে গ্রাহকরা ৪৫৬৭ নাম্বারে ডায়াল করে শুনতে পাবেন গ্রাহক সেবা অফারগুলো। একই সঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন ১০০টি (সিটিসেল টু সিটিসেল) এসএমএস। এক হাজার টাকা রিচার্জে পাওয়া যাবে ৪'শ টাকা বোনাস (২০০ টাকা ভয়েস এবং ২০০ টাকা ডাটায়), এসএমএস কুইজের মাধ্যমে কাস্টমার কেয়ারে ভিজিটরদের প্রতিদিন ১০টি হ্যান্ডসেট জেতার সুযোগ, ফ্রি সিডিএমএ হ্যান্ডসেট এবং মোডেম সার্ভিসিং, হ্রাসকৃত মূল্যে (৪৮০০ টাকা) স্যামসাং এফ ৩০৯ হ্যান্ডসেট।
তাছাড়া বিশেষ মূল্যে ব্যাটারি ও চার্জার (মূল্যের ৪০% পরিশোধ করে এবং বাকি ৬০% রিচার্জ করে পেয়ে যাবেন নতুন ব্যাটারি/চার্জার)। হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া মোডেমের ক্ষেত্রে ১০০% পর্যন্ত ছাড় দেওয়া এবং নির্দিষ্ট জুম আল্ট্রা প্ল্যান আপগ্রেড করার ক্ষেত্রে ৩ মাস ধরে মাসিক ফি'র উপর ২৫% ডিসকাউন্ট দেওয়া হবে। তাছাড়া সিমের মালিকানা পরিবর্তনও নিখরচায় সহজেই করা যাবে।
Tag :
citycell
আগামী বছর জিএসএম প্রযুক্তিতে যাচ্ছে সিটিসেল
সেলফোন অপারেটর সিটিসেল আগামী বছর মার্চ নাগাদ গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন্স (জিএসএম) প্রযুক্তির সেবা চালু করার আশা করছে। বর্তমানে কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (সিডিএমএ) প্রযুক্তির সেবাদানকারী দেশের একমাত্র এ সেলফোন অপারেটর এরই মধ্যে নতুন প্রযুক্তি চালু করতে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে আবেদন করেছে।
এ প্রসঙ্গে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী বলেন, জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদনের বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। এটি অনুমোদন হলে দ্রুতই এ সেবা চালু করা সম্ভব হবে। সিটিসেল আগামী বছরের মার্চ নাগাদ জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বিটিআরসি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে সিটিসেলের গ্রাহকসংখ্যা ১৬ লাখ ৭৯ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক কমছে। ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন অপারেটর হিসেবে যাত্রা করলেও গ্রাহকসংখ্যার ভিত্তিতে এটি বর্তমানে দেশের ছয় অপারেটরের মধ্যে পঞ্চম।
জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে পারলে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকসংখ্যা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন মেহবুব চৌধুরী। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান যেসব গ্রাহক সিডিএমএ পরিবর্তন করে জিএসএম ব্যবহার করতে আগ্রহী, তাদের হ্যান্ডসেট বদলে দেয়া হবে। প্রসঙ্গত, সিডিএমএর গ্রাহকরা যে হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন, তাতে শুধু সিটিসেলের রিম ব্যবহার করা যায়। ফলে বিশেষ এসব হ্যান্ডসেটে অন্য কোনো অপারেটরের সংযোগ ব্যবহার করা যায় না বা সিটিসেলের সংযোগ অন্য যেকোনো হ্যান্ডসেটেও ব্যবহার করা যায় না। প্রতিষ্ঠানটি জিএসএম প্রযুক্তি চালু করলে গ্রাহক রিমের পরিবর্তে সিম ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি পছন্দ অনুযায়ী হ্যান্ডসেট ব্যবহারের সুযোগও পাবেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে জিএসএম প্রযুক্তির সেবা দিতে তরঙ্গ বরাদ্দের বিষয়ে বিটিআরসির কাছে আবেদন করে সিটিসেল। এতে প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া পাঁচ মেগাহার্টজ সিডিএমএ তরঙ্গ পরিবর্তন করে ইজিএসএম ব্যান্ডে পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ এবং ১ হাজার ৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে অতিরিক্ত পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দের আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুকূলে বরাদ্দ তরঙ্গ দিয়ে জিএসএম প্রযুক্তির সেবাদানের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
গত জুনে বিটিআরসিকে একই বিষয়ে দেয়া অন্য একটি আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে, সিডিএমএ ডিভাইসে ইকোসিস্টেম না থাকায় চেষ্টা সত্ত্বেও জিএসএম অপারেটরের তুলনায় সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার কমছে। ২০০৭ সালে যেখানে সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার ছিল ৪ শতাংশ, তা ২০১২ সাল নাগাদ ২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সিডিএমএ ডিভাইসে ভর্তুকি হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। বিশ্বের অনেক দেশের উদাহরণ দিয়ে এতে উল্লেখ করা হয়, জিএসএম অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এসব দেশে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিটিআরসির একটি সূত্র জানিয়েছে, টুজি লাইসেন্স নবায়ন হলেও এখনো দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি সিটিসেল। ফলে প্রযুক্তি পরিবর্তনের অনুমোদনের বিষয়ে বিটিআরসির মনোভাব ইতিবাচক হলেও এ অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানা গেছে।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা
এ প্রসঙ্গে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী বলেন, জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদনের বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। এটি অনুমোদন হলে দ্রুতই এ সেবা চালু করা সম্ভব হবে। সিটিসেল আগামী বছরের মার্চ নাগাদ জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বিটিআরসি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে সিটিসেলের গ্রাহকসংখ্যা ১৬ লাখ ৭৯ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক কমছে। ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন অপারেটর হিসেবে যাত্রা করলেও গ্রাহকসংখ্যার ভিত্তিতে এটি বর্তমানে দেশের ছয় অপারেটরের মধ্যে পঞ্চম।
জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে পারলে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকসংখ্যা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন মেহবুব চৌধুরী। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান যেসব গ্রাহক সিডিএমএ পরিবর্তন করে জিএসএম ব্যবহার করতে আগ্রহী, তাদের হ্যান্ডসেট বদলে দেয়া হবে। প্রসঙ্গত, সিডিএমএর গ্রাহকরা যে হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন, তাতে শুধু সিটিসেলের রিম ব্যবহার করা যায়। ফলে বিশেষ এসব হ্যান্ডসেটে অন্য কোনো অপারেটরের সংযোগ ব্যবহার করা যায় না বা সিটিসেলের সংযোগ অন্য যেকোনো হ্যান্ডসেটেও ব্যবহার করা যায় না। প্রতিষ্ঠানটি জিএসএম প্রযুক্তি চালু করলে গ্রাহক রিমের পরিবর্তে সিম ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি পছন্দ অনুযায়ী হ্যান্ডসেট ব্যবহারের সুযোগও পাবেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে জিএসএম প্রযুক্তির সেবা দিতে তরঙ্গ বরাদ্দের বিষয়ে বিটিআরসির কাছে আবেদন করে সিটিসেল। এতে প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া পাঁচ মেগাহার্টজ সিডিএমএ তরঙ্গ পরিবর্তন করে ইজিএসএম ব্যান্ডে পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ এবং ১ হাজার ৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে অতিরিক্ত পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দের আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুকূলে বরাদ্দ তরঙ্গ দিয়ে জিএসএম প্রযুক্তির সেবাদানের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
গত জুনে বিটিআরসিকে একই বিষয়ে দেয়া অন্য একটি আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে, সিডিএমএ ডিভাইসে ইকোসিস্টেম না থাকায় চেষ্টা সত্ত্বেও জিএসএম অপারেটরের তুলনায় সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার কমছে। ২০০৭ সালে যেখানে সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার ছিল ৪ শতাংশ, তা ২০১২ সাল নাগাদ ২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সিডিএমএ ডিভাইসে ভর্তুকি হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। বিশ্বের অনেক দেশের উদাহরণ দিয়ে এতে উল্লেখ করা হয়, জিএসএম অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এসব দেশে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিটিআরসির একটি সূত্র জানিয়েছে, টুজি লাইসেন্স নবায়ন হলেও এখনো দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি সিটিসেল। ফলে প্রযুক্তি পরিবর্তনের অনুমোদনের বিষয়ে বিটিআরসির মনোভাব ইতিবাচক হলেও এ অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানা গেছে।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা
Tag :
citycell


