300% Bonus on citycell

Citycell offer> Recharge 30TK & get 300% instant Bonus !
For more info call 121,01199121121


৩০ টাকা রিচার্জ করুন এবং উপভোগ করুন ৩০০% বোনাস।

অর্থমন্ত্রীর কাছে মোবাইল অপারেটররা

 collected
মোবাইল অপারেটররা ১০ সেকেন্ড পালস দেবে না। তারা বিটিআরসিকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ১০ সেকেন্ড পালস দিলে তাদের ব্যবসা হবে না। দশ সেকেন্ড পালস দিলে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে পারবে না অপারেটররা। এর আগে টু জি লাইসেন্স (দ্বিতীয় প্রজন্মের ফোন) নবায়নের বেলায় অপারেটরদের প্রতি মেগাহার্জ স্পেক্ট্রাম ফি ধরা হয়েছিল তিন শ’ কোটি টাকা। তখনও তারা এক জোট হয়ে সেই ফি দেড় শ’ কোটিতে নামিয়ে নিয়েছে। অথচ পাশের দেশ ভারতে প্রতি মেগাহার্জ স্পেক্ট্রামের দাম প্রায় চার শ’ কোটি টাকা। গ্রাহকদের ঠকাতেই মোবাইল অপারেটররা গাঁটছড়া বেঁধেছে। তারা যৌথভাবে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে না গিয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে ধর্ণা দিয়েছে। অপারেটরদের যেখানেই স্বার্থের বিঘ্ন ঘটে সেখানেই তারা এক হয়ে যায়। এবার ১০ সেকেন্ড পালসের বেলাও তারা জোট বেঁধে এর বিরোধিতা করে যাচ্ছে। বিটিআরসি গ্রাহকদের সুবিধার কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, সরকারী অপারেটর টেলিটক বাদে ৫টি বেসরকারী মোবাইল ফোন অপারেটর লিখিতভাবে অর্থমন্ত্রীর কাছে আবেদনও জানিয়েছে। সম্প্রতি সম্মিলিতভাবে; আবেদন জানায় তারা। অপারেটররা আবেদনে উল্লেখ করেছে, ১০ সেকেন্ড পালস দিলে তাদের পথে বসতে হবে, তাদের কোন ব্যবসা থাকবে না। সরকারকে উচ্চমাত্রায় ট্যাক্স দিয়ে তাদের ব্যবসা করতে হচ্ছে। এখন ১০ সেকেন্ড পালস দিলে তাদের লাভের পুরোটাই চলে যাবে। গ্রামীণফোন, এয়ারটেল, রবি, বাংলালিংক ও সিটিসেলের পক্ষে এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা যৌথভাবে বিটিআরসির বেঁধে দেয়া প্রতিকলে ১০ সেকেন্ড পালস বাতিলের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। এ ৫টি ফোন কোম্পানির কর্মকর্তারা অর্থমন্ত্রীর কাছে বিটিআরসির চাপিয়ে দেয়া এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলেন। বিটিআরসির এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে সরকারের রাজস্ব কমে যাবে। অপারেটররা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) জিয়া আহমেদ বলেন, যখন ১৪ টাকা মিনিট কল রেট ছিল তখন রাজস্ব পাওয়া গেছে ৩ কোটি টাকা। এখন ৮৩ পয়সা মিনিট কল রেট। রাজস্ব আদায় হচ্ছে ৭ হাজার কোটি টাকা। দেশের সব গ্রাহক ১০ সেকেন্ড বিলিং সাইকেলকে সমর্থন জানিয়েছে। বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরদের যেমন ব্যবসায়ী সমস্যা দেখে তেমনি গ্রাহকদের সুবিধাও দেখবে। এটা মনে করার কোন কারণ নেই যে গ্রাহকদের কোন স্বার্থ বিটিআরসি দেখবে না। বিদেশী অপারেটররা গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাবে এটা মেনে নেবে না। গ্রাহকদের সুবিধার কথাও চিন্তা করতে হবে। ভারতে এক সেকেন্ড পালস রয়েছে। ১০ সেকেন্ড পালস না মানলে ‘রিয়েল টাইম‘ (যতটুকু সময় কথা বলা ততটুকু সময়ের বিল নেয়া) কল আরোপ করা হবে। একজন গ্রাহক যত সেকেন্ড কথা বলবে ঠিক তত সেকেন্ডের বিল নিতে হবে অপারেটরদের। তারা অর্থমন্ত্রীর কাছে গেছে। সেখান থেকে যদি জানতে চাওয়া হয় তাহলে আমি তার জবাব দেব। ১০ সেকেন্ড কল সময়োপযোগী এবং বাস্তবসম্মত। ১৫ বছর তারা ব্যবসা করে গেছে নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে। এখন গ্রাহকদের সুযোগ দেয়ার পালা। গ্রাহকদের গলা কেটে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে দেয়া হবে না। বহু আগে থেকে গ্রাহকরা কল করার পর নেটওয়ার্কের কারিগরি ত্রুটি দেখিয়ে প্রতিনিয়তই কল ড্রপের মতো ঘটনা ঘটছে। এরপর পুনর্সংযোগে প্রতি এক মিনিট বা পূর্ণ পালসের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। অনেকটা ইচ্ছাকৃতভাবে অপারেটররা কল ড্রপ করিয়ে বাড়তি টাকা আদায় করে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে কমিশনে আলোচনার পর ১০ সেকেন্ড পালস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি অপারেটর প্রতিকলে ১০ সেকেন্ড পালস দিতে বাধ্য। গ্রাহকসেবার জন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কোন অপারেটর এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, গত ১৫ আগস্ট থেকে প্রতিটি মোবাইল অপারেটরকে ১০ সেকেন্ড পালস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অপারেটররা এ নির্দেশ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিটিআরসির বেঁধে দেয়া সময়সীমা ১০ দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু কোন অপারেটর নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি। উল্টো তারা টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বা বিটিআরসির সঙ্গে যোগাযোগ না করে অর্থমন্ত্রীর কাছে গেছে। এর আগে অনেক বড় সমস্যাও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সমাধান করা হয়েছে। তারা হঠাৎ অর্থমন্ত্রীর কাছে গিয়ে আবেদন জানিয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় প্রতিদিন কত টাকা তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের ঠকিয়ে তারা বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে।
বিটিআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, ৫ মোবাইল অপারেটর কেন নির্দেশ অমান্য করে ১০ সেকেন্ড পালস দিচ্ছে না তা জানতে অপারেটরদের চিঠি দেয়া হয়েছে। এ চিঠির কোন জবাব এখন পর্যন্ত ৫ অপারেটর দেয়নি। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে বিটিআরসি জরুরী বৈঠক করেছে। ধনী-গরিব মানুষের টাকা শুষে নিতে দেয়া হবে না বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। অপারেটরদের আইন মেনেই চলতে হবে। টেলিটক ১০ সেকেন্ড পালস কার্যকর করেছে। অন্যদের বাস্তবায়ন করতে কেন বাধা। টেলিটকের সমস্যা না হলে তাদের কেন সমস্যা হবে? ৫ সেকেন্ড কথা বলার পর পুরো কলের টাকা কেটে নিচ্ছে তারা। প্রতিদিন ৩ থেকে ৯ সেকেন্ড কলের পরিমাণ কয়েক কোটি। যদি ১০ সেকেন্ড পালস থাকে তাহলে তারা পুরো কলের টাকা কেটে নিতে পারবে না। তখন ১০ সেকেন্ডের টাকাই পাবে অপারেটররা। প্রতিকলে ২ থেকে আড়াই টাকা কেটে নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মোবাইল অপারেটররা। এ বিষয়ে অপারেটরদের কাছে দেয়া চিঠির সঠিক জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মোবাইল অপারেটররা জানিয়েছে, সব প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস কার্যকর হলে মোবাইল ফোনের আয় কমে যাবে। আয় কমে গেলে লোকবল ছাঁটাই করতে হবে। এতে বড় রকমের সমস্যা দেখা দেবে। এ কারণেই অপারেটররা অর্থমন্ত্রীর কাছে ১০ সেকেন্ড পালস উঠিয়ে দেয়ার জন্য আবেদন করেছে।
মোবাইল অপারেটরদের অযৌক্তিক যুক্তিকে খ-ন করে বিটিআরসি বলছে, গ্রাহকরা সুবিধা পেলে মোবাইলের গ্রাহক আরও বেড়ে যাবে। এতে অপারেটররা বেশি গ্রাহক পাবে। বেশি গ্রাহক পেলে তাদের লাভের অঙ্কও বাড়বে। অপারেটরদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেই ১০ সেকেন্ড পালস দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। আর এটি বাস্তবায়নের দিন ছিল গত ১৫ আগস্ট। কিন্তু তারা এ নির্দেশ এখনও বাস্তবায়ন করেনি।
বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, দেশী মোবাইল ফোনের কলে সব ধরনের প্যাকেজে ন্যূনতম ১০ সেকেন্ড পালস রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলেছে প্রতিটি দেশী অপারেটরকে এ আদেশ ১৫ আগস্ট থেকে বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। ১৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত কোন মোবাইল অপারেটর এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি। বিটিআরসি বিষয়টি মনিটর করে যাচ্ছে। এখন বিটিআরসির আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্দেশ অমান্য করায় অপারেটরদের বিরাট অঙ্কের জরিমানা করতে পারে বিটিআরসি।
বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি মোবাইল গ্রাহক রয়েছে। সারাদিনে একজন গ্রাহক যদি গড়ে ৫টি কল করেন তাহলে দেখা যাবে তিনটি কলই ড্রপ করা হচ্ছে। ফলে ওই গ্রাহককে আবার নতুন করে কল করতে হচ্ছে। এতে তাকে নতুন কলের চার্জ দিতে হচ্ছে। নতুন কল তিনটির জন্য একজন গ্রাহককে কম করে হলেও ৬ টাকা গুণতে হচ্ছে। এভাবে প্রতিটি অপারেটর গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণার মাধ্যমে মাতিয়ে নিচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর গ্রাহকসেবার নামে নতুন নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করে। এই প্যাকেজগুলো হচ্ছে শুভঙ্করের ফাঁকি। প্রতিটি অফার গ্রহণ করতে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হয়। প্রতিটি এসএমএসে ২ থেকে আড়াই টাকা কেটে নেয় অপারেটররা। টাকা কেটে নিলেও অনেক গ্রাহকের সেবা এ্যাক্টিভ হয় না। ফলে গ্রাহকের পকেট থেকে ওই টাকা চলে যায় আপারেটরের পকেটে। এভাবে ১০ কোটি গ্রাহকের মধ্য থেকে যদি ৩ থেকে ৪ কোটি গ্রাহক অফারগুলো গ্রহণ করেন তাহলে প্রতিদিন মোবাইল কোম্পানিগুলো কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক গ্রাহক সংক্ষিপ্ত কথোপকথনে অভ্যস্ত। এতে অতিরিক্ত সময়ের ফি নেয়া বাস্তবসম্মত নয়। অপারেটরদের এ ধরনের কাজ বন্ধ করতে ১০ সেকেন্ডের পালস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গ্রাহকসেবার নামে বিভিন্ন অফারের বিষয়ে আরেকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে বিটিআরসি জানিয়েছে।

Ollo Top-up Bonus upto 100%

its a fresh start after a long holiday, right! by the way guys, get fresh means instant bonus data on ollo top-up too. get 100% bonus on tk. 849 top-up & 50% bonus on tk. 499 top-up. its a limited time offer. so, grab it now. for details visit ollo.com.bd

Keep Moving Online @ 0 Balance


can any of your operator keeps you moving even @ 0 balance? no one but Ollo does. Ollo Wireless Internet helps you keep browsing even @ 0 balance with 64 Kbps speed within the validity period so that you are never disconnected. so, top-up regularly & experience the ultimate internet experience!

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের মোবাইল নেটওয়ার্ক

দেশের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্তে দুই থেকে ৬ কিলোমিটারের মধ্যে মিলছে ভারতের তিনটি মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক। হিলি স্থলবন্দরসহ সীমান্তবর্তী অনেক এলাকায় ভারতীয় মোবাইল ফোনেই স্থানীয়রা বেশি কথা বলেন। এসব এলাকায় বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরের সংযোগ মিললেও নেটওয়ার্ক হয়ে পড়ে দুর্বল। আবার কোথাও কোথাও ভারতীয় অপারেটরগুলোর নেটওয়ার্ক এবং স্পেকট্রামের মধ্যেও সাংঘর্ষিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর নেটওয়ার্কই তাদের দেশের অভ্যন্তরে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত রয়েছে। স্পেকট্রামের সাংঘর্ষিক প্রতিক্রিয়ার (ইন্টারফেয়ারেন্স) কথা জানিয়েছে তারা। বিজিবির মাধ্যমে এমন অভিযোগ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশি অপারেটররাও সীমান্তে ভারতীয় মোবাইল ফোনের ইন্টারফেয়ারেন্স পায়। বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করতে গ্রামীণফোন ও রবি সীমান্তে টেকনিক্যাল জরিপও করে। তাতে তিনটি ভারতীয় মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে সীমান্ত এলাকায় গ্রামীণফোন ও রবির নেটওয়ার্কের সমস্যা ধরা পড়ে।
ভারতের বিএসএনএল ও রিলায়েন্সের স্পেকট্রামের কারণে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোয় রবির স্পেকট্রামে সমস্যা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের স্পেকট্রামের সমস্যা বাড়াচ্ছে ভারতের ভোডাফোনের স্পেকট্রাম। পরে গ্রামীণফোন ও রবি বিটিআরসির কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করে। অপারেটর দুটি বিটিআরসিতে দেওয়া তাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকার ফিল্ড

সার্ভেও জমা দেয়। এ নিয়ে বিটিআরসি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে।
বিটিআরসি বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় টাওয়ার বা বেস স্টেশন নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরই নিয়ম মানে না। দু'দেশেই সীমান্তের খুব কাছাকাছি টাওয়ার স্থাপন করা হয়। সে কারণে সমস্যা বেশি হচ্ছে।
বিটিআরসিতে জমা দেওয়া গ্রামীণফোনের প্রতিবেদনে জানা গেছে, দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটারের ভেতরে ভারতীয় ভোডাফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। সহজেই সীমান্তের এ দূরত্বের মধ্যে থেকে ভোডাফোনের মাধ্যমে কথা বলা যায়। তাছাড়া এ দূরত্ব পর্যন্ত ভোডাফোনের স্পেকট্রামের সঙ্গে গ্রামীণফোনের স্পেকট্রামে সমস্যা হয়। একই অপারেটরের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও নওগাঁর কয়েকটি এলাকায় সাড়ে চার কিলোমিটার পর্যন্ত নেটওয়ার্ক বিঘি্নত হয়। কুষ্টিয়ার প্রাগপুর ও সীমান্তের ভেতর চার কিলোমিটারের বেশি এলাকায় ভোডাফোনের সংযোগ মেলে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ এলাকায় তিন কিলোমিটারের মধ্যে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। এ ছাড়া সাতক্ষীরার দেবহাটা বা পঞ্চগড়ের অনেক এলাকায়ও একই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছে গ্রামীণফোন।
একইভাবে রবির নেটওয়ার্কেও সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারফেয়ারেন্স হয়। তবে পশ্চিম দিকের সীমান্তে এ সমস্যা বেশি হলেও সিলেট বা কুমিল্লার দিকে সমস্যা তেমন নেই। অপারেটররা জানিয়েছেন, সীমান্তের অনেক এলাকায় দু'দিকের মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক এমন হয়ে গেছে যে, একটি অন্যটির ওপর ওভার ল্যাপ করে। এ ছাড়া দুই প্রতিবেশী দেশের অপারেটররা একই ব্র্যান্ডের স্পেকট্রাম ব্যবহার করায়ও সমস্যা জটিল হয়।
এ সমস্যার কারণে কখনও কখনও সীমান্তবর্তী এলাকায় দেশি মোবাইলে কথা বললেও সেটি ভারতীয় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক হয়ে আসে। যার কারণে সেটি রোমিং কল হিসেবে বিবেচিত হয়। গত বছরই সরকারের এক মন্ত্রী দেশের বাইরে না গিয়েও এক মাসের মোবাইল বিল দেখে চমকে ওঠেন। পরে তিনি অভিযোগ করলে জানা যায়, তিনি সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা এলাকায় গিয়ে তার গ্রামীণফোনের সিম ব্যবহার করেছেন। ওই এলাকায় বসে যত কথা বলেছেন, সবই রোমিং কল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সূত্র জানায়, কিছুদিন আগ পর্যন্ত দু'দেশের সীমান্তের বেশ দূরেই বিটিএস বসানোর অনুমোদন ছিল। ভারতীয় সীমান্তের ১০ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশে ৮ কিলোমিটার দূরে বিটিএস বসানো হতো। ভারত এ নিয়ম শিথিল করে সীমান্তের একেবারে কাছে চলে আসে। পরে বিটিআরসিও নীতিমালা শিথিল করে সীমান্তের এক কিলোমিটারের মধ্যে বিটিএস বসানোর অনুমোদন দেয়। এ নিয়মও মানা হচ্ছে না। দেশের অন্তত ১০টি সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সীমান্ত ঘেঁষে টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। ফলে সহজেই ভারতীয় সীমান্তে বসেই এ দেশের মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়, যার কারণে চোরাচালানের ক্ষেত্রেও এ সংযোগ ব্যবহার হয়। ভারতের বিভিন্ন এলাকায় যাওয়া বাংলাদেশিদের অনেকেই জানিয়েছেন, ভারতের সীমান্ত থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত সহজেই গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবিসহ অন্যান্য অপারেটরের সংযোগ মেলে। তবে সবচেয়ে বেশি সংযোগ পাওয়া যায় এয়ারটেল সিমের সাহায্যে।
এসব বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ সমকালকে বলেন, ভারতীয় মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো নানাভাবে সীমান্তের ওপর প্রভাব বিস্তার করছিল। সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করতেই এখান থেকেও সীমান্তের আরও কাছাকাছি বিটিএস নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সে কারণে স্পেকট্রামের ওপর কিছু প্রভাব পড়া অস্বাভাবিক নয়। তিনি বলেন, তারা এগিয়ে আসবে আর আমরা তাদের সুযোগ করে দেব, তেমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই।
সমস্যা সম্পর্কে গ্রামীণফোনের করপোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইন স্বীকার করেন, অনেক দিন থেকে এমন সমস্যা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রত্যাশা করেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
রোমিংবিহীন ওপারের এয়ারটেল সিম চলে ঢাকায় : রোমিং না করা হলেও ভারত থেকে কেনা এয়ারটেলের সিম ঢাকায় ব্যবহৃত হচ্ছে। দু'দেশেরই একই কোম্পানির অপারেটর থাকায় হরহামেশাই এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। অন্যদিকে আবার বাংলাদেশের এয়ারটেল সিম দিয়ে সহজেই ভারতের এয়ারটেলে কথা বলার ঘটনা ঘটেছে,। বিল হচ্ছে লোকাল বিলের মতোই। তবে এমন ঘটনার কথা এয়ারটেলের কারও জানা নেই বলে জানিয়েছেন অপারেটরটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।রাজশাহীর বিস্তৃত সীমান্ত অঞ্চলের মানুষ অবাধে ব্যবহার করছে ভারতীয় মোবাইল অপারেটরের সংযোগ। সীমান্তের তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত অন্তত ২০টি গ্রাম ও একটি উপজেলা সদরে ভারতের এয়ারটেল ও ভোডাফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় অনায়াসে। ঘর থেকে বেরিয়ে একটু ফাঁকা স্থানে গেলে নেটওয়ার্ক মেলে অন্তত আরও ৮ থেকে ১০ গ্রামে। এমনকি রাজশাহী মহানগরীতেও পদ্মার পাড় থেকে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।
রাজশাহীর সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিন দেখা গেছে, সীমান্তের দেড় থেকে দুই কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত গ্রামগুলোর প্রতিটি বাড়িতেই ভারতীয় সিমকার্ড রয়েছে। তাদের সবার কাছে এ দেশের অপারেটরের একাধিক সিম রয়েছে। সেগুলোই সেটে ভরে রাখা হয়। ভারতীয় সিমকার্ড আলাদা করে রেখে দেওয়া হয়। ভারতে কথা বলার প্রয়োজন হলে সেগুলো ব্যবহার করা হয়।
গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাঢ়িয়াদহ গ্রামের শহীদুল ইসলাম জানান, তাদের গ্রামের কয়েকশ' মানুষ ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলা ও লালগোলা থানার বিভিন্ন এলাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। কাজ শেষে ফিরে আসার পর আবার নতুন কাজ পাওয়ার জন্য প্রতিদিনই তাদের মোবাইল ফোনে কথা বলতে হয়। এ ক্ষেত্রে সীমান্তবর্তী গ্রামটির মানুষ বাংলাদেশের কোনো মোবাইল অপারেটরের ফোন ব্যবহার করেন না। তারা কথা বলেন ভারতের অপারেটরের নম্বর থেকে। অল্প বিলে কথা বলা যায়, সে কারণেই তারা এমনটি করেন বলে দাবি শহীদুলের।
আষাঢ়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হজরত আলীও ভারতীয় মোবাইল সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় সীমান্তের ওপারে তার আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, তাদের এলাকার সবারই ওপারে আত্মীয়স্বজন রয়েছে। বেশিরভাগই তাদের আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কম টাকায় কথা বলার জন্য এ পথ বেছে নিয়েছেন। তাদের এলাকায় এয়ারটেল ও ভোডাফোনের ব্যবহারই

বেশি। তিনি জানান, ভারতীয় সংযোগে ওপারে কথা বললে দিনে প্রতি মিনিট এক টাকা আর রাতে ৫০ পয়সা করে খরচ পড়ে। সেখানে এ দেশের সংযোগে কথা বলতে খরচ পড়ে মিনিটে ১০ টাকা। খরচ কমাতেই তারা এ পথ বেছে নিয়েছেন বলে হজরত জানান।
শুধু চরআষাঢ়িয়াদহই নয়, আশপাশের দিয়ার মানিকচক, সাহেবনগর, কোদালকাটি, আলতুলি ও বকচরের হাজার তিনেক মানুষ প্রতিদিনই ভারতীয় মোবাইলে কথা বলেন। এ গ্রামগুলো পদ্মার ওপারে। এসব গ্রামের সীমানা শেষ হলেই শুরু হয় ভারতের এলাকা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভারতের টেলিকম অপারেটরদের বিটিএস তাদের গ্রাম থেকে দেড় কিলোমিটারের মধ্যে হওয়ায় এত সহজে মেলে নেটওয়ার্ক।
ভারতীয় কোম্পানির সে টাওয়ারটি গোদাগাড়ী উপজেলা সদরে পদ্মার পাড়ে দাঁড়ালে স্পষ্টই দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, পদ্মার পাড় থেকে টাওয়ারটির দূরত্ব হতে পারে সর্বোচ্চ ৪ কিলোমিটার। সেখানকার বিটিএসটির কল্যাণে পদ্মার এ পাড়ে গোদাগাড়ীর মাদারপুর, মহিষালবাড়ী, ডাইংপাড়া, হাটপাড়া ও সুলতানগঞ্জ এলাকা থেকেও পূর্ণ নেটওয়ার্কে কথা বলা যায় ভারতের এয়ারটেল ও ভোডাফোনের সিম থেকে। ওই এলাকার একাধিক অধিবাসী জানান, বৈধপথে সিমকার্ড আনতে দেওয়া হয় না। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ সিম লুকিয়ে নিয়ে আসা হয়। টাকা শেষ হয়ে গেলে ওপার থেকেই আত্মীয় কিংবা ব্যবসায়িক পার্টনাররা লোড করে দেন। কাজকর্ম কিংবা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ওই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের হাতেও ভারতীয় সিম রয়েছে।
রাজশাহী মহানগরীর বড়কুঠি ও আলুপট্টি এলাকায় পদ্মার পাড় থেকে এয়ারটেল ও ভোডাফোনের সিম ব্যবহার করে কথা বলেন অনেকেই। তাদের বেশিরভাগই ভারতে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলেন বলে জানান। মালদা এলাকায় আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলেন এমন একজন জানান, কম খরচে কথা বলা যায় বলেই তারা এভাবে কথা বলেন। বিষয়টি বেআইনি হলেও এ নিয়ে খুব একটা তোড়জোড় না থাকায় অনেকেই এ কাজ করছেন বলেও তার ধারণা।
বাঘা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে। পাকুড়িয়া ইউনিয়নের নদী-তীরবর্তী বকুলপুর, মালিয়ানদহ, কিশোরপুর ও মীরগঞ্জের রাওথা এলাকার অধিবাসীরা ঘর থেকেই ভোডাফোনে কথা বলতে পারেন।

Banglalink GPRS Promotion

Banglalink users, Eid upolokkhe GPRS package activate er upor 50% bonus er notun offer cholche Prepaid ebong C&C subscriber der jonno. Offer ti cholbe 19 to 21-Aug-12 (3-days during EID). Offer ti somporke bistarito niche deya holo:

Ref: BMON

Internet Packs actual bonus Validity

P6 - (1GB @ 275TK/Month) 512 MB 50% 30-days
P5 - (100MB @ 100TK/Month) 50 MB 50% 30-days
P8 – (50MB @ 50TK/Week) 25 MB 50% 7-days
P9 – (5MB @ 8TK/day) 2.5 MB 50% 1-day
P10 – (2MB @ 4TK/day) 1 MB 50% 1-day

15% vat apply

Package activate korar por 96 ghontar moddhe bonus chole ashbe. Ar bonus balance check korar jonno *124*5# ei number diye dial korte hobe.

REDEFINED SHADHEEN66 PACKAGE

REDEFINED SHADHEEN66 PACKAGE-

1. 10 sec pulse applicable for non-fnf numbers. for fnf numbers 60 sec pulse and for ISD calls 15 sec pulse applicable.

2. 4 FnF numbers to any operator [Teletalk numbers at only Tk. 0.25/min+vat & Other operators at Tk. 0.55/min+vat]. from 1st min, no setup charge.

3. for non-fnf numbers, 0.49tk setup charge applicable at 1st min.

4. to migrate, type 66 and send to 555. it'll take 24 hours.

Tariff:

any time; any operator-

1st min 0.66tk/min (10 sec pulse)+ 0.49tk setup charge+vat.
from 2nd min 0.66tk/min+vat (10 sec pulse).

SMS- 0.50tk, international SMS 2tk

Default pay per use rate- 0.016tk/KB

REDEFINED TELETALK 'EKUSH' PACKAGE

REDEFINED 'EKUSH' PACKAGE- THE BEST PREPAID PACKAGE OF BD :D

Tariff-

8am-12am: any operator 1.20tk/min+vat (10 sec pulse)

12am-8am: TT-TT 0.25tk/min+vat (10 sec pulse); TT-OTHER 0.65tk/min+vat (10 sec pulse).

Other Facilities:

1. 9 FnF to any operator. TT fnf 25p min (60 sec pulse) 24 hours; Other fnf 65p min (60 sec pulse) 24 hours.

2. Free 300 onnet sms every month. to get sms bundle continuously, recharge minimum 50tk atleast once every month.

3. Default Pay per use rate- 4kb/1p only. to know about other internet packs, click- www.teletalk.com.bd/services/gprs.html

4. SMS- 0.50tk, International SMS 2tk.

5. to migrate, type 21 and send to 555. it'll take 24 hours.

6. to add 9 fnf instantly, dial 1517 (free)

7. to know own number or current package, type WHOAMI and send to 321 (free).

8. New Teletalk EKUSH sim is 150tk only with free talktime, SMS and data. for details, click- www.teletalk.com.bd/services/prepaid.html

stay with teletalk

Airtel's New Prepaid Package "HoiChoi"

Mobile phone operator Airtel has introduced a new Prepaid package named “Hoichoi” which has 10 seconds pulse facility with flat call rate.

Details tariff plan:
Call at tk. 0.89/min to any operator 24hrs.
Pulse: 10 seconds.
SMS: tk. 0.39/sms to any mobile.
15% VAT applicable.

To migrate to this package, please call 786 & request them to migrate to “Hoichoi”

(N.B.- This package is not commercially launched yet.)

Citycell Zoom Ultra Users - Reactivate & Get 220% Instant Bonus

Citycell Zoom Ultra Users - Reactivate & Get 220% Instant Bonus on EVERY Tk 200 or Above Recharge!

To Check Eligibility Type "Ultra<> Number" Example : "Ultra 011XXXXXXXX" Send SMS to 2345 from any Citycell Number

> Offer Applicable For All Prepaid Zoom & Zoom ultra users who did not use the service after June 30,2012
> Customer will get Tk 400 Instant Bonus upon every Recharge of Tk 200 or Above
> Customer has to log in to internet plan within 7days of the recharge to enjoy the bonus
> Bonus is usable only for internet usage
> Upto 1 Mbps (2am-9am) speed in the month of Ramadan
> Citycell One 79 voice tariff applicable,Offer will not applicable if customer changes the tariff
> This Offer Is Not valid with any other promotional offer
> Helpline 121,01199121121

1 Number, 4 Countries, Tk. 20/Minute


Grameenphone introduces another attractive offer, this time for International Roaming Customers from August 8, 2012. Through this offer, International Roaming users who are using Xplore & Business Solutions Postpaid connections can enjoy a special roaming tariff of BDT 20 / min in voice calls (calls to Bangladesh and roaming local calls). And in addition to this they can also enjoy special tariff in SMS at BDT 20/SMS, and internet service at BDT 0.1/Kb, under this offer.
International Roaming Customers, who are using Xplore & Business Solutions Postpaid connections, can avail this offer by choosing the following networks manually in the respective countries while roaming: http://www.grameenphone.com/whats-new/1-number-4-countries-tk-20minute

Banglalink Desh Introduces New Connection Offer

banglalink desh introduces an new and exciting offer! customers can now enjoy a special call rate of only 68 paisa/minute to any operator for 24 hours a day! at only tk. 149 for a connection, new customers will enjoy a welcome bonus of tk. 20 talktime, 29 bonus minutes, 299 sms and 29 mb internet. you can avail further bonuses on talktime, sms and internet every day with a tk. 20 taka recharge!

offer details:
• to buy a new connection customers must provide 2 copies of passport size photos and a completed saf form.
• this special call rate is applicable for local calls only.
• with each connection enjoy a welcome bonus of tk. 20 talk-time, 29 bonus minutes, 299 sms and 29 mb internet.
• tk. 20 bonus talktime applicable for any purpose with a 15 day validity; 29 bonus minutes applicable for calls to banglalink numbers (except fnf) for 24 hours with a 10 day validity; 299 sms applicable for any banglalink number with a 30 day validity; 29 mb internet has a validity of 7 days.
• existing prepaid customers can migrate to this new package by typing start and sending sms to 8678.
• customers can also enjoy 40 minutes, 20 sms and 20 mb internet for a tk. 20 recharge every day for up to 3 months.
• all type of bonuses are valid for 2 days. bonus minutes can be used to call banglalink numbers (except fnf) from 9 am to 5 pm. bonus sms can be used for any banglalink number.
• this offer will continue till further notice.
• vat applicable.

10 F&F in GP Bondhu Package

Grameenphone brings more freedom in Bondhu package !!! From now on, any Bondhu prepaid subscriber of Grameenphone will be able to enjoy 10 F&F numbers, including 1 Super F&F at only BDT 0.29*/min. Rest of the 9 F&F numbers can be set for GP-GP F&F and GP-Other operator F&F. Super F&F can be set by writing “SF” (space) your desired GP number “017xxxxxxxx” and send to 2888 (SMS charge applicable).

Among total 10 F&F numbers, GP-GP F&F call charge is BDT 0.49*/min and GP-Other operator F&F call charge is BDT 0.79*/min. All F&F numbers can be changed after 15 days.

To grab this fantastic opportunity, any Grameenphone prepaid subscriber can migrate to Bondhu package by just writing “B” and sending SMS to 4444 (SMS charge not applicable).

Conditions:
* Only 1st minute GP-GP super F&F will cost BDT 0.59
* Only 1st minute GP-GP F&F will cost BDT 0.79
* Only 1st minute GP-Other F&F will cost BDT 1.09
* 15% VAT applicable to all charges



► গ্রামীণফোন বন্ধু প্যাকেজে এখন ১০টি F&F!

• বিস্তারিত:
গ্রামীণফোন বন্ধু প্যাকেজে নিয়ে এলো আরও অনেক বেশি স্বাধীনতা। এই প্রথম বন্ধু প্রিপেইড সংযোগে পাচ্ছেন ১টি সুপার FNF (জিপি-জিপি ২৯ পয়সা/মিনিট) সহ মোট ১০ টি FNF নম্বর। সুপার FNF সেট করতে SF টাইপ করে স্পেস দিয়ে আপনার প্রত্যাশিত জিপি নম্বরটি লিখে পাঠিয়ে দিন ২৮৮৮ নম্বরে (এসএমএস চার্জ প্রযোজ্য)।
এছাড়া বাকি ৯টি FNF নম্বর বেছে নেয়া যাবে যেকোন অপারেটরের নম্বর থেকে, যেখানে জিপি-জিপি FNF মাত্র ৪৯ পয়সা/মিনিট এবং জিপি-অন্য অপারেটর FNF মাত্র ৭৯ পয়সা/মিনিট। সকল FNF নম্বর ১৫ দিন পরপর পরিবর্তন করা যাবে।
এই অসাধারণ অফারটি পেতে গ্রামীণফোন-এর যেকোন প্রিপেইড গ্রাহক B লিখে 4444 নম্বরে এসএমএস করে বন্ধু প্যাকেজে মাইগ্রেট করতে পারেন।
শর্তাবলী:
* জিপি-জিপি সুপার FNF কলে শুধুমাত্র প্রথম মিনিটে ৫৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে।
* জিপি-জিপি FNF কলে শুধুমাত্র প্রথম মিনিটে ৭৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে।
* জিপি-অন্য অপারেটরের FNF কলে শুধুমাত্র প্রথম মিনিটে ১.০৯ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে।
* সকল চার্জে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।

FaceBook via USSD @ airtel

<--- FaceBook via USSD @ airtel --->

Dear airtel Subscribers , Simply Dial *325# From Ur Connection Today and perform rest of the steps to connect with Ur FB Account via USSD !!!

** Charge : 2.00 Tk. / Day (Without VAT)

So , dial the number and be connected for the whole day @ only 2 Tk. !! :)

Try it now & leave Ur Comments . . .

ভারতী এয়ারটেলের মুনাফা ৩৭% কমেছে

(প্রিয় টেক) ভারতের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর হিসেবে পরিচিত ভারতী এয়ারটেল এই প্রান্তিকেও লোকসানের সম্মুখীন হল। অব্যাহত প্রতিযোগিতার কারণে আয় কমে যাওয়ায় গত দশ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি একটানা শুধু লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে। যদিও এ সময়ের মধ্যে এয়ারটেলের গ্রাহক উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু তাসত্ত্বেও লোকসানের কারণে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার মূল্য গত দুমাস যাবত বাজারে সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে।

ভারতী এয়ারটেলের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপক সুনিল ভারতী মিত্তাল বিবৃতিতে জানান, "তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নতুন নীতিমালা ও কর বিষয়ক ব্যবস্থা টেলিকম রাজস্বের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।"
জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির নিট মুনাফা আগের বছরের চেয়ে ৩৭% কমে ৭.৬২ বিলিয়ন রুপিতে দাঁড়িয়েছে। যা বিশ্লেষকদের অনুমানের চেয়েও কম বলে উল্লেখ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ভারতের বিলিওনেয়ার এবং ভারতী এয়ারটেলের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপক সুনিল ভারতী মিত্তাল বিবৃতিতে জানান, "তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নতুন নীতিমালা ও কর বিষয়ক ব্যবস্থা টেলিকম রাজস্বের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।"
গত তিন মাসে গ্রাহক সংখ্যা বাড়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল ভারতী এয়ারটেল। প্রতিষ্ঠানটির তুলনায় ছোট্ট ছোট্ট প্রতিদ্বন্দ্বী, বিশেষ করে টেলিনরের ভারত শাখা তার পরিচালনা অনুমোদন বাতিলকে মেনে নেবার জন্য তৈরি হওয়ার কারণে এয়ারটেল এক্ষেত্রে ভাল অবস্থানে থাকলেও প্রতিযোগিতার কারণে লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
দেশের বাইরেও খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই মোবাইল অপারেটরটি। ২০১০ সালে $৯ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কুয়েতের টেলিকম জেইনের ১৫ টি দেশের অপারেশন কিনে নেবার মাধ্যমে আফ্রিকার বাজারে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানটি। যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের পঞ্চম মোবাইলফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে প্রচুর ব্যয়ের কারণে আফ্রিকায় প্রতিষ্ঠানটির লাভের হার চাপের মুখে রয়েছে এবং এ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠানটি তার ব্যবসাকে এখনো লাভজনক হিসেবে তৈরি করতে পারেনি।
জুন প্রান্তিকে সমগ্রভাবে প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ১৪% বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৩৫ কোটি রুপি হলেও তা অনুমানের চেয়েও কম। থমসনের রয়টারের বিশ্লেষকদের হিসেবে ভারতী এয়ারটেল রাজস্ব হিসেবে ১৯৫৭.৯ কোটি রুপি এবং নিট মুনাফা ১২১.৭ কোটি রুপি হবে বলে আশা করেছিল।

- Copyright © 2013 telecom bd - Metrominimalist - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan | Distributed by Rocking Templates -