Results of Qubee Game On
Hi,
Thank you for participating in Game On. We were overwhelmed to see the amazing enthusiasm. Total 4,620 participated and more than 100 scored the highest score of 160. 3 lucky winners were selected from the list randomly, through a random selection software from the top scorer.
And The Winners are:
Nusrat - University Womens Federation College
Ranjit Kumar - Apex pharma Ltd.
Rakibul Islam Rakib- North South University
Congratulations! Please send us your detail information Name, Cell phone no, Home Address to our Facebook message box by today for authentication…
Thanks everyone for the amazing participation. QUBEE is an Internet provider and we are constantly trying to improve our service so that you can get the service you need. We have limitations, but we are trying. Lets continue to play to discover on Facebook and Internet so that we can learn new avenues together :D
Thank you for participating in Game On. We were overwhelmed to see the amazing enthusiasm. Total 4,620 participated and more than 100 scored the highest score of 160. 3 lucky winners were selected from the list randomly, through a random selection software from the top scorer.
And The Winners are:
Nusrat - University Womens Federation College
Ranjit Kumar - Apex pharma Ltd.
Rakibul Islam Rakib- North South University
Congratulations! Please send us your detail information Name, Cell phone no, Home Address to our Facebook message box by today for authentication…
Thanks everyone for the amazing participation. QUBEE is an Internet provider and we are constantly trying to improve our service so that you can get the service you need. We have limitations, but we are trying. Lets continue to play to discover on Facebook and Internet so that we can learn new avenues together :D
Tag :
qubee
আধুনিক বিলিং সিস্টেম চালু করল টেলিটক
(প্রিয় টেক) বিল সংক্রান্ত যে কোনো ধরনের প্রতারণা
রোধসহ গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করতে কনভারজেন্স বিলিং সিস্টেম (সিবিএস) চালু
করছে রাস্ট্রয়াত্ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। রোববার রাত বারোটার পর সিবিএস প্রযুক্তি প্রতিস্থাপনের কাজ করার কথা তাদের।
সেক্ষেত্রে রাত বারোটার পর থেকে গ্রাহকদের কিছুটা সমস্যা হলেও হতে পারে বলেও এসএমএস দিয়ে জানিয়েছে টেলিটক।
টেলিটকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিবিএস প্রযুক্তির বিলিং পদ্ধতি এই প্রথম চালু করা হলো। নতুন এই প্রযুক্তি স্থাপনের ফলে কিছুদিন আগেও যে টেলিটকের দু'জন কর্মকর্তা কয়েক কোটি টাকার বিল লোপাট করেছেন সে সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন দাবি করেছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান নিজে। তিনি বলেন, এর বাইর নতুন প্রযুক্তি মাধ্যমে এখন থেকে সহজেই টেলিটকের পোষ্ট পেইড গ্রাহকরা চাইলে প্রিপেইড সেবা নিতে পারবেন। একইভাবে পিপ্রেইড গ্রাহকরা আগের নম্বর ঠিক রেখে পোষ্টপেইড সেবায় যেতে পারবেন।
মুজিবুর রহমান আরো জানান, ১৪ অক্টোবার থ্রি জি সেবা উদ্ভোধন করবে টেলিটক। থ্রি জি-কে সামনে রেখে তারা নতুন এই বিলিং সিস্টেম চালু করলেন।
সেক্ষেত্রে রাত বারোটার পর থেকে গ্রাহকদের কিছুটা সমস্যা হলেও হতে পারে বলেও এসএমএস দিয়ে জানিয়েছে টেলিটক।
টেলিটকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিবিএস প্রযুক্তির বিলিং পদ্ধতি এই প্রথম চালু করা হলো। নতুন এই প্রযুক্তি স্থাপনের ফলে কিছুদিন আগেও যে টেলিটকের দু'জন কর্মকর্তা কয়েক কোটি টাকার বিল লোপাট করেছেন সে সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন দাবি করেছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান নিজে। তিনি বলেন, এর বাইর নতুন প্রযুক্তি মাধ্যমে এখন থেকে সহজেই টেলিটকের পোষ্ট পেইড গ্রাহকরা চাইলে প্রিপেইড সেবা নিতে পারবেন। একইভাবে পিপ্রেইড গ্রাহকরা আগের নম্বর ঠিক রেখে পোষ্টপেইড সেবায় যেতে পারবেন।
মুজিবুর রহমান আরো জানান, ১৪ অক্টোবার থ্রি জি সেবা উদ্ভোধন করবে টেলিটক। থ্রি জি-কে সামনে রেখে তারা নতুন এই বিলিং সিস্টেম চালু করলেন।
Tag :
teletalk
রবি’র রিচার্জ বন্ধ হতে যাচ্ছে। শনিবার রবি'র হেড অফিস ঘেরাও
(প্রিয় টেক) মোবাইল ফোনে ব্যালান্স রিচার্জ নিয়ে বিপদে পড়েছে দেশের তৃতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটর রবি। রবি’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদুর রহমানের এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এই আন্দোলনে যাচ্ছে। বুধবার এক চিঠি দিয়ে মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন রবিকে এ বিষয়ে ২৪ ঘন্টা সময় দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছে। একই সঙ্গে তাদের ১১ দফা দাবিও মেনে নেওয়ার কথা বলেছে অ্যাসোসিয়েশন।
আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত রবি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। সে কারণে রাত নয়টায় তারা এ বিষয়ে বৈঠক করে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, শনিবার সকালে রবি’র গুলশানের প্রধান কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। এরপর খুব দ্রুতই তারা রবি’র রিচার্জও বন্ধ করে দেবেন।
মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু এ বিষয়ে বলেন, রবি যেহেতু কোনো কিছু জানায়নি সে কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, এদেশের তরুণদের দিয়ে হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করবে অপারেটররা কিন্তু যারা রিচার্জ করে দেয় তাদেরকে কিছু দেবে না তা হয় না।
জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে মাহমুদুর রহমানকে উদ্ধৃত করে একটি বক্তব্য ছাপা হয়। সেখানে তিনি বলেন, রিচার্জ অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ নিবন্ধিত কোনো সংগঠন নেই। ফলে কাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব?
এই বক্তব্য অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি অবজ্ঞা বলে মনে করেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু। তিনি বলেন, হাজার হাজার তরুণ এখানে কাজ করে। তাদেরকে অবজ্ঞা করে ব্যবসা করা চলবে না। তিনি জানান, অপারেটরদেরকে তাদের শক্তি বোঝানোর জন্যে গত কয়েক দিন বিক্ষিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় রিচার্জ বন্ধ রেখে অপারেটরদের এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়।
এর আগে বুধবার এয়ারটেলের সঙ্গে কমিশন বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছে রিচার্জ অ্যাসোসিয়েশন। অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এয়ারটেলের হেড অব ডিষ্ট্রিবিউশন মাসুদুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে এয়ারটেল জানিয়েছে, গ্রামীণফোন যেহেতু সবচেয়ে বড় কোম্পানি ফলে তাদের সঙ্গে বসে এ বিষয়ে রফা করতে হবে।
এর আগে বিটিআরসি’র সঙ্গেও বৈঠক করেছেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু। তিনি বলেন, বিটিআরসি তাদেরকে বলে দিয়েছে, কেউ কোনো অন্যায় চাপিয়ে দিলে বিটিআরসি সেটা দেখবে। ফলে তাদেরকে আটকে রাখা যাবে না।
গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর উত্তরাঞ্চলে প্রথম রিচার্জ বন্ধ করে আন্দোলনের শুরু করে অ্যাসোসিয়েশন। তারপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় রিচার্জ বন্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় রিচার্জ বন্ধ ছিল। এদিকে শনিবার থেকে নারায়ণগঞ্জেও রিচার্জ বন্ধ হয়ে যাবে বলে বিশ্বস্ত সূত্র থেকে extra telecomBD জানতে পেরেছে।
জানা গেছে, প্রতি দশ হাজার টাকা রিচার্জে তারা ২৭৫ টাকা কমিশন পান। অনেক দিন থেকে এই কমিশন ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছেন।
ওলো’র লাইসেন্স বৈধ নয়! BTRC কে মন্ত্রণালয়
(প্রিয় টেক) দেশের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট রাজ্যে নতুন এক সদস্য হলো ওলো (http://www.ollo.com.bd)। যদিও এরা দাবী করছে তারা ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে না, তবুও দুই ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়ন এবং কিউবি’র সঙ্গেই এদের লড়াই। এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিচার করলে, এরা বাংলালায়ন এবং কিউবী'র মতো সেবা প্রদান করছে, যদিও তাদেরকে ওয়াইম্যাক্সের জন্য নির্ধারিত ২১৫ কোটি টাকার লাইসেন্স ফি দিতে হয়নি।
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় বলছে, ওলো’র লাইসেন্স বৈধ নয়। তারা যে সেবা দিচ্ছে তা তাদের লাইসেন্সের আওতা বহির্ভূত। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে বিটিআরসি'কে বলা হয়েছে। সম্প্রতি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাফিউল হাসান স্বাক্ষতির একটি চিঠি বিটিআরসিতে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে তারা ওলো বিষয়ে পাঁচটি মন্তব্য করেছে। চিঠিটি প্রিয় টেকের হাতে রয়েছে।
চিঠির প্রথমেই বলা হয়েছে, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) মাল্টিনেট "ওলো" ব্র্যান্ডের আওতায় ওয়াইম্যাক্সের যে ব্যবসা করছে তা তাদের লাইসেন্সের আওতা বহির্ভূত। তাছাড়া তারা "বিল" ও "এনজিজিএল" নামক অপর দুটি প্রতিষ্ঠানের তরঙ্গ বান্ডেল করেছে। মন্ত্রনালয়ের চিঠি অনুযায়ী, এটিও আইন বহির্ভূত।
উল্লেখ্য যে, মাল্টিনেট "বিল" ও "এনজিজিএল" নামক দুটি আইএসপি-কে কিনে নিয়ে তাদের তরঙ্গ ব্যবহার করছে। পৃথিবীতে বিভিন্ন কোম্পানী আরেকটি কোম্পানীকে কেনার রেওয়াজ রয়েছে। এবং সেখানে তাদের রিসোর্সও ব্যবহার করার এখতিয়ার থাকে। কিন্তু এখানে কেনো সেটা হবে না, তা ব্যাখ্যা করেনি মন্ত্রনালয়।
চিঠির তৃতীয় অংশে বলা হয়েছে, ওলো গ্রাহকদের যে ডঙ্গল বিক্রি করছে তা আমদানি করা হয়েছে "এনজিজিএল" প্রতিষ্ঠানের নামে। এ থেকে দুটি বিষয় প্রতীয়মান হয়। হয় তারা মাল্টিনেটের হয়ে অবৈধভাবে গ্রাহকেদের সেবা দিচ্ছে। অন্যথায় তারা আইন-বহির্ভূতভাবে লাইসেন্স হস্তান্তর করেছে।
চতুর্থ পর্যবেক্ষনে বলা হয়েছে, এলটিই (লং টার্ম ইভ্যুলুশন) একটি ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি হওয়ায় ২১’শ মেগাহার্টজে এলটিই লাইসেন্স দেওয়া হলে ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্সধারীদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে।
সম্প্রতি প্রিয়.কম বাংলাদেশের ৩টি ওয়াইম্যাক্স সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি তুলনামূলক চার্ট তৈরী করে। সেখানে দেখা যায় যে, ওলো ব্যবহার গ্রাহকদের জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী।
বর্তমানে ওলো কেবল রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, হাতিরপুল, নিকুঞ্জ, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, উত্তরা এবং গুলশান এলাকায় তাদের সেবা কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে।
অপর দিকে অ্যাকসেস টেলিকম নামে অপর একটি আইএসপি দেশব্যাপী ওয়াইম্যাক্স সেবা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। আইএসপি হিসেবে তারা ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স ৮০২.১৬ডি (802.16d) মানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারে। এটিও প্রচলিত ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান বাংলালায় এবং কিউবী'র স্বার্থের বিপক্ষে যাবে।
জানা গেছে, বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্স কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় বিষয়টি প্রথমে নজরে নেয়। পরে তারা এ বিষয়ে পর্যালোচনা করে বিটিআরসিকে তদন্ত করতে বলেছে।
এ বিষয়ে জানতে ওলো অফিসে দফায় দফায় যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু কেউ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে এ বিষয়ে জানতে বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মন্ত্রনালয়ের কাছ থেকে চিঠি এসেছে। তবে এখনো বিষয়টি তদন্তের জন্যে কোনো কমিটি গঠিত হয়নি। কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে।
সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠেছে যে, মাল্টিনেট কেন "বিল" ও "এনজিজিএল" নামক দুটি আইএসপি-কে কিনতে পারবে না? আর যদি কিনতে না পারে, তাহলে ওই দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের মালিকানা বিক্রি করলো কিভাবে? সেটা কি বিটিআরসি জানতো না? টেলিযোগাযোগ খাতের যেকোনও মালিকানা হস্তান্তর বিটিআরসি'র অনুমতি নিয়েই করার নিয়ম।
Tag :
ollo-bangladesh
,
Spotlight
টেলিটকের থ্রি জিতে বিটিআরসি’র বাঁধা; কমার্শিয়াল লঞ্চিং নয়, কমার্শিয়াল টেস্টিং
আগামী১৪ অক্টোবর টেলিটকের থ্রি জি’র উদ্ভোধন করা হবে। তবে এই উদ্ভোধনকে বলা হচ্ছে কমার্শিয়াল টেস্টিং। বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক উদ্ভোধন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি’র আপত্তিতেই কমার্শিয়াল লঞ্চিং বদলে ফেলা হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রথম এ বিষয়ে আপত্তি জানায় বিটিআরসি। পরে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় এবং টেলিটক বিষয়টি মেনে নেয়।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কাগজ কলমে কমার্শিয়াল টেস্টিং মেনে নেওয়া হলেও থ্রি জি সিম বিক্রি চলবে। এক্ষেত্রে ব্যাখ্যায় বলা হবে, টেস্টিংয়ের অংশ হিসেবেই গ্রাহককে ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে। তবে অক্টোবরেই যেহেতু সরকার থ্রি জি’র নীতিমালা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সে কারণে খুব বেশী দিন টেলিটককে এ বিষয়ে ঝামেলা করতে হবে না।
টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান বুধবার মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের আগে এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত জানান। তিনি বলেন, অনেক কৌশল আছে। দেখা যাক কি হয়। তবে বিকল্প তো পাওয়া যাবেই।
এ বিষয়ে বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেহেতু থ্রি জি’র লাইসেন্স কাউকে দেওয়া হয়নি সে কারণে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলতে পারে না। তবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাতে সরকার অনুমোদন দিলে তাদের আপত্তি থাকার কথা নয়।
মুজিবুর রহমান জানান, বিটিআরসি’র আপত্তি মেনে ইতিমধ্যে তারা ১৪ অক্টোবরের অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছেন থ্রি জি’র বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক উদ্ভোধন।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্য কোনো পক্ষ আবার এ বিষয়ে যাতে কোর্টে চলে না যায় সে কারণে প্রতিরোধমূলক এই ব্যবস্থা নিয়ে রাখা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ আইন অনুসারে লাইসেন্স ছাড়া কোনো অপারেটরেরই কোনো সেবা দেওয়ার সুযোগ নেই।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি জি) প্রযুক্তির উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪ অক্টোবর দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে ভিডিও কল করবেন তিনি। পরপরই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলে অংশ নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকীর সঙ্গেও।
তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নিজের ছেলে বেলার স্কুল আজিমপুর গার্লস স্কুলের মেয়েদের সঙ্গেও তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে আলাপ করবেন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি’র আপত্তিতেই কমার্শিয়াল লঞ্চিং বদলে ফেলা হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রথম এ বিষয়ে আপত্তি জানায় বিটিআরসি। পরে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় এবং টেলিটক বিষয়টি মেনে নেয়।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কাগজ কলমে কমার্শিয়াল টেস্টিং মেনে নেওয়া হলেও থ্রি জি সিম বিক্রি চলবে। এক্ষেত্রে ব্যাখ্যায় বলা হবে, টেস্টিংয়ের অংশ হিসেবেই গ্রাহককে ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে। তবে অক্টোবরেই যেহেতু সরকার থ্রি জি’র নীতিমালা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সে কারণে খুব বেশী দিন টেলিটককে এ বিষয়ে ঝামেলা করতে হবে না।
টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান বুধবার মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের আগে এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত জানান। তিনি বলেন, অনেক কৌশল আছে। দেখা যাক কি হয়। তবে বিকল্প তো পাওয়া যাবেই।
এ বিষয়ে বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেহেতু থ্রি জি’র লাইসেন্স কাউকে দেওয়া হয়নি সে কারণে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলতে পারে না। তবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাতে সরকার অনুমোদন দিলে তাদের আপত্তি থাকার কথা নয়।
মুজিবুর রহমান জানান, বিটিআরসি’র আপত্তি মেনে ইতিমধ্যে তারা ১৪ অক্টোবরের অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছেন থ্রি জি’র বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক উদ্ভোধন।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, অন্য কোনো পক্ষ আবার এ বিষয়ে যাতে কোর্টে চলে না যায় সে কারণে প্রতিরোধমূলক এই ব্যবস্থা নিয়ে রাখা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ আইন অনুসারে লাইসেন্স ছাড়া কোনো অপারেটরেরই কোনো সেবা দেওয়ার সুযোগ নেই।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি জি) প্রযুক্তির উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪ অক্টোবর দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে ভিডিও কল করবেন তিনি। পরপরই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলে অংশ নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকীর সঙ্গেও।
তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নিজের ছেলে বেলার স্কুল আজিমপুর গার্লস স্কুলের মেয়েদের সঙ্গেও তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে আলাপ করবেন।
Tag :
Spotlight
বাতিল হয়েছে ভ্যাস নীতিমালা
(প্রিয় টেক) শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে গেছে ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস (ভ্যাস) ব্যবসা নিয়ে করা খসড়া নীতিমালা। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে জানিয়েছে আপাততও ভ্যাসের কোনো প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে পাঁচটি কারণ দেখিয়েছে মন্ত্রণালয়।
তবে ভ্যাস ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও খুশি হয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা। শুরু থেকেই তারা এর বিরোধিতা করে আসছিল।
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাফিউল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে প্রথম কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ও বাজার পৃথক ভ্যাস লাইসেন্সের উপযুক্ত নয়। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ভ্যাসের মার্কেট এবং ভ্যালু চেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে চিহ্নিত করা প্রয়োজন।
এরপর বলা হয়েছে, ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটসহ সকল পক্ষের অধিকার ও প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাছাড়া গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে সকল পক্ষের প্রাপ্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠা, নতুন প্রযুক্তির প্রচলনসহ কর্মসংস্থান ও অন্যান্য বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা যেতে পারে।
শেষ যুক্তি হিসেবে অবশ্য আগের চারটিসহ নতুন করে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে কমিটির সুপারিশ মতো পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এই চিঠি পাঠানো হলেও বিটিআরসিতে তা এসেছে ১৬ সেপ্টেম্বর। চিঠি পেয়েই হতবাক বিটিআরসি'র সবাই। এ বিষয়ে বিটিআরসি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
তবে অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে এমন একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্ত্রণালয় আসলে একটি পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিল। তারা বলেন, ভ্যাস নীতিমালার মাধ্যমে তারা দেশীয় উদ্যোক্তাদের স্থায়ী সংরক্ষণে উদ্যোগী হয়েছিলেন।
তবে এ বিষয়ে ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আলীম বলেন, তারা এ বিষয়ে বিস্মিত হয়েছেন। এর মাধ্যমে বিদেশী উদ্যোক্তাদের পক্ষেই নিল মন্ত্রণালয়। তিনি জানান, ঢাকায় এখন এমন ভ্যাস অপারেটর আছে যারা মাসে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকার রেমিটেন্স অবৈধভাবে নিয়ে যাচ্ছে। এই ব্যবসাটি দেশীয়দের দেয়া হলে এই টাকা তারা দেশের মধ্যে ধরে রাখতে পারতেন বলেও দাবি করেন তিনি।
ভ্যাস বিষয়ে সরকারের এই অবস্থানে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোস্তফা জব্বারও। তিনি বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তাদের এই খাতটিতে আরো বেশী সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ দিতে চেয়েছিল বিটিআরসি। কিন্তু সেই পথ বন্ধ করে দিল মন্ত্রণালয়।
তবে কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তারা বলেন, সরকারকে কেবল তারা তাদের কথা বলেছেন। সরকার যেটা ভালো মনে করেছে সেটিই করেছে।
কি ছিল ভ্যাস নীতিমালায়?
মোবাইলে স্বাস্থ্য সেবা, মোবাইল ব্যাংকিং, মোবাইল ফোনে বিল দেওয়া, টিকিট কাটা, লটারিতে ভোট দেওয়া, গান শোনাসহ নানা বিনোদনের সকল সুযোগই ভ্যাসের অন্তর্ভুক্ত। গত দশ বছরে দেশে গড়ে ওঠা এই সেবাগুলো সব মোবাইল অপারেটর তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কিনে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে। এর আগে এ বিষয়ে কোনো লিখিত নীতিমালা ছিল না। বিটিআরসি বলছে, এক্ষেত্রে নানা অনিয়মের অভিযোগ আছে। সেখানে নিয়ম-নীতি প্রতিষ্ঠা করতেই নীতিমালার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিটিআরসি নীতিমালার যে খসড়া করেছিল তাতে বিটিআরসি বলেছিল, মোবাইল ফোন অপারেটররা ভ্যাসের নিজস্ব কোনো আয়োজন করতে পারবে না। আর এর পুরো নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতের বাইরে থাকবে। অপারেটররা কেবল তাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্যে কিছু ভাড়া পাবে। এখানেই আপত্তি জানিয়েছে অপারেটররা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশে এখন সব মিলে এক-দেড়'শ কোটি টাকার ভ্যাস মার্কেট রয়েছে। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ছাড়াও অনেক বিদেশী প্রতিষ্ঠান এখন এই সেবার সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেয়েছে।
জানা যায়, বিটিআরসি খসড়া নীতিমালা প্রণয়নের পর থেকেই এটি বাতিল করতে উদ্যোগ নেয় মোবাইল ফোন অপারেটররা। তারা এ বিষয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। তখনকার মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুও এ বিষয়ে অপারেটরদের পক্ষে অবস্থান নেন বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
Tag :
Spotlight
Kill Your Bill By Banglalion New Postpaid Connection
KILL your BILL !!!
Now you can kill your Postpaid bill with exciting Banglalion offer. Get 20%, 25% and 30% discount on monthly rent for 1st, 3rd and 5th month, when you purchase a new Postpaid connection.
Notes:
1. Valid only for new customer.
2. Total discount will be up to Tk.1000. Discount will be distributed maximum 20%, 25% and 30% in 1st, 3rd and 5th month respectively, whichever comes first.
3. Regular monthly rent for respective packages will be applicable on 2nd, 4th, 6th month and onward.
4. Applicable only for Safari, Voyage and Expedition plan.
Now you can kill your Postpaid bill with exciting Banglalion offer. Get 20%, 25% and 30% discount on monthly rent for 1st, 3rd and 5th month, when you purchase a new Postpaid connection.
Notes:
1. Valid only for new customer.
2. Total discount will be up to Tk.1000. Discount will be distributed maximum 20%, 25% and 30% in 1st, 3rd and 5th month respectively, whichever comes first.
3. Regular monthly rent for respective packages will be applicable on 2nd, 4th, 6th month and onward.
4. Applicable only for Safari, Voyage and Expedition plan.
Tag :
banglalion
দশ সেকেন্ড পালস বাস্তবায়ন বিষয়ে টেকনিক্যাল অডিট
প্রতিটি ফোন কলে সঠিকভাবে ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করা হয়েছে কি-না তা পর্যবেক্ষণ করতে সব মোবাইল ফোন অপারেটরে টেকনিক্যাল অডিট করতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। একই সঙ্গে ১০ সেকেন্ড পালস দেওয়ার ফলে অপারেটরদের আয়ে কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে বা গ্রাহক কী ধরনের সুবিধা-অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এক্ষেত্রে সরকারের ভ্যাট ও অন্যান্য আয়ে কী প্রভাব পড়বে তাও এ অডিট কার্যক্রমের মাধ্যমে জানা সম্ভব হবে। অক্টোবরের শুরুর দিকে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রতিটিতে এ অডিট করা হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ। তিনি বলেন, তাদের নির্দেশনার ফলে ১০ সেকেন্ড পালস কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করে দেখতে চান। তিনি বলেন, ৩০ দিনের মধ্যে অডিট শেষ করা হবে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে অডিট দল গঠনের কাজ চলছে।
জানা গেছে, বিটিআরসির কমিশন বৈঠকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে বিটিআরসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে অপারেটরগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে অডিট দল গঠন করা হবে। অডিট দল সব অপারেটরের সুইচ রুম এবং বিলিং সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করবে বলেও জানিয়েছে সূত্র।
অডিটের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে অপারেটররা। এ বিষয়ে রবির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান সমকালকে বলেন, এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান তারা। নিয়ন্ত্রক সংস্থার এসে দেখা যাওয়া উচিত পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে। তা ছাড়া সরকারের আয় প্রাপ্তির বিষয়ে কী প্রভাব পড়বে সেটিও দেখতে হবে। একইভাবে গ্রামীণফোনের করপোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইনও জানান, বিটিআরসি দেখে যেতে পারে, এতে সমস্যার কিছু নেই।
এর আগে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী সমকালকে জানান, ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়নে তাদের প্রতিদিনের আয়ের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এর ফলে প্রথম সপ্তাহে তাদের আয় ১৭ শতাংশ কমেছে বলেও জানান তিনি।
রবি জানিয়েছে, তারা এখনও ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়নের হিসাব করেনি। কিন্তু অবশ্যই আয়ের ওপর এর প্রভাব ফেলছে। এতে সরকারের আয়ও কমে যাবে বলে জানায় তারা। যত টাকার কথা হয় তার ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট পায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। তা ছাড়া অপারেটরদের মোট আয়ের সাড়ে পাঁচ শতাংশ পায় বিটিআরসি। প্রতি বছর এই দু'খাত থেকে সরকারের কোষাগারে হাজার হাজার কোটি টাকা জমা পড়ে।
এদিকে অন্য একটি অপারেটর জানিয়েছে, ১০ সেকেন্ডের পালসের ফলে কম কথা যারা বলেন তাদের জন্য ভালো হলেও যারা একটু বেশি সময় কথা বলেন তাদের বিল বেড়েছে। আগে অনেক অপারেটরেই প্রথম মিনিটে একরকম বিল ছিল। তারপর দ্বিতীয় মিনিট থেকে বিলের ধরন বদলে যেত। এখন প্রতি ১০ সেকেন্ডে একই রকম বিল। তা ছাড়া আগে এক বা পাঁচ সেকেন্ড পালসের যে সুবিধা ছিল তার অনেকই উঠে গেছে। ফলে এই সুবিধাভোগী গ্রাহকদের বিলও বেড়েছে।
সৌজন্যে: সজল জাহিদ, সমকাল
Tag :
Spotlight
প্রকৃত গ্রাহক না হলে মোবাইল সংযোগ বন্ধ
(বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- প্রকৃত গ্রাহক শনাক্ত করতে মোবাইল ফোন
অপারেটরদের গ্রাহকদের পরিচয় পুণরায় যাচাই করতে বলেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা
বিটিআরসি।
প্রকৃত পরিচয় আড়াল করে নেয়া মোবাইল সিম বন্ধ করতেই এ উদ্যেগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ।
রোববার বিটিআরসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
গিয়াসউাদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী ১১ অক্টোবরের পর মোবাইল ফোন অপারেটররা আগে থেকে চালু থাকা সিম বিক্রি করতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সিম বিক্রির পর গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করার পরই তা চালু হবে জানিয়ে গিয়াসউদ্দিন বলেন, সিম কেনার সময় গ্রাহকের ছবি নেয়ার জন্য অপারেটরদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, শিগগিরই তারা এ কাজ শুরু করবে।
বাজারে কী পরিমাণ অনিবন্ধিত সিম রয়েছে বা প্রকৃত গ্রাহক ছাড়া কী পরিমাণ সিম ব্যবহার করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর প্রকৃত সংখ্যা জানা নেই, তবে প্রকৃত গ্রাহক না হলে সিম বাতিল করতে অপারেটরদের রি-ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
বিটিআরসি’র উদ্যেগের বিষয়ে প্রায় ৪ কোটি গ্রাহক সংখ্যার অপারেটর গ্রামীণফোনের চিফ কমিউনিকেশন অফিসার কাজি মনিরুল কবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া গত ২০০৮ সালেও করা হয়েছিল, জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজ ব্যবহার করার অনুমতি দিলে সহজেই এ সমস্যা সামাধান করা যায়। সিম কেনার সময় ক্রেতার তথ্য ডাটাবেজ যাচাই করে সিম বিক্রি করলে এ সমস্যা আর থাকবে না।”
বিটিআরসি’র যে কোন উদ্যেগে সব সময় সহযোগিতা করা হয় বলেও জানান তিনি।
স¤প্রতি বিটিআরসির অবৈধ ভিওআইপি প্রতিরোধের অভিযানে কয়েকটি অপারেটরের অনিবন্ধিত সিম উদ্ধার করা হয়। অবৈধ ভিওআইপি’র বেশিরভাগ কল অনিবন্ধিত সিম বা গ্রাহক যাচাই ছাড়া সিম দিয়ে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।
সংস্থাটি বলছে, গ্রাহকের পরিচয় যাচাই না করে সিম বিক্রির ফলে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা- হচ্ছে।
বাংলাদেশে ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটর রয়েছে।
বিটিআরসি’র হিসাব মতে অগাস্ট মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ৯ কোটি ৯৫ লাখ।
প্রকৃত পরিচয় আড়াল করে নেয়া মোবাইল সিম বন্ধ করতেই এ উদ্যেগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ।
রোববার বিটিআরসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
গিয়াসউাদ্দিন আহমেদ বলেন, আগামী ১১ অক্টোবরের পর মোবাইল ফোন অপারেটররা আগে থেকে চালু থাকা সিম বিক্রি করতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সিম বিক্রির পর গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করার পরই তা চালু হবে জানিয়ে গিয়াসউদ্দিন বলেন, সিম কেনার সময় গ্রাহকের ছবি নেয়ার জন্য অপারেটরদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, শিগগিরই তারা এ কাজ শুরু করবে।
বাজারে কী পরিমাণ অনিবন্ধিত সিম রয়েছে বা প্রকৃত গ্রাহক ছাড়া কী পরিমাণ সিম ব্যবহার করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর প্রকৃত সংখ্যা জানা নেই, তবে প্রকৃত গ্রাহক না হলে সিম বাতিল করতে অপারেটরদের রি-ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
বিটিআরসি’র উদ্যেগের বিষয়ে প্রায় ৪ কোটি গ্রাহক সংখ্যার অপারেটর গ্রামীণফোনের চিফ কমিউনিকেশন অফিসার কাজি মনিরুল কবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া গত ২০০৮ সালেও করা হয়েছিল, জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজ ব্যবহার করার অনুমতি দিলে সহজেই এ সমস্যা সামাধান করা যায়। সিম কেনার সময় ক্রেতার তথ্য ডাটাবেজ যাচাই করে সিম বিক্রি করলে এ সমস্যা আর থাকবে না।”
বিটিআরসি’র যে কোন উদ্যেগে সব সময় সহযোগিতা করা হয় বলেও জানান তিনি।
স¤প্রতি বিটিআরসির অবৈধ ভিওআইপি প্রতিরোধের অভিযানে কয়েকটি অপারেটরের অনিবন্ধিত সিম উদ্ধার করা হয়। অবৈধ ভিওআইপি’র বেশিরভাগ কল অনিবন্ধিত সিম বা গ্রাহক যাচাই ছাড়া সিম দিয়ে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।
সংস্থাটি বলছে, গ্রাহকের পরিচয় যাচাই না করে সিম বিক্রির ফলে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা- হচ্ছে।
বাংলাদেশে ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটর রয়েছে।
বিটিআরসি’র হিসাব মতে অগাস্ট মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ৯ কোটি ৯৫ লাখ।
Tag :
Spotlight
মোবাইলে অপরাধ বৃদ্ধিতে পুলিশের অনুরোধে প্রিঅ্যাক্টিভেটেড সিম বিক্রি বন্ধ হতে যাচ্ছে
(প্রিয় টেক) মোবাইল ফোনে চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অপরাধ
নিয়ন্ত্রনে আনতে অনেক দিন থেকেই নানা কৌশল খুঁজছে পুলিশসহ আইন শৃংখলা
বাহিনী। নিবন্ধনহীন মোবাইল সিমের মাধ্যমে করা অপরাধ দমনে এবার নতুন কৌশল
নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের অনুরোধে তথ্য পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিক্রিত
সিম অ্যাকটিভ না করতে নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।
আগামী ১২ অক্টোবর থেকে বিক্রি হওয়া কোনো সিমেই আর প্রিঅ্যাক্টিভেশন থাকবে না। ফলে সিম কিনেই কথা বরার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে। এর আগে সিদ্ধান্ত হলেও গত ২৭ সেপ্টেম্বর মোবাইল অপারেটদের এক চিঠিতে বিটিআরসি আবারো জানিয়েছে, সঠিক তথ্য প্রমাণ-ছবিসহ কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে সেটি অপারেটর যাচাই বাছাইয়ে ক্রেতার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হলেই কেবল বিক্রিত সিমটি ব্যবহার উপযোগী (অ্যাক্টিভ) হবে।
ওই চিঠিতে বিটিআরসি মোবাইল ফোন কেন্দ্রিক অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় তাদের
উদ্বেগের কথাও জানায়। বিটিআরসি’র চিঠিতে বলা হয়েছে, সঠিভভাবে সিমের নিবন্ধন
না হওয়ায় আইন শৃগ্ধখলা বাহিনী প্রায়ই মোবাইল ফোন চুরি হওয়া, মোবাইলে
উত্যক্ত করা, ব্ল্যাক মেইলিং এবং দস্যুতার মতো অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী সংসদে বক্তৃতার সময় তার যে দুটি মোবাইল নম্বর
দিয়েছিলেন সেখানেও অনিবন্ধিত সিম থেকে অনেক ফোন কল এসেছে। তার প্রেক্ষিতে এ
বিষয়ে কড়াকড়ি অবস্থানে বিটিআরসি ও আইন শৃংখলা বাহিনী।
বিটিআরসি’র বক্তব্য সম্পর্কে একই কথা বলেছেন ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন, নিবন্ধনহীন সিমের কারণে পুলিশকে বিভিন্ন অপারাধের তদন্ত করতে গিয়ে বিশেষ করে টেলিফোনে চাঁদাবাজির মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পড়তে হয়। মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে সিমে নিবন্ধনের তথ্য চাইলে তারা বলেন, রিটেলাররা এখনও সংশ্লিষ্ট সিম কার্ডটির রেজিষ্ট্রেশন ফরম ঢাকাতে পাঠাননি। ফলে সিম নিবন্ধনের তথ্য দিতে পারে না তারা। এতে করে পুলিশ অনেক সময় অপরাধীকে সনাক্ত করতে পারে না। আর যেসব রেজিষ্ট্রেশনের তথ্য দেয় তাও একেবারেই ভুয়া। এমন সব নাম ঠিকানা ব্যবহার করা যেখানে এই নামে কোন ব্যক্তি বা ঠিকানাই নেই। ফলে বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকে বিটিআরসিকে অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাদের পদক্ষেপ নিতেও অনুরোধ করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, অপরাধ দমন করতে সঠিক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিকল্প নেই। সঙ্গে এখন নতুন সংযুক্ত হতে যাওয়া সিমের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। অল্প দিনের মধ্যে তারা ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়া সিমের পুনঃনিবন্ধন চালু করবেন বলেও জানান তিনি।
তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এমন কড়াকড়ির ফলে তাদের সিম বিক্রি সন্দেহাতীতভাবে কমবে। এমনকি সিম বিক্রি শূন্যে চলে আসতে পারে বলেও আশংকা করেছেন তারা। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও আশংকা প্রকাশ করেছেন তারা।
অন্যতম মোবাইল ফোন অপারেটর রবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদুর রহমান বলেন, যে পদ্ধতিতে সিম বিক্রি করার কথা বলা হচ্ছে তাতে একজন গ্রাহককে সিম কিনেও কথা বলার জন্যে অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। এতে নতুন গ্রাহক অবশ্যই কমবে। তারা বিবেচনায় অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়তো এটি প্রভাব ফেলবে কিন্তু তার নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহও রয়েছে। তিনি বলেন, অনেক উন্নত দেশে নিবন্ধনের কড়াকড়ি ইত্যাদি থাকার পরেও অপরাধ থেমে নেই।
অপর এক মোবাইল ফোন কর্মকর্তা বলেছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ছাড়া সিম বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু গ্রাহক পরিচয়পত্রের যে ফটোকপি দেবে সেটি যে ভূয়া নয়, তা প্রমাণ হবে কিভাবে? আবার এই দায় দায়িত্ব পুরোটাই অপারেটরদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধীদের মোবাইল ফোনের তথ্য খুঁজতে গিয়ে "আটা", "সুজি", "মুন্না ভাই এমবিবিএস" ইত্যাদি ধরনের অসংখ্য ভূয়া নামের সিম রেজিষ্ট্রেশন পেয়েছেন। বাংলাদেশের মতো একটি দেশ যা কিনা অপরাধীদের জন্য অভয়ারন্য, সেখানে তাদেরকে সুবিধা দিতে কোনও রকম পরিচয় নিশ্চিত না করেই যথেচ্ছা সিম কার্ড বিক্রি একটি বিশাল সমস্যার তৈরী করেছে।
বন্ধ সিম পুনরায় চালু করা যাবে না
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সিম রেজিষ্ট্রেশনের পাশাপাশি বন্ধ সিমকে পুনরায় চালু করার পদ্ধতিটিও বাতিল করতে হবে। কারণ, এতে করে পুরনো অন্য কারো নামে নেয়া সিম কার্ডটি নতুন করে অ্যাক্টিভেট করে নিয়ে অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে নিরাপত্তার কারণে বন্ধ সিম নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর ব্যবহার না করলে সেটাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়। গ্রাহককে সেক্ষেত্রে নতুন সিম নাম্বার নিতে হয়। বাংলাদেশের টেলিকম অপারেটররা এই নিয়মগুলো মানে না। তারা পুরো দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করেছে।
গ্রাহকের ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে
বাংলাদেশে বলা হয় ৯ কোটির উপর সিম কার্ড বিক্রি হয়েছে। কিন্তু কারো কাছেই এই গ্রাহকের কোনও ডাটাবেজ নেই। অপারেটরের কাছে যেমন নেই, বিটিআরসি'র কাছেও নেই। এতো বিশাল একটি শিল্প, এভাবে যগা-খিচুরিভাবে চলতে পারার উদাহরণ বাংলাদেশ ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।
আগামী ১২ অক্টোবর থেকে বিক্রি হওয়া কোনো সিমেই আর প্রিঅ্যাক্টিভেশন থাকবে না। ফলে সিম কিনেই কথা বরার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে। এর আগে সিদ্ধান্ত হলেও গত ২৭ সেপ্টেম্বর মোবাইল অপারেটদের এক চিঠিতে বিটিআরসি আবারো জানিয়েছে, সঠিক তথ্য প্রমাণ-ছবিসহ কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে সেটি অপারেটর যাচাই বাছাইয়ে ক্রেতার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হলেই কেবল বিক্রিত সিমটি ব্যবহার উপযোগী (অ্যাক্টিভ) হবে।
বিটিআরসি’র বক্তব্য সম্পর্কে একই কথা বলেছেন ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন, নিবন্ধনহীন সিমের কারণে পুলিশকে বিভিন্ন অপারাধের তদন্ত করতে গিয়ে বিশেষ করে টেলিফোনে চাঁদাবাজির মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পড়তে হয়। মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে সিমে নিবন্ধনের তথ্য চাইলে তারা বলেন, রিটেলাররা এখনও সংশ্লিষ্ট সিম কার্ডটির রেজিষ্ট্রেশন ফরম ঢাকাতে পাঠাননি। ফলে সিম নিবন্ধনের তথ্য দিতে পারে না তারা। এতে করে পুলিশ অনেক সময় অপরাধীকে সনাক্ত করতে পারে না। আর যেসব রেজিষ্ট্রেশনের তথ্য দেয় তাও একেবারেই ভুয়া। এমন সব নাম ঠিকানা ব্যবহার করা যেখানে এই নামে কোন ব্যক্তি বা ঠিকানাই নেই। ফলে বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকে বিটিআরসিকে অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাদের পদক্ষেপ নিতেও অনুরোধ করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ বলেন, অপরাধ দমন করতে সঠিক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিকল্প নেই। সঙ্গে এখন নতুন সংযুক্ত হতে যাওয়া সিমের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। অল্প দিনের মধ্যে তারা ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়া সিমের পুনঃনিবন্ধন চালু করবেন বলেও জানান তিনি।
তবে মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এমন কড়াকড়ির ফলে তাদের সিম বিক্রি সন্দেহাতীতভাবে কমবে। এমনকি সিম বিক্রি শূন্যে চলে আসতে পারে বলেও আশংকা করেছেন তারা। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও আশংকা প্রকাশ করেছেন তারা।
অন্যতম মোবাইল ফোন অপারেটর রবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদুর রহমান বলেন, যে পদ্ধতিতে সিম বিক্রি করার কথা বলা হচ্ছে তাতে একজন গ্রাহককে সিম কিনেও কথা বলার জন্যে অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। এতে নতুন গ্রাহক অবশ্যই কমবে। তারা বিবেচনায় অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়তো এটি প্রভাব ফেলবে কিন্তু তার নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহও রয়েছে। তিনি বলেন, অনেক উন্নত দেশে নিবন্ধনের কড়াকড়ি ইত্যাদি থাকার পরেও অপরাধ থেমে নেই।
অপর এক মোবাইল ফোন কর্মকর্তা বলেছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ছাড়া সিম বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু গ্রাহক পরিচয়পত্রের যে ফটোকপি দেবে সেটি যে ভূয়া নয়, তা প্রমাণ হবে কিভাবে? আবার এই দায় দায়িত্ব পুরোটাই অপারেটরদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধীদের মোবাইল ফোনের তথ্য খুঁজতে গিয়ে "আটা", "সুজি", "মুন্না ভাই এমবিবিএস" ইত্যাদি ধরনের অসংখ্য ভূয়া নামের সিম রেজিষ্ট্রেশন পেয়েছেন। বাংলাদেশের মতো একটি দেশ যা কিনা অপরাধীদের জন্য অভয়ারন্য, সেখানে তাদেরকে সুবিধা দিতে কোনও রকম পরিচয় নিশ্চিত না করেই যথেচ্ছা সিম কার্ড বিক্রি একটি বিশাল সমস্যার তৈরী করেছে।
বন্ধ সিম পুনরায় চালু করা যাবে না
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সিম রেজিষ্ট্রেশনের পাশাপাশি বন্ধ সিমকে পুনরায় চালু করার পদ্ধতিটিও বাতিল করতে হবে। কারণ, এতে করে পুরনো অন্য কারো নামে নেয়া সিম কার্ডটি নতুন করে অ্যাক্টিভেট করে নিয়ে অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে নিরাপত্তার কারণে বন্ধ সিম নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর ব্যবহার না করলে সেটাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়। গ্রাহককে সেক্ষেত্রে নতুন সিম নাম্বার নিতে হয়। বাংলাদেশের টেলিকম অপারেটররা এই নিয়মগুলো মানে না। তারা পুরো দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করেছে।
গ্রাহকের ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে
বাংলাদেশে বলা হয় ৯ কোটির উপর সিম কার্ড বিক্রি হয়েছে। কিন্তু কারো কাছেই এই গ্রাহকের কোনও ডাটাবেজ নেই। অপারেটরের কাছে যেমন নেই, বিটিআরসি'র কাছেও নেই। এতো বিশাল একটি শিল্প, এভাবে যগা-খিচুরিভাবে চলতে পারার উদাহরণ বাংলাদেশ ছাড়া আর কোথাও পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।
Tag :
Spotlight
রোমিং এর মাধ্যমে থ্রিজি সেবা দিতে নিষেধ করলো ভারত সরকার
(প্রিয় টেক) ভারতের সরকার অবিলম্বে দেশের মোবাইল
পরিচালক প্রতিষ্ঠানদেরকে রোমিংয়ের মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা সেবা
প্রদান করা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। মোবাইল পরিচালকগণ নিজের গ্রাহকদের
কাছে থ্রিজি সেবাটি নিরবিচ্ছিন্নভাবে পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে নিজের এলাকার
বাইরে রোমিং চুক্তির মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করে আসছিল। কিন্তু শুক্রবার
টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব এক চিঠির মাধ্যমে এই সুবিধা প্রদান করা থেকে বিরত
থাকার নির্দেশ দিয়েছে। যার ফলে এই ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে বলে
জানা গিয়েছে।
ভারত বর্তমানে ব্যবহারকারী হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিযোগাযোগ
বাজার হিসেবে পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রক নীতির কারণে এই খাতে
অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। যার মাঝে ২০০৮ সালের লাইসেন্স বিতরণে কেলেঙ্কারির
কারণে আদালত কর্তৃক ১২১ টি টুজি লাইসেন্স বাতিল এর নির্দেশ অন্যতম। এই
নভেম্বরে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারো নিলামের মাধ্যমে তরঙ্গ ক্রয় করতে হবে।
ভারত সরকার গত ডিসেম্বরে মোবাইল পরিচালকদেরকে লাইসেন্স প্রাপ্ত অঞ্চলের বাইরে তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা সেবা প্রদান করাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করে। আর ঐ নির্দেশের প্রেক্ষিতে নতুন এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। মোবাইল পরিচালকগণ ডিসেম্বরের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে টেলিকম বিবাদ মীমাংসা এবং আপিল ট্রাইব্যুনাল (টিডিএসএট) এ সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে। ট্রাইব্যুনাল জুলাই মাসে বিভক্ত রায় প্রদান করে।
গত শুক্রবার টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা সেবা বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করে।
চিঠিতে আইন ভঙ্গের কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না সে ব্যাপারে জবাব দেবার জন্য ৬০ দিন সময় দিলেও সেবাটি এখনই বন্ধ করে দেবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং তিনদিনের মধ্যে নির্দেশ পালিত হয়েছে বলে সরকারকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বর্তমানে ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন ভারত এবং আইডিয়া সেলুলার রোমিং চুক্তির মাধ্যমে নিজের এলাকার বাইরে গ্রাহকদেরকে থ্রিজি সুবিধা প্রদান করছে। এ ব্যাপারে ভারতী এবং ভোডাফোন কোন মন্তব্য করতে রাজি হয় নি।
বর্তমানে দেশটিতে বিএসএনএল ছাড়া আর কোন কোম্পানি সমগ্র দেশে থ্রিজি সেবা দেবার অনুমতি ক্রয় করেনি বলে জানিয়েছে এনগ্যাজেট।
ভারত সরকার গত ডিসেম্বরে মোবাইল পরিচালকদেরকে লাইসেন্স প্রাপ্ত অঞ্চলের বাইরে তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা সেবা প্রদান করাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করে। আর ঐ নির্দেশের প্রেক্ষিতে নতুন এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। মোবাইল পরিচালকগণ ডিসেম্বরের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে টেলিকম বিবাদ মীমাংসা এবং আপিল ট্রাইব্যুনাল (টিডিএসএট) এ সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে। ট্রাইব্যুনাল জুলাই মাসে বিভক্ত রায় প্রদান করে।
গত শুক্রবার টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্মের ডাটা সেবা বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করে।
চিঠিতে আইন ভঙ্গের কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না সে ব্যাপারে জবাব দেবার জন্য ৬০ দিন সময় দিলেও সেবাটি এখনই বন্ধ করে দেবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং তিনদিনের মধ্যে নির্দেশ পালিত হয়েছে বলে সরকারকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বর্তমানে ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন ভারত এবং আইডিয়া সেলুলার রোমিং চুক্তির মাধ্যমে নিজের এলাকার বাইরে গ্রাহকদেরকে থ্রিজি সুবিধা প্রদান করছে। এ ব্যাপারে ভারতী এবং ভোডাফোন কোন মন্তব্য করতে রাজি হয় নি।
বর্তমানে দেশটিতে বিএসএনএল ছাড়া আর কোন কোম্পানি সমগ্র দেশে থ্রিজি সেবা দেবার অনুমতি ক্রয় করেনি বলে জানিয়েছে এনগ্যাজেট।
Tag :
Spotlight
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে থ্রি জি’র উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
(প্রিয় টেক) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মে (থ্রি জি)
প্রযুক্তির উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৪ অক্টোবর
দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর
রহমানের সঙ্গে ভিডিও কল করবেন তিনি। পরপরই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলে অংশ
নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ. আ. ম. স. আরেফিন
সিদ্দিকী। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজের ছাত্রী জীবনের স্কুল আজিমপুর গার্লস
স্কুলের মেয়েদের সঙ্গেও তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে আলাপ করবেন।
থ্রি জি’র উদ্ভোধনের এই হচ্ছে আপাত প্রস্তুতি। টেলিযোগাযোগ দফায় দফায় বৈঠক করে এক ঘন্টার অনুষ্ঠানের এই আয়োজন সাজিয়েছে। ওই দিনের অনুষ্ঠানে যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক তরুনের সমাবেশ ঘটে সে বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। সে জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটসহ রাজধানীর অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রনালয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে ই-এডুকেশন বা ই-লার্নিং এবং ই-মেডিসিনের আরো কিছু ডেমোনেস্ট্রেশন প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছে সূত্র।

এদিকে গত দেড় বছরের প্রস্তুতিতে থ্রি জি’র উদ্ভোধনের পর্যায়ে এসেছে টেলিটক। রাষ্ট্রয়াত্ত্ব অপারেটরটি প্রথম দফায় তিন লাখ থ্রি জি সিম বাজারে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন কেবল ঢাকা এবং ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় থ্রি জি সেবা দিতে পারবে তারা। ডিসেম্বর নাগাদ তারা চট্টগ্রাম এবং পরে জানুয়ারিতে সিলেটেও এর বিস্তার ঘটাবে।
থ্রি জি’র উদ্ভোধনের এই হচ্ছে আপাত প্রস্তুতি। টেলিযোগাযোগ দফায় দফায় বৈঠক করে এক ঘন্টার অনুষ্ঠানের এই আয়োজন সাজিয়েছে। ওই দিনের অনুষ্ঠানে যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক তরুনের সমাবেশ ঘটে সে বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। সে জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটসহ রাজধানীর অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রনালয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে ই-এডুকেশন বা ই-লার্নিং এবং ই-মেডিসিনের আরো কিছু ডেমোনেস্ট্রেশন প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছে সূত্র।
এদিকে গত দেড় বছরের প্রস্তুতিতে থ্রি জি’র উদ্ভোধনের পর্যায়ে এসেছে টেলিটক। রাষ্ট্রয়াত্ত্ব অপারেটরটি প্রথম দফায় তিন লাখ থ্রি জি সিম বাজারে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন কেবল ঢাকা এবং ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় থ্রি জি সেবা দিতে পারবে তারা। ডিসেম্বর নাগাদ তারা চট্টগ্রাম এবং পরে জানুয়ারিতে সিলেটেও এর বিস্তার ঘটাবে।
দ্বিতীয় প্রান্তিকে রবির রাজস্ব ৯৬২ কোটি ৭০ লাখ টাকা
(প্রিয় টেক) মুনাফা হলেও বিনিয়োগের তুলনায় তা এখনো অনেক কম বলে মনে করছে মোবাইলফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড। বছরের প্রথমার্ধে ২২৮ কোটি টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা এসেছে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে রবির চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ক্যুনার, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মাহাতাবউদ্দিন আহমেদ, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) প্রদীপ শ্রীবাস্তবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন।
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন) ৯৬২ কোটি ৭০ লাখ টাকার রাজস্ব আয় করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। প্রতিষ্ঠানটি দ্বিতীয় প্রান্তিকে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে ৩ হাজার ৯৩২ মিলিয়ন টাকা। প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন আহমেদ বলেন চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি থেকে মার্চ) তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি।
দ্বিতীয় প্রান্তিকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদন তুলে ধরে মাহতাবউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সুদ, কর, অবচয় এবং ঋণের পরিশোধিত কিস্তি (ইন্টারেস্ট, ট্যাক্সেস, ডেপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড অ্যামরটাইজেশন-ইবিআইটিডিএ) বাদে ৩২৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা আয় করেছি। রবি এ প্রান্তিকে নেটওয়ার্কের সক্ষমতা ও কভারেজের আওতা বাড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে ভৌগোলিক পরিধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯ ভাগ এবং গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে ৯৮ দশমিক ৭ ভাগ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে নতুন ৩৭টি বিটিএস স্থাপন করেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির মোট বিটিএসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৯২টি। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে রবি পনেরো লাখ গ্রাহক অর্জন করেছে। এতে রবির গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটিতে।
মাইকেল ক্যুনার বলেন, ধারাবাহিকভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে রবি। এ ক্ষেত্রে বেশকিছু সাফল্যও অর্জিত হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রণের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মাইকেল ক্যুনার বলেন, গ্রাহকদের সাধ্যের মধ্যে সেবা দিতে আগ্রহী রবি। তবে থ্রি-জির ক্ষেত্রে হ্যান্ডসেটের উচ্চমূল্যের কারণে প্রারম্ভিকভাবে এটি ব্যবসাসফল হবে কি না প্রশ্ন রয়েছে। এ জন্য বাজার বিশ্লেষণের প্রয়োজন।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মাহাতাবউদ্দিন আহমেদ জানান, এরই মধ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছে রবি। সদ্য সমাপ্ত প্রান্তিকে মুনাফা করলেও এর ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। এ মুনাফা এখনো প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের তুলনায় অনেক কম।
১০ সেকেন্ড পালস প্রসঙ্গে প্রদীপ শ্রীবাস্তব বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়েই ব্যবস্থাটি চালু করেছে রবি। তবে প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর এটির প্রভাব বুঝতে আরও সময় প্রয়োজন।
Ollo Cent's Interruption
Dear Valued Users,
We would like to inform all of you that due to maintenance & upgradation work of Dhakacom end, you might face difficulties to access to our Call Center Number at 09611016243 or 16243 for below mentioned period. This interruption might not happen constantly.
Date: 28th September, 2012
Maintenance period: 01:00AM to 4:00AM
We feel regret for such inconvenience.
Thanks!
We would like to inform all of you that due to maintenance & upgradation work of Dhakacom end, you might face difficulties to access to our Call Center Number at 09611016243 or 16243 for below mentioned period. This interruption might not happen constantly.
Date: 28th September, 2012
Maintenance period: 01:00AM to 4:00AM
We feel regret for such inconvenience.
Thanks!
Tag :
ollo-bangladesh
Now carry your own WiFi with Banglalion i-Fi
Sharing your internet connection is now even easier with Banglalion portable WiFi router.
Device Features:
• Maximum User : 8 simultaneous Wi-Fi connections with additional 1 USB connectivity
• Support : Windows, MAC, LINUX OS platform
• WiFi Range : 700 sqft
• LCD : One blue color LED with 1.5 inch LCD Monitor
• Battery Life : 4 hours backup with one charge for continuous usage
• Warranty : 1 year
• Price : BDT 9595
This device is applicable for following Postpaid packages only.
Speed > Plan Name > Usage > Monthly Fee*
1 Mbps > Voyage 25 > 25 GB** > Tk.1850
Voyage King > King*** > Tk.2250
2 Mbps > Expedition 25 > 25 GB** > Tk.4050
Expedition King > King*** > Tk.5250
* 15% VAT applicable
** Additional usage charge is Tk. 0.15/MB (VAT applicable)
*** Fair Usage policy is applicable on King Plans
Note: Not Applicable for Prepaid connection
For details, Please call 011-98989898 or visit nearest Banglalion customer care/Plaza.
Device Features:
• Maximum User : 8 simultaneous Wi-Fi connections with additional 1 USB connectivity
• Support : Windows, MAC, LINUX OS platform
• WiFi Range : 700 sqft
• LCD : One blue color LED with 1.5 inch LCD Monitor
• Battery Life : 4 hours backup with one charge for continuous usage
• Warranty : 1 year
• Price : BDT 9595
This device is applicable for following Postpaid packages only.
Speed > Plan Name > Usage > Monthly Fee*
1 Mbps > Voyage 25 > 25 GB** > Tk.1850
Voyage King > King*** > Tk.2250
2 Mbps > Expedition 25 > 25 GB** > Tk.4050
Expedition King > King*** > Tk.5250
* 15% VAT applicable
** Additional usage charge is Tk. 0.15/MB (VAT applicable)
*** Fair Usage policy is applicable on King Plans
Note: Not Applicable for Prepaid connection
For details, Please call 011-98989898 or visit nearest Banglalion customer care/Plaza.
Tag :
banglalion

