১০ সেকেন্ডের পালস: ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিচ্ছে গ্রামীণফোন

(প্রিয় টেক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা - বিটিআরসি’র বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ১০ সেকেন্ড পালস বাস্তবায়ন করতে না পারায় গ্রাহকদের যে ক্ষতি হয়েছে সেই অর্থ ফেরত দিতে শুরু করেছে গ্রামীণফোন। মঙ্গলবার থেকে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের ব্যালেন্সের সঙ্গে এই টাকা যোগ করে দেওয়া শুরু হয়েছে। এই সপ্তাহের মধ্যেই সব গ্রাহকের হিসেব সম্পন্ন করে তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্যে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করার সময় বেঁধে দেওয়া ছিল। কিন্তু গ্রামীণফোন নির্ধারিত ওই সময়ের মধ্যে সব গ্রাহকের জন্যে দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পরে ২০ সেপ্টেম্বর বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে গ্রাহককের কাছ থেকে বাড়তি টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করেছেন তারা।
এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন সৈয়দ তাহমিদ আজিজুল হক মিডিয়াকে জানান, বিটিআরসি’র নির্দেশনা আমলে নিয়ে তারা গ্রাহকের ব্যালান্স সমন্বয় করে দিচ্ছেন। আজ সকাল থেকেই প্রিপেইড গ্রাহকরা তাদের প্রাপ্য টাকা ফেরত পেতে শুরু করছেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে পোষ্ট পেইড গ্রাহকদের টাকা মাস শেষে বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
তবে দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবানে বিলম্বের কারণে এভাবে গ্রাহকে ঠিক কতো টাকা গ্রামীণফোন ফেরত দিচ্ছে সেই অংক জানাতে পারেনি তাহমিদ আজিজুল হক।
গ্রামীণফোনের মতো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দশ সেকেন্ডের পাসল বাস্তবানে ব্যর্থ হয়েছিল দ্বিতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটর বাংলালিংক। বিটিআরসি তাদেরকেও গ্রাহকের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বাংলালিংক এখনো এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
বিটিআরসি’র ওই নির্দেশনায় দুটি অপারেটরকে সঠিক সময়ে ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু ওই কাজও করেনি অপারেটর দুটি।

থ্রিজি সিম বিক্রয়ে কড়াকড়ি। জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

(প্রিয় টেক) মাত্র কয়েক দিন আগে উচ্চ আদালত সিম বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক না করতে নির্দেশ দিলেও টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মের সিম বিক্রির ক্ষেত্রে এটি মানা হচ্ছে না। যদিও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি আদালতের রায় মেনে যে কোনো পরিচয়পত্রে সিম কেনার সুযোগ রাখার নির্দেশনাও জারি করেছে।

গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিটকের থ্রিজি সেবার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। (ছবিঃ বাসস)
সোমবার শেষ বিকালের দিকে টেলিটকের থ্রিজি সিম কিনতে গিয়ে অনেক গ্রাহক এমন বিপাকে পড়েন। দিনের শুরু থেকে থ্রিজি সিম বিক্রি করার কথা থাকলেও অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতা এবং পরিবেশকদের কাছে সিম পৌঁছেছে বিকালে। ফলে তারা কাউকে কোনো সিম দিতে পারেনি। সিমের সঙ্গে এই নির্দেশনাও দেওয়া হয় যে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া যেন কারো হাতে সিম না যায়।
উত্তরার সাংবাদিক জামিউল হাসান বনানীর তিনটি দোকানে ঘুরেও থ্রিজি'র সিম কিনতে পারেননি। তিনি জানান, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে সিম দেওয়া হয়নি। অথচ সরকারের দেওয়া সাংবাদিকতার অ্যাক্টিডিটেশন কার্ডেও কাজ হচ্ছে না।
জানা গেছে, ১৪ অক্টোবর থ্রিজি'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী টেলিটককে বলে দিয়েছেন থ্রিজি সিম যেন কোনো অবস্থায় ভুয়া নিবন্ধনের কবলে না পড়ে। এ জন্যে প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম বিক্রি করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সিম দিয়ে যা কিছু করার সম্ভব থ্রিজি'র সিমে চাইলে আরো অনেক বেশী কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে কারো ক্ষতি করতে চাইলে সেটিও বেশী পরিমাণে করা সম্ভব। সুতরাং জাতীয় পরিচয়পত্র এখানে বাধ্যতামূলক করতেই হবে।
এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান অবশ্য বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তাদের আর কিছুই বলার থাকতে পারে না।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সামনে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন। সে কারণে থ্রিজি সিমের নিবন্ধন বিষয়ে সরকার পক্ষ আরো সচেতন থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া আগে থেকেই (গত ১২ অক্টোবর) বিটিআরসি সব ধরনের সিমের প্রি-অ্যাক্টিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পরিচয়পত্রের তথ্য নিশ্চিত হয়ে এবং ছবি মিলিয়ে তবেই সিম সক্রিয় করা হবে। এ কারণে গত কয়েক দিনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম বিক্রির পরিমাণ একেবারেই পড়ে গেছে। নিবন্ধন সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রি-অ্যাক্টিভেশন বন্ধ হওয়ার কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন তারা।

আবারও ৪ দিন মোবাইল ফোনে টাকা রিচার্জ বন্ধ

(প্রিয় টেক) কমিশন বৃদ্ধিসহ ১১ দফা দাবিতে ৪ দিন মোবাইল ফোনের বিল রিচার্জ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোবাইল ফোনের বিল রিচার্জ বন্ধ রাখা হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যাবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু।
তিনি জানান, মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোকে রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ১১ দফা দাবি পূরণ করতে হবে। দাবি পূরণের আন্দোলন হিসেবে আগামী ১৮ থেকে ২১ অক্টোবর সারাদেশে কোনো মোবাইল ফোনের বিল রিচার্জ করবেন না ব্যবসায়ীরা। এর আগেও ঢাকাসহ দেশের জেলা শহরগুলোতে আলাদাভাবে তিন দিন করে ধর্মঘট পালন করেন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তাতে মোবাইল কোম্পানিগুলো থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাননি তারা।
কমিশন বৃদ্ধিসহ আরো বেশ কয়েকটি দাবিতে দীর্ঘ্যদিন থেকে আন্দোলন করে আসছে রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে তারা ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমিশন পান। এই কমিশন বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা তাদের প্রধান দাবি। তাছাড়া ভুল নম্বরে রিচার্জ হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা, রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ২৫ পয়সা মিনিটে অফিসের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া, কমিশন ধাপে ধাপে নয়, এক সঙ্গে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
আমিনুল ইসলাম বুলু জানান, দাবি নিয়ে তারা বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকটি মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে বেঠক করেছেন। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি’র সঙ্গেও তারা বৈঠক করেছেন। সব দিকে থেকে পেয়েছেন কেবল আশ্বাস। এখন অতিসত্ত্বর এটি বাস্তবায়ন না করা হলে তাদের আন্দোলন আরো দীর্ঘ্যায়িত হবে। তিনি বলেন, রিচার্জ ব্যায়সীরা ধর্মঘটে গেলে তাতে মানুষের দূর্ভোগ হয়। এটি জানার পরেও বাধ্য হয়ে তারা ধর্মঘটে গেছেন। এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে রিচার্জ নেতাদের সঙ্গে তাদের টেলিফোনে আলোচনা হয়েছে। বৃহত্তর দাবি আদায়ে সাধারণ মানুষকে একটু ধ্যৈর্য ধরার আহবান জানান তারা।
এদিকে রিচার্জ ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে ইন্টারনেটে পাশ্ববর্তী ভারত এবং পাকিস্তাসহ আরো কয়েকটি দেশে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বাংলাদেশেই রিচার্জের কমিশন সবচেয়ে কম। ভারতে কমিশনের পরিমান সর্বনিন্ম তিন শতাংশ। সর্বোচ্চ কমিশনের পরিমান প্রদেশভেদে অনেক বেশী থাকলেও গড়ে কমিশনের পরিমান সাড়ে তিন শতাংশ। পাকিস্তানে কমিশনের পরিমান গড়ে চার শতাংশ।
চার দিনের ধর্মঘটের আন্দোলন বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের কোনো প্রতিনিধি। তবে তার বলেন, এমনিতে এ দেশে মোবাইল খাতের করের বোঝা রয়েছে। এখন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা এতো বেশী কমিশন দাবি করে বসলে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া ছাড়া তাদের বিকল্প কিছুই করার থাকবে না।

50% Discount on Smartphone for Icons

Offer Details:

Smartphone price Concession

Tk. 20,000 – 30,000 50%

Tk. 30,001 – 40,000 40%

Tk. 40,001 – 50,000 30%

Tk. 50,001 onwards 20%


• Tariff Plans are:

→ Icon bundle 1:
>> 3000 minutes to any local operator
>> 1000 SMS to any local operator
>> 300 MB mobile Internet
>> Tk. 1000 ISD calls to any country

→ Icon bundle 2:
>> 3500 minutes to any local operator
>> 1000 SMS to any local operator
>> Unlimited mobile Internet


Contributed by
24/7 Mobile News


Teletalk Internet Package (New)

Teletalk Redefined Their Internet package. The Best Internet Package of Bangladesh.

Pack Amounts Vat Total Cost Code
5 MB BDT 4 BDT 0.60 BDT  4.60 D1
10 MB BDT 8 BDT 1.20 BDT  9.20 D2
30 MB BDT 20 BDT 3 BDT  23 D3
250 MB BDT 100 BDT 15 BDT  115 D4
1 GB BDT 200 BDT 30 BDT  230 D5
Unlimited BDT 600 BDT 90 BDT  690 D6
-->

২জি গ্রাহকদের জন্য টেলিটক নতুন করে ইন্টারনেট প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
# ৫ মেগাবাইট ৪.৬০ টাকা (১ দিনঃ কোড D1)
# ১০ মেগাবাইট ৯.২০ টাকা (২ দিনঃ কোড D2)
# ৩০ মেগাবাইট ২৩ টাকা (৭ দিনঃ কোড D3)
# ২৫০ মেগাবাইট ১১৫ টাকা (১৫ দিনঃ কোড D4)
# ১ গিগাবাইট ২৩০ টাকা (৩০ দিনঃ কোড D5)
# আনলিমিটেড ৬৯০ টাকা (৩০ দিনঃ D6)

# প্যাকেজ একটিভ করতে কোড লিখে মেসেজ পাঠান ১১১ নম্বরে।
# উপরে বর্ণিত মূল্য ভ্যাট সহ দেয়া আছে।
# মেসেজ চার্জঃ ৫৮ পয়সা
# প্যাকেজ সাথে সাথে একটিভ হয়ে যাবে।
# অব্যবহৃত ডাটার পরিমান জানতে, ডায়াল *১৫২#
# মেয়াদ/ডাটা শেষ হবার পরে "পে পার ইউজ" হিসেবে টাকা কাটবে।

Robi SMS & MMS Bundle

Robi Brings SMS & MMS Bundle Again

01. 500 SMS by BDT 25
      # Dial *8444*11#

02. 100 MMS by BDT 25
      # Dial *8444*13#

Validity: 7 Days

For Details:
Call 123
Browse: www.robi.com.bd


টেলিটক ৩জি প্রিপেইড প্যাকেজ "প্রজন্ম"

টেলিটক প্রজন্ম ৩জি

সিমের মূল্যঃ ৯০০ টাকা
ফ্রিঃ
৫০০ মিনিট ভয়েস কল
৫০০ মিনিট ভিডিও কল
১০০০ এসএমএস
১ গিগা ইন্টারনেট

ভয়েস কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১০ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।

ভিডিও কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫০ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ২০ পয়সা।
এফএনএফ: ১টি
এফএনএফ কল রেট
ভয়েস কল রেট:> সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
ভিডিও কল রেট: সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৫ পয়সা।
এসএমএস: প্রতিটি ১৫ পয়সা।

অন্যান্য সেবা
এসএমএস: প্রতিটি ৪৫ পয়সা।
এমএমএস: প্রতিটি ৩ টাকা।
ইন্টারনেট ডাটা: প্রতি ৫ কেবি ১ পয়সা।

প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* শুধুমাত্র নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ।
* সিম চালু হওয়ার পর থ্রিজি সেবার ভিডিও কল, মোবাইল টিভি, দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা এবং থ্রিজির অন্যান্য সেবা উপভোগ করা যাবে।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবিট এবং বান্ডিল প্যাকেজে তা ২ মেগা্বিট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
* যেকোনো প্লানের থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা পেতে সাবস্ক্রিপশন কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* প্রাথমিক অবস্থায় ভয়েস এবং ভিডিও কল শুধুমাত্র টেলিটক থেকে টেলিটকে ব্যবহার করা যাবে।
* সকল সার্ভিসেই ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।

মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান
১২৮ কেবিপিএস স্পিড(kbps)
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D7
২ জিবি: মূল্য ৩৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D11
আনলিমিটেড: মূল্য ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D12
২৫৬ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ১৭৫ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D14
৪ জিবি: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D16
আনলিমিটেড: মূল্য ১,০৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D17
৫১২ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D19
২ জিবি: মূল্য ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D20
১০ জিবি: মূল্য ১,০০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D22
১ এমবিপিএস
৪ জিবি: মূল্য ৮০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D25
৮ জিবি: মূল্য ১,২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D26
২ এমবিপিএস
১০ জিবি: মূল্য ২,৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D27

মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* যেকোনো প্লানে সাবস্ক্রাইব করতে প্যাকেজ কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* ৩০ দিনের ২ জিবি ডাটার ৫১২ কিলোবাইট ইন্টারনেট স্পিড প্যাকেজ পেতে হলে আপনাকে D20 লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* যদি কোনো প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তা পরবর্তী প্যাকেজে আর ব্যবহার করা যাবে না।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবাইট এবং বান্ডেল প্যাকেজে তা ২ মেগাবাইট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।

মোবাইল ইন্টারনেট প্লান (২জি এর জন্য)
৫ মেগাবাইট: মূল্য ৪ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D1
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ২ দিন, প্যাকেজ কোড D2
৩০ মেগাবাইট: মূল্য ২০ টাকা, মেয়াদ ৭ দিন, প্যাকেজ কোড D3
২৫০ মেগাবাইট: মূল্য ১০০ টাকা, মেয়াদ ১৫ দিন, প্যাকেজ কোড D4
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D5
আনলিমিটেড: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D6

টেলিটক মোবাইল টিভি
মোবাইলে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখতে চান? তাহলে আপনার
মোবাইল থেকে ভিজিট করুন: http://wap.portal.teletalk.com.bd
পিসি থেকে ভিজিট করুন: http://portal.teletalk.com.bd


TeletalkTV.JPG

মোবাইল টিভি সাবস্ক্রিপশন ফি
* ৪ টি টিভি চ্যানেল দেখতে মাসিক ফি: ২০০ টাকা (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য)।
* ৮ টি টিভি চ্যানেল দেখতে মাসিক ফি: ৩২৫ টাকা (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য)।

এছাড়া
টেলিটকের থ্রিজি সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর জানতে দেখুন এখানে।
টেলিটকের থ্রিজি সম্পর্কে যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন এখানে।

Teletalk introduces 3G mobile technology


 
State-run mobile phone operator Teletalk is set to introduce the much-awaited third generation (3G) mobile technology, for the first time in the country, on Sunday that provides video calling, mobile TV, high-speed download.

Prime Minister Sheikh Hasina will inaugurate the service on an experimental basis, Mujibur Rahman, Managing Director of the state-owned cell phone operator, told bdnews24.com.

The official said that they have completed all the preparations in this regard and that the government's aim is to provide 3G technology to Teletalk subscribers very soon.

3G is a term used to represent the third generation of mobile telecommunications technology. It is fully a wireless broadband which is technically called high-speed packet access (HSPA), and it can be enjoyed through 3G- enabled handsets, smartphones and modems. 3G technologies enables faster data-transmission, greater network capacity and more advanced network services.

After installing the 3G technology, the mobile user would enjoy the Real-Time Video Calling, Live Mobile TV, High-Speed Download, HD gaming, e-education, public health, tele-medicine and e-shopping.

A senior official of the Teletalk said that Teletalk Bangladesh Limited would publish advertisements in the newspapers about 3G service this month.

Initial price for a 3G-enabled SIM ((Subscriber Identification Module) will be Tk 1,000 while existing users will get preference. Preparations are over to provide the services to over 300,000 subscribers in the capital initially after the inauguration.

According to the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission, untill August, Teletalk had nearly 1.4 million subscribers of which only 25,000 subscribers are using its internet connection while the six mobile-phone operators had a combined 99.5 million subscribers.

Being the state-run operator, Teletalk was given the opportunity to launch 3G experimentally before other operators. It was supposed to launch the service in March for six months but deferred the launch for 'technical reasons.'

The recently approved 3G licence draft says the spectrum would be auctioned by this year. Teletalk will have to take the 3G spectrum spending the same amount of money like others even if it does not take part in the auction.

Apart from Bangladesh's private operators Grameenphone, Banglalink, Citycell, Airtel and Robi, foreign companies will also be able to take part in the auction. 


by
bdnews24.com




আজ টেলিটকের থ্রিজি সেবা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

(প্রিয় টেক) দফায় দফায় সময় পরিবর্তন করে অবশেষে তৃতীয় প্রজন্মের থ্রিজি মোবাইল সেবা আজ রবিবার থেকে চালু হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আধুনিক প্রযুক্তির এই সেবার উদ্বোধন করবেন। প্রথম দিকে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল কোম্পানি টেলিটক ঢাকা মহানগরসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় থ্রিজি সেবা দেবে। তবে সাধারণ গ্রাহকরা শুরুতেই এই সেবা পাচ্ছেন না।

ইতিমধ্যেই যারা গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তাদের সকলকেও শুরুর দিন থেকে সেবা দেয়া সম্ভব হবে না। থ্রিজি সেবা প্রাপ্তির তালিকায় প্রথমেই নির্বাচন করা হয়েছে কর্পোরেট গ্রাহকদেরকে।
জানা গেছে, আজ রোববার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে থ্রিজির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেড় ঘণ্টা ব্যাপী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। ওই অনুষ্ঠান গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা থ্রিজি সেবা উপভোগ করছেন তারা মোবাইলফোনে সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, টেলিটক এখনো অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারেনি। তবে দেশীয় ৫টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে লিংক তৈরির প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র। এসব বাস্তবায়ন করতে আরো ৬ থেকে ৮ মাস সময় প্রয়োজন।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর লিংক শেয়ার, কনটেন্ট প্রোভাইডারদের সঙ্গে চুক্তির বিষয়গুলোও সম্পন্ন না হওয়ায় আপাতত থ্রিজি দিয়ে স্যাটেলাইট টিভিতে সরাসরি খেলা দেখা আপাতত সম্ভব হবে না। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে প্রথম পর্যায়ে কর্পোরেট দুনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরই কেবল এই সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা ইতোমধ্যে গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তাদের মধ্য থেকে মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা বহারকারীরা উদ্বোধনের পর থেকে এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
আর চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে থ্রিজি ব্যবহার করতে পারবেন সকল গ্রাহক। এছাড়া দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪ থেকে ৫ লাখ গ্রাহককে থ্রিজি সেবা দেয়া সম্ভব হবে বলে জানা গেছে। টেলিটক সূত্রে জানা গেছে, শুরতে ইন্টারনেট সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডেটা কানেক্টিভিটি (২ এমবিপিএস) নিয়ে কাজ করছে এবং কনটেন্টের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে। প্রাথমিকভাবে টেলিটকের থিজি নেটওয়ার্কে ডেটা কানেক্টিভিটির পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্স করা যাবে। এজন্য মোবাইলফোন সেট বা ল্যাপটপে বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকতে হবে। মোবাইলফোনে থ্রিজি ব্যবহার করে নাটক, গান বা মুভি দেখতে চাইলে উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি প্রয়োজন। স্মার্টফোনেই উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি আছে। এ বিষয়টিও ব্যবহারকারীদের ভাবতে হবে। তা না হলে অল্প দিনের মধ্যেই মোবাইলফোন সেটে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির টেলিটকের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো তৈরি না করে সেবা চালু করার বিষয়টিকে গ্রাহক ধরার কৌশল হিসেবে দেখছে। ২১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (এক হাজার ৬শ ৮৮ কোটি টাকা) ব্যয়ে চীনা কোম্পানি সিএমইসি থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ করছে। সারাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজ করতে আরও এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। তবে ঢাকায় নেটওয়ার্ক স্থাপনের বিষয়টি শেষ হয়েছে কিছুদিন আগেই। নেটওয়ার্ক কতটা কার্যকর হয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। থ্রিজি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি একটি বড় বিপ্লব ঘটবে। গ্রামের মানুষও শহরের মানুষের মতো ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন।
সূত্র জানিয়েছে, টেলিটক "এ লড়াই আপনার জন্য নয়" শিরোনামে একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে ইতোমধ্যে চার লাখ গ্রাহকের জন্য থ্রিজি সেবা চালুর প্রস্ত্ততি নিয়েছে। ভ্যালিড গ্রাহক নির্বাচনের জন্য তিন মাসের প্যাকেজ অফারের আওতায় গ্রাভিটি ক্লাব নামের একটি বান্ডেল অফার দেয়। গত জুলাই মাস থেকে শুরু হয় এ অফার। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রামে থ্রিজি সেবা দেবে টেলিটক। পরিকল্পনা অনুযায়ী জানুয়ারিতে সিলেটেও এই সেবার বিস্তার করা হবে। তখন থ্রিজি নেটওয়ার্কে টেলিটকের আট লাখ গ্রাহক হবে।
চীনের দুটি কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ চুক্তিতে থ্রিজি প্রযুক্তি আমদানি করেছে টেলিটক। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির আমূল পরিবর্তন ঘটবে। পুরো আগস্ট মাস থ্রিজি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে। থ্রিজির জন্য সারাদেশে ৭শ টি বিশেষ বিটিএস স্থাপন করা হবে। রাজধানীতে বিটিএস স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। থ্রিজি প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চগতিতে তথ্য পরিবহন সম্ভব হওয়ায় মোবাইল ফোনেই টিভি দেখা, জিপিএসের মাধ্যমে পথনির্দেশনা পাওয়া, উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেয়া সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, টেলিটকের জন্য ২১১০ থেকে ২১৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের (ফ্রিকোয়েন্সি) মধ্যে ১০ মেগাহার্টজ বরাদ্দ দিয়েছে বিটিআরসি। রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান বলেই টেলিটক অগ্রাধীকারভিত্তিতে লাইসেন্স পেয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত থাকায় প্রতিষ্ঠানটি (লাইসেন্সের নিলাম) আগেই থ্রি-জি সেবা চালু করতে যাচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে থ্রি-জির নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ওই নিলামে টেলিটকও অংশ নিয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করবে।

400% Bonus on Banglalink Reactivation

The Content is Provided by the group Banglalink Mela

Great news!! enjoy 400% bonus talk-time and sms on reactivating your inactivate banglalink desh sim!!

banglalink presents yet another 'exciting reactivation offer' for it's all prepaid and call & control customers from 12th october, 2012. under this offer, all eligible customers can enjoy 400% bonus (200% talk-time and 200% sms) by reactivating their inactive connections and recharging any amount.

Offer details/conditions:

• All prepaid and call & control (except SME 500, Business 500, E-Voucher and PCO) customers who have not used their connection after 10th august, 2012 can avail this offer.

• Customers can be checked their number eligibility by typing the number and sending a FREE SMS to 4343 from any banglalink mobile.

• After reactivated their connection, customers have to recharge minimum tk10 or more. 400% bonus will come as 200% talk-time and 200% sms.

• Bonus talk-time and sms will be given within 48 hours of recharge. bonus talk-time and sms can be checked by dialing *124*3# or *124*3# (charge FREE)

• Eligible customers will get maximum tk300 bonus talk-time and 300 bonus sms.

• Bonus talktime can be used to call any non fnf banglalink number during 9am to 5pm with 7 days validity and sms can be sent to any banglalink number during 24 hours a day with 7 days validity.

• This is a limited time promotion and will be valid till further notification.

• For more details, please call 121/01911304121

থ্রিজি আসার খবরে হঠাৎ করেই দাম বেড়েছে থ্রিজি হ্যান্ডসেটের

(প্রিয় টেক) রোববার টেলিটকে থ্রিজি’র উদ্ভোধন। আর এই উপলক্ষ্য কি ব্যবসায়ীরা হাত ছাড়া করতে চাইবেন? না! হতেই পারে না। হয়ও নি। থ্রিজি’র লোভে টেলিটক গ্রাহকরা ছুটছেন থ্রিজি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ হ্যান্ডসেটের সন্ধানে। আর মওকা মেরেছে হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা।


শুধু তাই নয়, টেলিটকে থ্রিজি আসার খবরে কিছু না বুঝেই অন্যান্য অপারেটরের গ্রাহকদের অনেকেই থ্রিজি হ্যান্ডসেটের সন্ধানে ভিড় করছেন মোবাইল মার্কেটগুলোতে। আর এই সুযোগ নিয়ে অপেক্ষাকৃত কমমূল্যের থ্রিজি হ্যান্ডসেটের দাম হঠাৎ করেই বাড়িয়ে দিয়েছে খুচরো বিক্রেতারা। মোবাইল ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সাল আলীম থ্রিজি ব্যবহার উপযোগী সেটের খুচরা মূল্য কিছুটা বেড়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে আমদানিকারক পর্যায়ে কোনো মূল্য বৃদ্ধি হয়নি বলে জানান তিনি।
শনিবার বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের নীচতলায় ‘সিম্ফনি’ সাইনবোর্ড টানানো তিনটি দোকানে সবচেয়ে কম দামের থ্রিজি ডাটা স্পিড ও অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সমৃদ্ধ সিমফনি ব্র্যান্ডের ডবলিউ-২৫ এবং ডবলিউ-১০০ হ্যান্ডসেট কিনতে গেলে জানানো হয় এ দু’টি মডেলের সেটের দাম এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেশী পড়বে। ডবলিউ-২৫ মডেলের সেটের কোম্পানি নির্ধারিত মূল্য ৯ হাজার ৪৯০ টাকা হলেও এর দাম চাওয়া হয় ১১ হাজার টাকা। আর ডবলিউ-১০০ মডেলের দাম ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা হলেও এক দোকানে ২০ হাজার ৫০০ টাকা, আর একটি দোকানে ২১ হাজার টাকা চাওয়া হয়। প্রতিটি দোকান থেকেই বলা হয়, এসব হ্যান্ডসেটের ক্রাইসিস চলছে, এ কারণে দাম বেড়েছে।
একই ঘটনা ঘটছে নামী-দামী ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেও। বসুন্ধরা সিটির নীচতলায় গ্রামীণফোন সেন্টারে স্যামসাং গ্যালাক্সি ডুয়োস মডেলের হ্যান্ডসেটের দাম ডিসপ্লেতে ১৪ হাজার ৫০০ টাকা লেখা থাকলেও কাউন্টার থেকে জানানো হয় এর দাম পড়বে ১৫ হাজার ১০০ টাকা। কারন হিসেবে বলা হয়, এই হ্যান্ডসেট মার্কেট আউট, এ কারনে দাম বেশী, নির্ধারিত দামে পাওয়া যাবেনা বলে সোজা সাপ্টা জানিয়ে দেওয়া হয়। গ্রামীণ ফোন সেন্টারের পাশেই স্যামসাং-এর স্মার্টফোন ক্যাফেতে স্যামসাং গ্যালাক্সি ডুয়োস ডিসপ্লেতে থাকলেও বিক্রেতারা জানান, ইনটেক নেই, এ কারনে দেওয়া যাবে না। পরে একজন বিক্রেতা বলেন, পাশের গ্রামীণফোন সেন্টারে পাওয়া যেতে পারে, খোঁজ নিয়ে দেখেন। দাম বেশী হলেও নিয়ে নেন, অন্য কোথাও পাবেন না।
কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেল, দু’টি সিম একসঙ্গে সচল থাকে এমন থ্রিজি হ্যান্ডসেট খুঁজছেন তারা। আর এ দু’টি পছন্দ মিলে বাজারে এখন পর্যন্ত সিম্ফনি ডবলিউ-১০০ এবং স্যামসাং গ্যালাক্সি-ডুয়োস হ্যান্ডসেটই সবার পছন্দ। অনেকে দামের কারণে পুরোপুরি থ্রিজি না হলেও অপেক্ষাকৃত বেশী ডাটা স্পিড ক্যাপাসিটি সমৃদ্ধ সিম্ফনি ডবলিউ-২৫ হ্যান্ডসেটটিও বেছে নিচ্ছেন। আর এ তিনটি হ্যান্ডসেটেরই এখন আকাল বাজারে। কয়েকজন ক্রেতা-বিক্রেতা আরও জানান, দেশীয় উদ্যোক্তাদের নতুন ব্র্যান্ড সিম্ফনি এই মুহুর্তে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ কারণে শুধু থ্রিজি সমৃদ্ধ নয়, সিম্ফনি ব্র্যান্ডের কেটি-১০, কেটি-১৫, এফটি-১০, সিম্ফনি এক্সটি-১০ মডেলের সাধারন হ্যান্ডসেটগুলোর দামও নির্ধারিত দামের পাঁচশ’ থেকে এক হাজার টাকা বেশী নেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মোবাইল ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সাল আলীম জানান, থ্রিজি ব্যবহার উপযোগী সেটে মূল্য কিছুটা যে বেড়েছে সেটি তিনিও জেনেছেন। এই হুজুগে দাম বৃদ্ধির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চান না তিনি। এক্ষেত্রে তিনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা - বিটিআরসি’র ওপরেও কিছুটা দায় চাপিয়ে দিয়ে বলেন, তারা কোনো অবস্থায় দায় এড়াতে পারে না। তাদেরকে আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

বিশ্বে মোবাইল ফোন গ্রাহক ৬০০ কোটিঃ জাতিসংঘ

(প্রিয় টেক) গত বছর আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) জানিয়েছিল যে, ২০১০ সালের শেষ নাগাদ পৃথিবীতে ৫০০ কোটি মোবাইল গ্রাহক রয়েছে। এখন আইটিইউ জানাচ্ছে যে, ২০১১ সালের শেষ নাগাদ সারা বিশ্বে মোট ৬০০ কোটি মোবাইল ফোন গ্রাহক ছিল। ম্যাজারিং দি ইনফরমেশন সোসাইটি, ২০১২ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে তথ্যগুলো প্রকাশ করেছে আইটিইউ।


এর ভেতর চীন এবং ভারতেই রয়েছে ১০০ কোটি গ্রাহক। এবং ২০১২ সালের যেটুকু সময় পার হয়ে গিয়েছে সেটাকে গণনায় ধরলে দেখা যাবে বর্তমানে পৃথিবীতে মোবাইল ফোনের গ্রাহকের সংখ্যা এই গ্রহের জনসংখ্যার সমান। উল্লেখ্য, বর্তমানে পৃথিবীতে ৭০০ কোটি মানুষ বসবাস করে।
আইটিইউ-এর এই তথ্যানুসারে পৃথিবীতে সবচে বেশি মোবাইল ফোন রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াতে; জাপান হলো অষ্টম। বাদবাকি জায়গাগুলো নিয়ে নিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।
একই রিপোর্টে নতুন আরেকটি চমৎকার তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই প্রথম মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সোধারণ ব্যবহারকারীদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। ২০১১ সালে মোবাইল ব্রডব্যান্ডের বাড়ার হার ছিল শতকরা ৪০ ভাগ, এবং উন্নয়নশীল দেশে সেটা শতকরা ৭৮ ভাগের কাছাকাছি। তবে সেখানে আরো বলা হয়েছে যে, উন্নত দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ অনলাইনে থাকেন, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গড়ে তার সংখ্যা মাত্র ২৪ ভাগের কাছাকাছি।

টেলিটক থ্রি-জি'র জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতঃ টেলিটক




মুজিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক
(প্রিয় টেক) ১৪ অক্টোবর ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ থ্রি জি’র বাণিজ্যিক উদ্ভোধন করা হবে। টেলিটক তাদের গ্রাহকদের জন্যে নিয়ে আসছে অত্যাধুনিক এই সেবা। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলে উদ্ভোধন করবেন এই সেবা। এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে টেলিটকের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান।
প্রিয় টেক: টেলিটক কি থ্রি জি’র জন্য প্রস্তুত?
মুজিবুর রহমান:পুরোপুরি প্রস্তুত। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থ্রি জি সেবা উদ্ভোধন করবেন। প্রথম দফায় ঢাকা এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ এলাকায় অত্যাধুনিক এই সেবা পাওয়া যাবে। খুব তাড়াতাড়ি এ বিষয়ে টেলিটক প্রচারণায় যাবে।
রাজধানীর টেলিটক গ্রাহকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে এই সেবাটি উপভোগ করতে পারেন তার জন্যে সকল রকম প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকায় বিটিএস সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে কল ড্রপ বা নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা কমে যাবে। থ্রি জি’র প্রতি গ্রাহকদের অত্যাধুনিক চাহিদার কথা বিবেচনা করেই এসব আয়োজন করা হয়েছে।
প্রিয় টেক: গ্রাহক থ্রি জি-তে গ্রাহক সবচেয়ে বেশী কি সুবিধা পেতে পারেন?
মুজিবুর রহমান: সংশ্লিষ্টরা বলছেন, থ্রিজি চালু হলে মোবাইল হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে অন্তত দশগুন। এখন যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে তখন সেটি হবে এক মিনিটে। আর মোবাইল ফোনেই দেখা যাবে টেলিভিশন। প্রতি মিনিটে খরচ হবে দুই টাকা। আর যিনি মোবাইলে ফোন করেছেন তার ছবিও দেখা যাবে, জানা যাবে তার অবস্থান। একে বলা হচ্ছে ভিডিও কল। এর খরচ পড়বে দুই টাকারও কম। টেলিটকের থ্রি-জির সব সার্ভিসেই ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা থাকবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই ঘরে বসেই সন্তানদের নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করা যাবে। শহরের সব সড়কের গাড়ির গতিবিধি দেখে অনাকাঙ্খিত জ্যাম নিয়ন্ত্রণও করতে পারবে পুলিশ।
প্রিয় টেক: আমাদের এখানে থ্রি জি’র মাধ্যমে মোবাইলে টিভি দেখার বিষয়টিই তো আবার সবচেয়ে বড় হয়ে উঠবে না?
মুজিবুর রহমান: সেটা হতেই পারে। থ্রি জি’র অন্যতম প্রধান বিষয়টি তো হবে মোবাইল বিনোদন। এ বিষয়টি টেলিটক মাথায় রেখেছে। আপাতত উদ্ভোধনের পরদিন থেকে ৫টি টেলিভিশন মোবাইলে দেখা যাবে। বিটিভি’র বাইরেও সময় টিভি, জিটিভি, আরটিভি ও মাইটিভি’র সঙ্গে আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। অন্য টেলিভিশনগুলোকেও এর মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন মুজিবুর রহমান।
প্রিয় টেক: আর কোন বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন?
মুজিবুর রহমান: ভিডিও কল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। থ্রি জি মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য পরিবহন সম্ভব বলে জিপিএসের মাধ্যমে পথ নির্দেশনা পাওয়া, উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়া বিষয়টিও থাকছে। এসব সেবা যাতে গ্রাহকরা সঠিকভাবে পেতে পারে তার জন্যে রাজধানীতে বিটিএসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের ৪ লাখ গ্রাহক এই সুবিধা পাবেন। থ্রিজি’তে কোনো কল ড্রাপ থাকবে না। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়েছে।
প্রিয় টেক: আপনারা নাকি এখনো রাজধানীর ৪০টি বিটিএস চালু করতে পারেননি।
মুজিবুর রহমান: বিদ্যুৎ সমস্যা আছে। এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না।
প্রিয় টেক: কল রেটের বিষয়ে কি কোনো পার্থক্য হবে?
মুজিবুর রহমান: প্রাথমিকভাবে টেলিটক যে কলের যে হার নির্ধারণ করেছে তাতে ভয়েস কলের (শুধু কথা বলা) রেট এখন যা আছে থ্রি-জি’তেও তাই থাকবে। অন্যান্য সুবিধার জন্য যে বিল ঠিক করা হচ্ছে তা পাশবর্তী দেশ ভারত ও শ্রীলংকার চেয়ে কম হবে এটি নিশ্চিত করে বলা যায়।

প্রিয় টেক: থ্রি জি বিষয়ে জানতে গ্রাহক কোথায় যাবে?

মুজিবুর রহমান: রাজধানীতে টেলিটকের তিন হাজার রিটেইলার পয়েন্ট ও ৮টি কাস্টমার সেন্টার থেকে সিম বিক্রি হবে। গ্রাহকের দেয়া তথ্য নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম চালু হবে। আর যারা পুরনো সিম থ্রিজিতে পরিবর্তন করতে চান তাদেরও রিটেলার বা কাস্টমার সেন্টারে গিয়ে সিম পরিবর্তন করতে হবে। ওই সব কাস্টমার কেয়ার সেন্টার এবং রিটেইলার পয়েন্টেই থ্রি জি সম্পর্কে জানা যাবে।
প্রিয় টেক: দশ সেকেন্ডের পালস কি থ্রি জি’র গ্রাহকরাও পাবেন?
মুজিবুর রহমান: টেলিটকের থ্রি-জির সব সার্ভিসেই ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা থাকবে। বিটিআরসি’র তো এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভিডিও কলসহ অন্যান্য যে কোনো কলে এই ব্যবস্থা থাকছেই।
প্রিয় টেক: কবে নাগাদ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের গ্রাহকরাও থ্রি জি পাবে?
মুজিবুর রহমান: ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম এবং জানুয়ারিতে সিলেট। পরবর্তীতে বৃহত্তর জেলা এবং এরপর জেলা ও গ্রোথ সেন্টার। আপাততো এই হচ্ছে স্বল্প মেয়াদী লক্ষ্য। তবে এক বছরের মধ্যেই যাতে দেশব্যপী সেবা ছড়িয়ে দেওয় যায় তার প্রচেস্টা চলছে।
প্রিয় টেক: সংখ্যাগত কোনো পরিকল্পপনা আছে কি?
মুজিবুর রহমান: এখন অন্তত চার লাখ গ্রাহক পেতে চায় টেলিটক। আর ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে পৌঁছাতে পারলে গ্রাহক আট লাখে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সব জেলায় যেতে পারলে অন্তত ১৭-১৮ লাখ থ্রি জি’র গ্রাহক পাওয়া যাবে বলে মনে করি।

প্রিয় টেক: থ্রি জি’র ক্ষেত্রে সংযোগ যেমন গুরুত্বপূর্ণ একই সঙ্গে মোবাইল হ্যান্ডসেটও অত্যাধুনিক হতে হবে। এই বিবেচনায় দেশে এর ভবিষ্যৎ কেমন?

মুজিবুর রহমান: বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন যতোটা গুরুত্ব পেয়েছে, যেভাবে এর বিস্তার হয়েছে; থ্রি জি’র ক্ষেত্রে তেমনটা হবে না এটি নিশ্চিত। এর সঙ্গে বাড়তি কিছু খরচের বিষয় জড়িত আছে। শিক্ষার বিষয়টিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক উন্নত এলাকায়ই থ্রি জি সফল হয়নি। তবে বাংলাদেশে যাতে এর বিস্তৃত সেবা গ্রাহক পায় সে লক্ষ্যে টেলিটক কাজ করছে।
প্রিয় টেক: বিদ্যমান গ্রাহকের মধ্য থেকে কিভাবে থ্রি জি’র গ্রাহক নির্বাচিত করা হবে?
মুজিবুর রহমান: এ বিষয়ে ইতিমধ্যে কিছু প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। শর্ত পূরণ করতে পারলে লটারির মাধ্যমে এখান থেকে প্রায় আড়াই লাখ গ্রাহককে থ্রি জি দেওয়া হবে। তাদেরকে অবশ্যই ঢাকার গ্রাহক হতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিতদের এসএমএস করে সংযোগ নেওয়ার জন্যে বলে দেওয়া হবে।
প্রিয় টেক: অন্য কোনো অপারেটর এখনো থ্রি জি’র লাইসেন্স পেল না। অথচ আপনারা সেবা নিয়ে আসতে যাচ্ছেন। এটি কিভাবে দেখেন?
মুজিবুর রহমান: এটি একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্ত। সরকারি কোম্পানি হিসেবে টেলিটক বাড়তি কিছু সুবিধা পেতেই পারে। তবে প্রতিযোগিতার মধ্যে লড়াই করে এগিয়ে যেতে তৈরীই আছে টেলিটক।

বেসরকারি অপারেটরদের জন্যে ফেব্রুয়ারিতে চলে যেতে পারে থ্রি-জি

(প্রিয় টেক) তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি জি) মোবাইল সেবা আরো খানিকটা পিছিয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। টেলিযোগাযোগ সচিব সর্বশেষ বলেছিলেন অক্টোবরে নীতিমালা চূড়ান্ত করার পর জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়া হবে। আর এখন সেই সচিব সুনীল কান্তি বোস বলছেন, ডিসেম্বরে নীতিমালা আর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে নিলাম।
বৃহস্পতিবার থ্রি-জি’র নীতিমালা বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে পরামর্শ বৈঠকে এমন বক্তব্য দেন সুনীল কান্তি বোস, যিনি কিনা এ মাসেই টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে এ মাসেই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো খসড়া থ্রি জি নীতিমালার ওপর তাদের মতামত দেয়। আর বৃহস্পতিবার এগুলো নিয়ে প্রথম আলোচনা হল। এরপর অপারেটরদের বক্তব্য সন্নিবেশিত করে আরো একটি বৈঠক হবে বলে জানা গেছে। এর আগে ৭ অক্টোবর একই বিষয়ে বিটিআরসি’র সঙ্গে বৈঠক করে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া গ্রামীণফোনের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইন জানান, খুবই ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। এখাতে তাদের বেশ কিছু দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে সচিব সম্মতি দিয়েছেন। আবার কয়েকটি দাবি গ্রহনযোগ্য নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে বৈঠকে গ্রামীনফোনের বক্তব্য বিষয়ে তিনি বলেন, নীতিমালা এবং সেক্টরটির পরিচালনার ক্ষেত্রে আরেকটু দীর্ঘ্যমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা ইতিবাচক ফল দিতে পারে বলেও জানিয়েছে গ্রামীণফোন। তাতে করে থ্রি জি’র লাইসেন্স ফি ও স্পেকট্রাম থেকে সরকার অনেক বেশী টাকা পেতে পারে বলেও জানায় গ্রামীণফোন।
মাহমুদ হোসাইন জানান, তাদের এই বক্তব্যের সঙ্গে সচিব সুনীল কান্তি বোসও সম্মতি দেন। তাছাড়া গ্রামীণফোনের প্রস্তাব অনুসারে উন্মুক্ত নিলামের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ে সংস্কার করা হয় বলেও জানান তিনি।
এদিকে বৈঠকে রবি নিলাম ছাড়াই একটি ফি নির্ধারণ করে সবাইকে লাইসেন্স দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করে। কিন্তু এমন প্রস্তাব তৎক্ষনাৎ নাকচ হয়ে যায়। সূত্র জানিয়েছে, এ সময় সচিব বলেন, সরকারের টাকা প্রয়োজন। আর এর জন্যে অবশ্যই নিলাম করে টাকা বের করতে হবে। আর এ বিষয়ে সরকারের প্রধান নির্বাহীও আগে থেকে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তাই এখান থেকে পেছন ফেরার কোনো সুযোগ নেই।
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, গ্রামীণফোনসহ অন্যান্য অপারেটর লাইসেন্সের মেয়াদ ২০ বছর করার প্রস্তাব করে। একই সঙ্গে নবায়ন প্রতি ৫ বছরের জন্যে না করে সেখানেও দীর্ঘ্য মেয়াদের প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু সচিব জানান, ১৫ বছর মেয়াদী লাইসেন্স হবে। তবে পরবর্তী নবায়ন ৫ বছরের জন্যে না হয়ে আরো ১৫ বছরের জন্যে নবায়ন হতে পারে।
এর আগে বেশ কয়েকটি অপারেটর থ্রি জি’র স্পেকট্রামের নিলামে প্রতি মেগাহার্টজের ফ্লোর প্রাইস ধরার প্রস্তাব করে। সরকারের দিক থেকেও এই প্রস্তাব গ্রহন করা হচ্ছে বলেও বৈঠকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এর আগে খসড়া নীতিমালায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি প্রতি মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের ফ্লোর প্রাইস ৩ কোটি ডলার ধরার প্রস্তাব করেছিল।
এর আগে গত ২৮ মার্চ বিটিআরসি থ্রি জি নীতিমালার একটি খসড়া তৈরী করে মন্ত্রনালয়ে পাঠায়। খসড়া ওই নীতিমালায় বিটিআরসি টেলিটকসহ পাঁচটি অপারেটরকে থ্রি-জি সেবা দেওয়ার কথা বলে। এর মধ্যে আবার একটি নতুন অপারেটর রাখতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
মন্ত্রনালয়ের যে সব কর্মকর্তারা থ্রি জি’র নীতিমালা নিয়ে কাজ করছে তাদের একজন জানিয়েছেন, টু জি’র লাইসেন্স নবায়নের স্পেকট্রামের মূল্য যেহেতু দেড়শ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল, থ্রি জি’র নিলামের ফ্লোর প্রাইসেও সেটি রাখা যায়। ওই কর্মকর্তা বলেন, বেশী টাকা আনতে গিয়ে আবার যাতে উল্টো সরকারের টাকা পাওয়ার পথ বন্ধ না হয়ে যায় সে দিকেও তাদেরকে খেয়াল রাখ হচ্ছে।
বিনিয়োগের অর্থ সব ডলারে আনতে হবে। খসড়া নীতিমালায় এমন শর্ত দেওয়া আছে। কিন্তু মন্ত্রনালয় মনে করে থ্রি জি’র নিয়োগের পুরো অর্থ ডলারে আনতে বলা যুক্তিযুক্ত নয়। সেক্ষেত্রে কেবল স্পেকট্রাম কেনা এবং লাইসেন্স ফি’র অর্থই ডলারে (সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ) হিসেবে আনাতে বলা যেতে পারে। ওই কর্মকর্তা বলেন, কোনো অপারেটরের হঠাৎ করে দুই কোটি টাকা লাগবে আর তাও বিদেশ থেকে ডলারে আনতে হবে সেটি করা ঠিক হবে না। অপারেটররাও এ বিষয়ে কড়া আপত্তি জানান। তবে মন্ত্রনালয় বিষয়টি মেনে নেওয়ায় আলোচনা আর এগুয়নি।
জানা গেছে, এসব আলোচনার পর এই নীতিমালা চূড়ান্ত করতে অর্থ মন্ত্রনালয় এমনকি সরকার প্রধানের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে আরো কিছু পরিবর্তন হতে পারে।

Robi Radar

Now Post Facebook Check-in from your handset without GPS and enjoy Robi Rader!

Follow the below steps to avail the service:
• Open http://www.robiradar.com/
• Allow all required Facebook permissions
• Accept the Terms of Service
• Send an SMS to 3131 with the code shown on the screen
• You will receive a SMS confirming that service was activated
• Start using the service by sending @ to 3131


- Copyright © 2013 telecom bd - Metrominimalist - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan | Distributed by Rocking Templates -