Showing posts with label teletalk. Show all posts
How do I connect to Teletalk 3G networks ?
How do I connect to Teletalk 3G networks ?
If you are first time user please follow the steps as given below to connect to Teletalk 3G network :-
Step-1: Get a USIM with connection/ Upgrade your existing SIM to 3G package.
Step-2: Select network mode to "Dual/WCDMA/3G/UMTS". For data usage dual option might be avoided.
Step-3: Configure your packet data settings with APN "wap" or type "set" and send to 738 to get a message which you need to save with password "1234" in your mobile.
Step-4: After registration, seeing 3G/3.5G/H network symbol on your device and enabling your device data transfer, instantly you may start enjoying 3G services.
If you are first time user please follow the steps as given below to connect to Teletalk 3G network :-
Step-1: Get a USIM with connection/ Upgrade your existing SIM to 3G package.
Step-2: Select network mode to "Dual/WCDMA/3G/UMTS". For data usage dual option might be avoided.
Step-3: Configure your packet data settings with APN "wap" or type "set" and send to 738 to get a message which you need to save with password "1234" in your mobile.
Step-4: After registration, seeing 3G/3.5G/H network symbol on your device and enabling your device data transfer, instantly you may start enjoying 3G services.
Tag :
teletalk
Upgrade to 3G at Free of Cost
Step 1: Take any Teletalk Prepaid sim which was activated before 2013.
Step 2: Recharge TK 200.
Step 3: Type "3G" & send message to 2050.
You will migrated to 3G without any cost.
Step 2: Recharge TK 200.
Step 3: Type "3G" & send message to 2050.
You will migrated to 3G without any cost.
Tag :
teletalk
New TVC "Teletalk Tirtle"
পোস্টটি বাংলায় দেখতে ক্লিক করুন অপারেটর বিডি ডট কম -এ।
New TVC of teletalk 3G has published with the name "teletalk tirtle"
New TVC of teletalk 3G has published with the name "teletalk tirtle"
বরিশাল এলাকায় টেলিটক নেটওয়ার্কে চরম বিড়ম্বনা
বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের গ্রাহক
সেবা নেই বললেই চলে। রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সমগ্র
দক্ষিণাঞ্চলে টেলিটকের নেটওয়ার্ক ছিল না। ফলে লক্ষাধিক গ্রাহক সম্পূর্ণ
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নেটওয়ার্ক সচল থাকলেও টেলিটকের বিটিএসগুলোর বেশীরভাগ জায়গায় ব্যাটারিসহ অন্য যন্ত্রাংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন এলাকায় এমন সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।
তাছাড়া অক্টোবরের থ্রিজি চালু হওয়ার পর থেকে টেলিটকের টুজি গ্রাহকদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নেটওয়ার্ক সচল থাকলেও টেলিটকের বিটিএসগুলোর বেশীরভাগ জায়গায় ব্যাটারিসহ অন্য যন্ত্রাংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন এলাকায় এমন সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।
তাছাড়া অক্টোবরের থ্রিজি চালু হওয়ার পর থেকে টেলিটকের টুজি গ্রাহকদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।
Tag :
teletalk
Teletalk Internet (টেলিটক ইন্টারনেট)
|
For 2 G
|
# 10 MB BDT 9.20 (2 Days: D2)
# 30 MB BDT 23 (7 Days: D3)
# 250 MB BDT 115 (15 Days: D4)
# 1 GB BDT 230 (30 Days: D5)
# Unlimited BDT 690 (30 Days: D6)
২জি গ্রাহকদের জন্য টেলিটক ইন্টারনেট প্যাকেজ
# ৫ মেগাবাইট ৪.৬০ টাকা (১ দিনঃ কোড D1)
# ১০ মেগাবাইট ৯.২০ টাকা (২ দিনঃ কোড D2)
# ৩০ মেগাবাইট ২৩ টাকা (৭ দিনঃ কোড D3)
# ২৫০ মেগাবাইট ১১৫ টাকা (১৫ দিনঃ কোড D4)
# ১ গিগাবাইট ২৩০ টাকা (৩০ দিনঃ কোড D5)
# আনলিমিটেড ৬৯০ টাকা (৩০ দিনঃ D6)
* To Activate any Package, Send Code to 111 via message.
* VAT is included with this price
|
For 3G
|
# 128 kbps
>> 10 MB: BDT 9.20 (1 Day: D7)
>> 2 GB: BDT 402.50 (30 Days: D11)
>> Unlimited: BDT 650 (30 Days: D12)
# 256 kbps
>> 1 GB: BDT 201.25 (10 Day: D14)
>> 4 GB: BDT 660 (30 Days Day: D16)
>> Unlimited: BDT 1207.50 (30 Days: D17)
# 512 kbps
>> 1 GB: BDT 230 (10 Days: D19)
>> 2 GB: BDT 575 (30 Days: D20)
>> 10 GB: BDT 1150 (30 Days: D22)
# 1 mbps
>> 4 GB: BDT 920 (30 Days: D25)
>> 8 GB: BDT 1380 (30 Days: D26)
# 2 mbps
>> 10 GB: BDT 2875 (30 Day: D27)
* VAT is included with this price
* Send The Code to 111 To Activate any Package.
* Default Speed is 512 kbps.
১২৮ কেবিপিএস স্পিড(kbps) ১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D7
২ জিবি: মূল্য ৩৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D11
আনলিমিটেড: মূল্য ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D12
২৫৬ কেবিপিএস(kbps) স্পিড ১ জিবি: মূল্য ১৭৫ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D14
৪ জিবি: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D16
আনলিমিটেড: মূল্য ১,০৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D17
৫১২ কেবিপিএস(kbps) স্পিড ১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D19 ২ জিবি: মূল্য ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D20
১০ জিবি: মূল্য ১,০০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D22
১ এমবিপিএস ৪ জিবি: মূল্য ৮০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D25
৮ জিবি: মূল্য ১,২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D26
২ এমবিপিএস ১০ জিবি: মূল্য ২,৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D27
|
Mobile TV
|
# 4 Channel Monthly BDT 200+30 = 230 TK
# 8 Channel Monthly BDT 325+48.75 = 373.75 TK
Tag :
teletalk
থ্রিজি প্রযুক্তিসেবার জন্য নিলামের সর্বনিম্ন মূল্য দুই কোটি মার্কিন ডলার
তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মুঠোফোন-প্রযুক্তিসেবার জন্য নিলামের সর্বনিম্ন
মূল্য বা ন্যূনতম দর (বিড মানি) দুই কোটি মার্কিন ডলারের প্রস্তাব করেছে
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে
এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস প্রথম আলো ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘থ্রিজি নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’ থ্রিজি সম্পর্কিত খসড়া নীতিমালায় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য বিড মানি নির্ধারণ করা হয়েছিল তিন কোটি মার্কিন ডলার। তাতে পাঁচ মুঠোফোন অপারেটরের জন্য ১০ মেগাহার্টজ করে মোট ৫০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামের উল্লেখ করা হয়।
এখন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি মেগাহার্টজে এক কোটি মার্কিন ডলার কমানো হলে নিলামে মোট ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিড মানি কম আসবে। অপারেটরদের জন্য থ্রিজির লাইসেন্স মূল্যও কমে আসবে।
চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বলেছেন, থ্রিজি খসড়া নীতিমালা নিয়ে সাধারণ অংশীদার, বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। মুঠোফোন অপারেটররা থ্রিজি লাইসেন্স নেওয়ার পর যাতে গ্রাহক সুলভ মূল্যে সেবা পায়, তা বিবেচনা করেই প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
এদিকে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চলতি মাসেই প্রাথমিকভাবে নীতিমালা চূড়ান্ত করে বিটিআরসির কাছে পাঠানো হবে। সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করার।
আর নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই বিটিআরসি থ্রিজি নিলামের জন্য প্রস্তুতি নেবে বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আগামী বছরের শুরুতেই থ্রিজি লাইসেন্স নিলামের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতির কাজ জোরেশোরে চলছে।
পাঁচটি অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ২৮ মার্চ থ্রিজি সেবা লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিটিআরসি।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস প্রথম আলো ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘থ্রিজি নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’ থ্রিজি সম্পর্কিত খসড়া নীতিমালায় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য বিড মানি নির্ধারণ করা হয়েছিল তিন কোটি মার্কিন ডলার। তাতে পাঁচ মুঠোফোন অপারেটরের জন্য ১০ মেগাহার্টজ করে মোট ৫০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামের উল্লেখ করা হয়।
এখন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি মেগাহার্টজে এক কোটি মার্কিন ডলার কমানো হলে নিলামে মোট ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিড মানি কম আসবে। অপারেটরদের জন্য থ্রিজির লাইসেন্স মূল্যও কমে আসবে।
চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বলেছেন, থ্রিজি খসড়া নীতিমালা নিয়ে সাধারণ অংশীদার, বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। মুঠোফোন অপারেটররা থ্রিজি লাইসেন্স নেওয়ার পর যাতে গ্রাহক সুলভ মূল্যে সেবা পায়, তা বিবেচনা করেই প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
এদিকে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চলতি মাসেই প্রাথমিকভাবে নীতিমালা চূড়ান্ত করে বিটিআরসির কাছে পাঠানো হবে। সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করার।
আর নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই বিটিআরসি থ্রিজি নিলামের জন্য প্রস্তুতি নেবে বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আগামী বছরের শুরুতেই থ্রিজি লাইসেন্স নিলামের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতির কাজ জোরেশোরে চলছে।
পাঁচটি অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ২৮ মার্চ থ্রিজি সেবা লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিটিআরসি।
সাড়া নেই টেলিটক থ্রিজিতে
দেশে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল ফোন চালু হলে যতটা সাড়া পড়বে বলে আশা করা হয়েছিল তা হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানার মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিক্রির জন্য এক লাখ সিম বাজারে ছাড়লেও দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়ে বিক্রি হয়েছে মাত্র কয়েক হাজার। আবার থ্রিজি সেবা ব্যবহার হচ্ছে এমন সিমের সংখ্যা আরও কম। বর্তমানে থ্রিজি নেটওয়ার্কে কত সিম চালু রয়েছে সেটি বলতে রাজি হননি টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, এ সময়ে তাদের প্রত্যাশা অনুসারে সব কিছু হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৪ অক্টোবর টেলিটকের থ্রিজি সেবার 'পরীক্ষামূলক' বাণিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরদিন থেকেই সিম বিক্রি শুরু করেছে অপারেটরটি। এর আগে ২০০৫ সালে টেলিটকের যাত্রার সময় যেভাবে একটি সিমের জন্য সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন এবারও নতুন প্রযুক্তির সুবিধা নিতে তেমনটা হবে বলে ধারণা করেছিলেন অনেকে। তবে গ্রাহকদের আগ্রহ না থাকায় বদলে গেছে সব হিসাব আর পরিকল্পনা।
বাঁধ ভেঙ্গে দাও স্লোগান নিয়ে বাজারে নামলেও সেই বাঁধ আর ভাঙ্গা যাচ্ছে না।
দেশে মোবাইল ফোন সেবার নতুন এ প্রযুক্তি সম্পর্কে সাধারণ গ্রাহকদের খুব বেশি তথ্য জানা না থাকার বিষয়টি থ্রিজির কাটতিতে বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে অনেকে মনে করছেন। একই সঙ্গে এ জন্য কিছুটা ব্যয়বহুল মোবাইলসেটের ব্যবহার প্রয়োজন হওয়ায় আগ্রহ থাকলেও অনেক গ্রাহক এ সেবা নিচ্ছেন না।
রাজধানীতে টেলিটকের বেশ কয়েকটি গ্রাহক সেবা (কাস্টমার কেয়ার) কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, একেকটি কেন্দ্রে থ্রিজি সিম বিক্রি হয়েছে মাত্র দুই থেকে তিনশ' করে। মঙ্গলবার পল্টন কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত তিনশ' সিম বিক্রি করেছেন তারা। ঢাকার নয়টি কেন্দ্রে সব মিলে বিক্রি হওয়া সিমের সংখ্য তিন হাজারের বেশি হবে না বলে নিশ্চিত করেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা বলেন, প্রচারণার অভাব এবং ঈদের তিন দিন আগে নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত ঝামেলায় তাদের সব পরিকল্পনা মাঠে মারা গেছে। এখন নেটওয়ার্ক জটিলতায় অকেজো হয়ে পড়া দশ হাজার সিম বদলে দেওয়া নিয়ে তারা অনেক ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। যে কারণে থ্রিজি বিষয়ে খুব একটা মনোযোগও দিতে পারছেন না।
সাড়া না মেলার কারণ হিসেবে গ্রাহকদের মধ্যে থ্রিজি সংক্রান্ত বিভ্রান্তি রয়েছে বলেও মনে করছে টেলিটক। মুজিবুর রহমান বলেন, মোবাইল গ্রাহকদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া থাকলেও তারা বুঝে উঠতে পারছেন না এ প্রযুক্তির ব্যবহারের দিকগুলো। তাছাড়া সিম কিনলেও থ্রিজি ব্যবহার উপযোগী মোবাইলসেট কিনতে গিয়ে ভুল করেছেন কেউ কেউ। ফলে থ্রিজির সুবিধা পাচ্ছেন না তারা। এতে গ্রাহক ভোগান্তিও বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সমস্যা সমাধানে ও এ বিষয়ে তথ্য জানাতে রোববার থেকে টেলিটকের প্রধান কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে। এ জন্য বিশেষভাবে কিছু কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কন্ট্রোল রুমের বেশ কয়েকটি নম্বরে গ্রাহকরা ফোন করে থ্রিজি বিষয়ে তাদের যে কোনো প্রশ্নের উত্তর সার্বক্ষণিকভাবে জেনে নিতে পারবেন। এ সেবার ব্যবহারবিধি ও কার্যকারিতা সম্পর্কেও জানতে পারবেন গ্রাহকরা বলে তিনি জানান।
মুজিবুর রহমান বলেন, এর আগে টেলিটকের ওয়েবসাইটে থ্রিজি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও এতে হিট খুবই কম। এ সম্পর্কে গ্রাহকদের স্বচ্ছ ধারণা দিতে টেলিভিশনে বিষয়কভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচার এক সপ্তাহে শুরু হবে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামনে রোড শো করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি জানান।
মুজিবুর রহমান দাবি করেন, এতদিন শুধু সিম বিক্রি করা হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ডঙ্গল বিক্রি শুরু হলে অবস্থার রাতারাতি পরিবর্তন ঘটবে। ইন্টারনেট ডঙ্গলের মূল্য নির্ধারণের পর আগামী সপ্তাহে এর বিক্রি শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকে থ্রিজিতে কথা বলতে পছন্দ না করলেও উচ্চ গতির জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আগ্রহী হবে। তখন সিম বিক্রি হু হু করে বাড়বে বলে তার ধারণা।
থ্রিজিতে রাজধানীর অধিকাংশ জায়গায় নেটওয়ার্ক না পাওয়া বিষয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের জবাবে টেলিটক এমডি বলেন, নেটওয়ার্ক বিস্তারের জন্য আরও জোরেশোরে কাজ করছেন। নেটওয়ার্ক আপ-ডাউন করার অভিযোগও মেনে নিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানান।
টেলিটক থ্রিজি সেবা দেওয়া শুরু করলেও অন্যান্য বেসরকারি অপারেটরের জন্য সেবাটি এখনও উন্মুক্ত করা হয়নি। এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে। জানুয়ারিতে উন্মুক্ত নিলামে একাধিক অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার পর তারাও থ্রিজি সেবা শুরু করতে পারবে।
সৌজন্যে: সজল জাহিদ, দৈনিক সমকাল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৪ অক্টোবর টেলিটকের থ্রিজি সেবার 'পরীক্ষামূলক' বাণিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরদিন থেকেই সিম বিক্রি শুরু করেছে অপারেটরটি। এর আগে ২০০৫ সালে টেলিটকের যাত্রার সময় যেভাবে একটি সিমের জন্য সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন এবারও নতুন প্রযুক্তির সুবিধা নিতে তেমনটা হবে বলে ধারণা করেছিলেন অনেকে। তবে গ্রাহকদের আগ্রহ না থাকায় বদলে গেছে সব হিসাব আর পরিকল্পনা।
বাঁধ ভেঙ্গে দাও স্লোগান নিয়ে বাজারে নামলেও সেই বাঁধ আর ভাঙ্গা যাচ্ছে না।
দেশে মোবাইল ফোন সেবার নতুন এ প্রযুক্তি সম্পর্কে সাধারণ গ্রাহকদের খুব বেশি তথ্য জানা না থাকার বিষয়টি থ্রিজির কাটতিতে বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে অনেকে মনে করছেন। একই সঙ্গে এ জন্য কিছুটা ব্যয়বহুল মোবাইলসেটের ব্যবহার প্রয়োজন হওয়ায় আগ্রহ থাকলেও অনেক গ্রাহক এ সেবা নিচ্ছেন না।
রাজধানীতে টেলিটকের বেশ কয়েকটি গ্রাহক সেবা (কাস্টমার কেয়ার) কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, একেকটি কেন্দ্রে থ্রিজি সিম বিক্রি হয়েছে মাত্র দুই থেকে তিনশ' করে। মঙ্গলবার পল্টন কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত তিনশ' সিম বিক্রি করেছেন তারা। ঢাকার নয়টি কেন্দ্রে সব মিলে বিক্রি হওয়া সিমের সংখ্য তিন হাজারের বেশি হবে না বলে নিশ্চিত করেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা বলেন, প্রচারণার অভাব এবং ঈদের তিন দিন আগে নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত ঝামেলায় তাদের সব পরিকল্পনা মাঠে মারা গেছে। এখন নেটওয়ার্ক জটিলতায় অকেজো হয়ে পড়া দশ হাজার সিম বদলে দেওয়া নিয়ে তারা অনেক ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। যে কারণে থ্রিজি বিষয়ে খুব একটা মনোযোগও দিতে পারছেন না।
সাড়া না মেলার কারণ হিসেবে গ্রাহকদের মধ্যে থ্রিজি সংক্রান্ত বিভ্রান্তি রয়েছে বলেও মনে করছে টেলিটক। মুজিবুর রহমান বলেন, মোবাইল গ্রাহকদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া থাকলেও তারা বুঝে উঠতে পারছেন না এ প্রযুক্তির ব্যবহারের দিকগুলো। তাছাড়া সিম কিনলেও থ্রিজি ব্যবহার উপযোগী মোবাইলসেট কিনতে গিয়ে ভুল করেছেন কেউ কেউ। ফলে থ্রিজির সুবিধা পাচ্ছেন না তারা। এতে গ্রাহক ভোগান্তিও বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সমস্যা সমাধানে ও এ বিষয়ে তথ্য জানাতে রোববার থেকে টেলিটকের প্রধান কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে। এ জন্য বিশেষভাবে কিছু কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কন্ট্রোল রুমের বেশ কয়েকটি নম্বরে গ্রাহকরা ফোন করে থ্রিজি বিষয়ে তাদের যে কোনো প্রশ্নের উত্তর সার্বক্ষণিকভাবে জেনে নিতে পারবেন। এ সেবার ব্যবহারবিধি ও কার্যকারিতা সম্পর্কেও জানতে পারবেন গ্রাহকরা বলে তিনি জানান।
মুজিবুর রহমান বলেন, এর আগে টেলিটকের ওয়েবসাইটে থ্রিজি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও এতে হিট খুবই কম। এ সম্পর্কে গ্রাহকদের স্বচ্ছ ধারণা দিতে টেলিভিশনে বিষয়কভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচার এক সপ্তাহে শুরু হবে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামনে রোড শো করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি জানান।
মুজিবুর রহমান দাবি করেন, এতদিন শুধু সিম বিক্রি করা হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ডঙ্গল বিক্রি শুরু হলে অবস্থার রাতারাতি পরিবর্তন ঘটবে। ইন্টারনেট ডঙ্গলের মূল্য নির্ধারণের পর আগামী সপ্তাহে এর বিক্রি শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকে থ্রিজিতে কথা বলতে পছন্দ না করলেও উচ্চ গতির জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আগ্রহী হবে। তখন সিম বিক্রি হু হু করে বাড়বে বলে তার ধারণা।
থ্রিজিতে রাজধানীর অধিকাংশ জায়গায় নেটওয়ার্ক না পাওয়া বিষয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের জবাবে টেলিটক এমডি বলেন, নেটওয়ার্ক বিস্তারের জন্য আরও জোরেশোরে কাজ করছেন। নেটওয়ার্ক আপ-ডাউন করার অভিযোগও মেনে নিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানান।
টেলিটক থ্রিজি সেবা দেওয়া শুরু করলেও অন্যান্য বেসরকারি অপারেটরের জন্য সেবাটি এখনও উন্মুক্ত করা হয়নি। এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে। জানুয়ারিতে উন্মুক্ত নিলামে একাধিক অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার পর তারাও থ্রিজি সেবা শুরু করতে পারবে।
সৌজন্যে: সজল জাহিদ, দৈনিক সমকাল
Now Teletalk Internet on Any Configuration
"dear teletalk users, great news! teletalk internet ekhon use korun aro shohoje, kono settings/configuration set korar jhamela chharai... :)
ekkhon theke apnar teletalk sim theke internet use korte parben jekono apn/configuration die. even onno operator er configuration dieo browse korte parben. so apn 'wap' ar mandatory na.
ei shubidha 2G or 3G shoho jekono teletalk sim e paoa jabe.
stay with teletalk :)"
ekkhon theke apnar teletalk sim theke internet use korte parben jekono apn/configuration die. even onno operator er configuration dieo browse korte parben. so apn 'wap' ar mandatory na.
ei shubidha 2G or 3G shoho jekono teletalk sim e paoa jabe.
stay with teletalk :)"
Teletalk 3G Migration Process
2G to 3G Upgradation Procedure : The upgradation procedure for various categories of subscribers are described below:
1) Gravity Subscribers: List of Gravity Subscribers: Gravity Subscribers will be upgraded to 3G service within October 24, 2012 and you will be notified accordingly. Please check whether you are an eligible Gravity subscriber here . Promotional Offer: Gravity Subscribers will be awarded 50 Minutes video call and 1 GB data free of charge in addition to free upgradation.
2) Normal Prepaid Subscribers:
a) Subscribers who need to send SMS to upgrade their MSISDN to 3G: Subscribers listed here will be able to activate their 3G services just by sending SMS. If they want to upgrade their number to 3G they need to type 3G and send SMS to 666. Taka 500 will be deducted from the account as up-gradation charge. Upon upgradation each subscriber will be awarded 50 Minutes video call and 1GB data service free of charge. Subscribers can check whether they are listed in this category here .
b) Subscribers who might encounter problem if SIM not replaced: During 3G upgradation few subscribers may face some problem with their existing SIM. They are requested to replace their SIM at the earliest. Upon replacement they will be awarded with a balance of Taka 200 and 3G services. All subscribers listed here have been assigned temporarily with the mobile numbers listed against their original numbers. This temporary number will continue till 1st December 2012. To be mentioned that all terminated calls destined towards subscribers' original number will be automatically diverted to the assigned number. All such subscribers will get back their original number on collection of a replacement SIM and on sending SMS to 999 typing 20 digit number printed on the back of the new SIM.
1) Gravity Subscribers: List of Gravity Subscribers: Gravity Subscribers will be upgraded to 3G service within October 24, 2012 and you will be notified accordingly. Please check whether you are an eligible Gravity subscriber here . Promotional Offer: Gravity Subscribers will be awarded 50 Minutes video call and 1 GB data free of charge in addition to free upgradation.
2) Normal Prepaid Subscribers:
a) Subscribers who need to send SMS to upgrade their MSISDN to 3G: Subscribers listed here will be able to activate their 3G services just by sending SMS. If they want to upgrade their number to 3G they need to type 3G and send SMS to 666. Taka 500 will be deducted from the account as up-gradation charge. Upon upgradation each subscriber will be awarded 50 Minutes video call and 1GB data service free of charge. Subscribers can check whether they are listed in this category here .
b) Subscribers who might encounter problem if SIM not replaced: During 3G upgradation few subscribers may face some problem with their existing SIM. They are requested to replace their SIM at the earliest. Upon replacement they will be awarded with a balance of Taka 200 and 3G services. All subscribers listed here have been assigned temporarily with the mobile numbers listed against their original numbers. This temporary number will continue till 1st December 2012. To be mentioned that all terminated calls destined towards subscribers' original number will be automatically diverted to the assigned number. All such subscribers will get back their original number on collection of a replacement SIM and on sending SMS to 999 typing 20 digit number printed on the back of the new SIM.
Tag :
teletalk
১০০০০ টেলিটক সংযোগ বিচ্ছিন্ন
সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটকের থ্রিজি (তৃতীয় প্রজন্ম) পদ্ধতি আপগ্রেডেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে প্রায় ১০ হাজার গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গতকাল সর্বাত্দক চেষ্টা চালিয়েও সিমগুলো চালু করা যায়নি। টেলিটক কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের অনুরোধ জানিয়েছে তাদের গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে বিনা খরচে এসব অকার্যকর সিম বদলে নিতে। এ কাজের জন্য আজ বিশেষ ব্যবস্থায় পূজার ছুটির দিনেও টেলিটকের ঢাকাস্থ আটটি কাস্টমার কেয়ার সেন্টার খোলা থাকবে। গ্রাহকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য টেলিটকের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। জানা গেছে, প্রথম দিকের গ্রাহক, যাদের সিমে 'বি-মোবাইল' পরিচিতি ছিল, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাদের সিমই অকার্যকর হয়ে গেছে। এই গ্রাহকেরা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে এলে বিনা খরচে তাদের সিম প্রতিস্থাপন করে দেওয়া হবে। নতুন যে সিম তাদের দেওয়া হবে তা আগের সিমের চেয়ে বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এবং এটি দ্রুত থ্রিজিতে মাইগ্রেশন করা যাবে।থ্রি-জি নেটওয়ার্কের উন্নয়নকাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়েছেন সরকারি মুঠোফোন অপারেটর টেলিটকের গ্রাহকেরা। গত সোমবার মধ্যরাত থেকেই টেলিটকের সংযোগ-বিড়ম্বনায় পড়েছেন গ্রাহকেরা। এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রথম আলোতে আসা প্রধান অভিযোগ হচ্ছে, দ্বিতীয় প্রজন্মের (টুজি) প্রযুক্তি থেকে তৃতীয় প্রজন্মে (থ্রি-জি) সেবা পেতে গিয়ে তাঁদের সংযোগটাই বন্ধ হয়ে গেছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখক সজল আশফাক বলেন, তাঁর টেলিটকের সিম হঠাৎ অকার্যকর হয়ে গেছে। সংযোগ বিষয়ে কথা বলার মতো কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই এত বড় উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাওয়ায় গ্রাহকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে মনে করেন ওই চিকিৎসক। ঢাকায় টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারগুলো হলো বনানী কবরস্থানের কাছে টেলিটকের প্রধান কার্যালয়সংলগ্ন, উত্তরায় সেক্টর-৩ এ এবি সুপার মার্কেট, ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোডে ড. রেফাতুল্লাহর হ্যাপি আর্কেড, ৫৯/২ পুরানা পল্টনের সুরমা টাওয়ার, মিরপুর-১০ এ আখন্দ টাওয়ার, ফার্মগেটে বড়বাজার শপিং কমপ্লেঙ্, রমনার বিটিসিএল কম্পাউন্ড, যাত্রাবাড়ীর নওয়াব স্টোন টাওয়ার এবং টঙ্গীর টিএসএস ভবন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, বিটিসিএলসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরে যেসব কর্মকর্তা তাদের মোবাইল ফোনে টেলিটকের সিম ব্যবহার করছিলেন তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার রাতে এ বিপর্যয় ঘটে। প্রসঙ্গত, টেলিটকের গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। গত ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিটকের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো থ্রিজি মোবাইল প্রযুক্তিসেবার পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ব্যবহার উদ্বোধন করেন এবং পর দিন থেকে ঢাকায় সিম বিক্রি শুরু হয়। চীন সরকার টেলিটকের থ্রিজি প্রযুক্তি চালু ও বর্তমান ২ দশমিক ৫জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়তা দিচ্ছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখক সজল আশফাক বলেন, তাঁর টেলিটকের সিম হঠাৎ অকার্যকর হয়ে গেছে। সংযোগ বিষয়ে কথা বলার মতো কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই এত বড় উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাওয়ায় গ্রাহকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে মনে করেন ওই চিকিৎসক। ঢাকায় টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারগুলো হলো বনানী কবরস্থানের কাছে টেলিটকের প্রধান কার্যালয়সংলগ্ন, উত্তরায় সেক্টর-৩ এ এবি সুপার মার্কেট, ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোডে ড. রেফাতুল্লাহর হ্যাপি আর্কেড, ৫৯/২ পুরানা পল্টনের সুরমা টাওয়ার, মিরপুর-১০ এ আখন্দ টাওয়ার, ফার্মগেটে বড়বাজার শপিং কমপ্লেঙ্, রমনার বিটিসিএল কম্পাউন্ড, যাত্রাবাড়ীর নওয়াব স্টোন টাওয়ার এবং টঙ্গীর টিএসএস ভবন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, বিটিসিএলসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরে যেসব কর্মকর্তা তাদের মোবাইল ফোনে টেলিটকের সিম ব্যবহার করছিলেন তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার রাতে এ বিপর্যয় ঘটে। প্রসঙ্গত, টেলিটকের গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। গত ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিটকের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো থ্রিজি মোবাইল প্রযুক্তিসেবার পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ব্যবহার উদ্বোধন করেন এবং পর দিন থেকে ঢাকায় সিম বিক্রি শুরু হয়। চীন সরকার টেলিটকের থ্রিজি প্রযুক্তি চালু ও বর্তমান ২ দশমিক ৫জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়তা দিচ্ছে।
Tag :
teletalk
NOTICE FOR GRAVITY CLUB MEMBERS
# # NOTICE FOR GRAVITY CLUB MEMBERS # #
"Dear Gravity Subscriber, your number will be automatically upgraded to 3G service within October 24, 2012 and you will be notified accordingly through SMS. for you, 3G upgradation is absolutely free!!! :D
and yes, for your constant dedication to Teletalk, you will be awarded 50 Minutes video call and 1 GB data free of charge in addition to free upgradation.
stay with teletalk :)"
"Dear Gravity Subscriber, your number will be automatically upgraded to 3G service within October 24, 2012 and you will be notified accordingly through SMS. for you, 3G upgradation is absolutely free!!! :D
and yes, for your constant dedication to Teletalk, you will be awarded 50 Minutes video call and 1 GB data free of charge in addition to free upgradation.
stay with teletalk :)"
Tag :
teletalk
থ্রিজি সিম বিক্রয়ে কড়াকড়ি। জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক
(প্রিয় টেক) মাত্র কয়েক দিন আগে উচ্চ আদালত সিম বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক না করতে নির্দেশ দিলেও টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মের সিম বিক্রির ক্ষেত্রে এটি মানা হচ্ছে না। যদিও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি আদালতের রায় মেনে যে কোনো পরিচয়পত্রে সিম কেনার সুযোগ রাখার নির্দেশনাও জারি করেছে।

সোমবার শেষ বিকালের দিকে টেলিটকের থ্রিজি
সিম কিনতে গিয়ে অনেক গ্রাহক এমন বিপাকে পড়েন। দিনের শুরু থেকে থ্রিজি সিম
বিক্রি করার কথা থাকলেও অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতা এবং পরিবেশকদের কাছে সিম
পৌঁছেছে বিকালে। ফলে তারা কাউকে কোনো সিম দিতে পারেনি। সিমের সঙ্গে এই
নির্দেশনাও দেওয়া হয় যে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া যেন কারো হাতে সিম না যায়।
উত্তরার সাংবাদিক জামিউল হাসান বনানীর তিনটি দোকানে ঘুরেও থ্রিজি'র সিম কিনতে পারেননি। তিনি জানান, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে সিম দেওয়া হয়নি। অথচ সরকারের দেওয়া সাংবাদিকতার অ্যাক্টিডিটেশন কার্ডেও কাজ হচ্ছে না।
জানা গেছে, ১৪ অক্টোবর থ্রিজি'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী টেলিটককে বলে দিয়েছেন থ্রিজি সিম যেন কোনো অবস্থায় ভুয়া নিবন্ধনের কবলে না পড়ে। এ জন্যে প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম বিক্রি করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সিম দিয়ে যা কিছু করার সম্ভব থ্রিজি'র সিমে চাইলে আরো অনেক বেশী কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে কারো ক্ষতি করতে চাইলে সেটিও বেশী পরিমাণে করা সম্ভব। সুতরাং জাতীয় পরিচয়পত্র এখানে বাধ্যতামূলক করতেই হবে।
এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান অবশ্য বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তাদের আর কিছুই বলার থাকতে পারে না।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সামনে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন। সে কারণে থ্রিজি সিমের নিবন্ধন বিষয়ে সরকার পক্ষ আরো সচেতন থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া আগে থেকেই (গত ১২ অক্টোবর) বিটিআরসি সব ধরনের সিমের প্রি-অ্যাক্টিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পরিচয়পত্রের তথ্য নিশ্চিত হয়ে এবং ছবি মিলিয়ে তবেই সিম সক্রিয় করা হবে। এ কারণে গত কয়েক দিনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম বিক্রির পরিমাণ একেবারেই পড়ে গেছে। নিবন্ধন সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রি-অ্যাক্টিভেশন বন্ধ হওয়ার কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন তারা।
গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিটকের থ্রিজি
সেবার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে
ভিডিও কলে কথা বলেন। (ছবিঃ বাসস)
উত্তরার সাংবাদিক জামিউল হাসান বনানীর তিনটি দোকানে ঘুরেও থ্রিজি'র সিম কিনতে পারেননি। তিনি জানান, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে সিম দেওয়া হয়নি। অথচ সরকারের দেওয়া সাংবাদিকতার অ্যাক্টিডিটেশন কার্ডেও কাজ হচ্ছে না।
জানা গেছে, ১৪ অক্টোবর থ্রিজি'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী টেলিটককে বলে দিয়েছেন থ্রিজি সিম যেন কোনো অবস্থায় ভুয়া নিবন্ধনের কবলে না পড়ে। এ জন্যে প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম বিক্রি করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সিম দিয়ে যা কিছু করার সম্ভব থ্রিজি'র সিমে চাইলে আরো অনেক বেশী কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে কারো ক্ষতি করতে চাইলে সেটিও বেশী পরিমাণে করা সম্ভব। সুতরাং জাতীয় পরিচয়পত্র এখানে বাধ্যতামূলক করতেই হবে।
এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান অবশ্য বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তাদের আর কিছুই বলার থাকতে পারে না।
অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সামনে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন। সে কারণে থ্রিজি সিমের নিবন্ধন বিষয়ে সরকার পক্ষ আরো সচেতন থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
তাছাড়া আগে থেকেই (গত ১২ অক্টোবর) বিটিআরসি সব ধরনের সিমের প্রি-অ্যাক্টিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পরিচয়পত্রের তথ্য নিশ্চিত হয়ে এবং ছবি মিলিয়ে তবেই সিম সক্রিয় করা হবে। এ কারণে গত কয়েক দিনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম বিক্রির পরিমাণ একেবারেই পড়ে গেছে। নিবন্ধন সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রি-অ্যাক্টিভেশন বন্ধ হওয়ার কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন তারা।
Teletalk Internet Package (New)
Teletalk Redefined Their Internet package. The Best Internet Package of Bangladesh.
-->
২জি গ্রাহকদের জন্য টেলিটক নতুন করে ইন্টারনেট প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
# ৫ মেগাবাইট ৪.৬০ টাকা (১ দিনঃ কোড D1)
# ১০ মেগাবাইট ৯.২০ টাকা (২ দিনঃ কোড D2)
# ৩০ মেগাবাইট ২৩ টাকা (৭ দিনঃ কোড D3)
# ২৫০ মেগাবাইট ১১৫ টাকা (১৫ দিনঃ কোড D4)
# ১ গিগাবাইট ২৩০ টাকা (৩০ দিনঃ কোড D5)
# আনলিমিটেড ৬৯০ টাকা (৩০ দিনঃ D6)
# প্যাকেজ একটিভ করতে কোড লিখে মেসেজ পাঠান ১১১ নম্বরে।
# উপরে বর্ণিত মূল্য ভ্যাট সহ দেয়া আছে।
# মেসেজ চার্জঃ ৫৮ পয়সা
# প্যাকেজ সাথে সাথে একটিভ হয়ে যাবে।
# অব্যবহৃত ডাটার পরিমান জানতে, ডায়াল *১৫২#
# মেয়াদ/ডাটা শেষ হবার পরে "পে পার ইউজ" হিসেবে টাকা কাটবে।
| Pack | Amounts | Vat | Total Cost | Code |
| 5 MB | BDT 4 | BDT 0.60 | BDT 4.60 | D1 |
| 10 MB | BDT 8 | BDT 1.20 | BDT 9.20 | D2 |
| 30 MB | BDT 20 | BDT 3 | BDT 23 | D3 |
| 250 MB | BDT 100 | BDT 15 | BDT 115 | D4 |
| 1 GB | BDT 200 | BDT 30 | BDT 230 | D5 |
| Unlimited | BDT 600 | BDT 90 | BDT 690 | D6 |
২জি গ্রাহকদের জন্য টেলিটক নতুন করে ইন্টারনেট প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
# ৫ মেগাবাইট ৪.৬০ টাকা (১ দিনঃ কোড D1)
# ১০ মেগাবাইট ৯.২০ টাকা (২ দিনঃ কোড D2)
# ৩০ মেগাবাইট ২৩ টাকা (৭ দিনঃ কোড D3)
# ২৫০ মেগাবাইট ১১৫ টাকা (১৫ দিনঃ কোড D4)
# ১ গিগাবাইট ২৩০ টাকা (৩০ দিনঃ কোড D5)
# আনলিমিটেড ৬৯০ টাকা (৩০ দিনঃ D6)
# প্যাকেজ একটিভ করতে কোড লিখে মেসেজ পাঠান ১১১ নম্বরে।
# উপরে বর্ণিত মূল্য ভ্যাট সহ দেয়া আছে।
# মেসেজ চার্জঃ ৫৮ পয়সা
# প্যাকেজ সাথে সাথে একটিভ হয়ে যাবে।
# অব্যবহৃত ডাটার পরিমান জানতে, ডায়াল *১৫২#
# মেয়াদ/ডাটা শেষ হবার পরে "পে পার ইউজ" হিসেবে টাকা কাটবে।
টেলিটক ৩জি প্রিপেইড প্যাকেজ "প্রজন্ম"
টেলিটক প্রজন্ম ৩জি
সিমের মূল্যঃ ৯০০ টাকা
ফ্রিঃ
৫০০ মিনিট ভয়েস কল
৫০০ মিনিট ভিডিও কল
১০০০ এসএমএস
১ গিগা ইন্টারনেট
ভয়েস কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১০ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
ভিডিও কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫০ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ২০ পয়সা।
এফএনএফ: ১টি
এফএনএফ কল রেট
ভয়েস কল রেট:> সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
ভিডিও কল রেট: সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৫ পয়সা।
এসএমএস: প্রতিটি ১৫ পয়সা।
অন্যান্য সেবা
এসএমএস: প্রতিটি ৪৫ পয়সা।
এমএমএস: প্রতিটি ৩ টাকা।
ইন্টারনেট ডাটা: প্রতি ৫ কেবি ১ পয়সা।
প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* শুধুমাত্র নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ।
* সিম চালু হওয়ার পর থ্রিজি সেবার ভিডিও কল, মোবাইল টিভি, দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা এবং থ্রিজির অন্যান্য সেবা উপভোগ করা যাবে।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবিট এবং বান্ডিল প্যাকেজে তা ২ মেগা্বিট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
* যেকোনো প্লানের থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা পেতে সাবস্ক্রিপশন কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* প্রাথমিক অবস্থায় ভয়েস এবং ভিডিও কল শুধুমাত্র টেলিটক থেকে টেলিটকে ব্যবহার করা যাবে।
* সকল সার্ভিসেই ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান
১২৮ কেবিপিএস স্পিড(kbps)
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D7
২ জিবি: মূল্য ৩৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D11
আনলিমিটেড: মূল্য ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D12
২৫৬ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ১৭৫ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D14
৪ জিবি: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D16
আনলিমিটেড: মূল্য ১,০৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D17
৫১২ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D19
২ জিবি: মূল্য ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D20
১০ জিবি: মূল্য ১,০০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D22
১ এমবিপিএস
৪ জিবি: মূল্য ৮০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D25
৮ জিবি: মূল্য ১,২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D26
২ এমবিপিএস
১০ জিবি: মূল্য ২,৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D27
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* যেকোনো প্লানে সাবস্ক্রাইব করতে প্যাকেজ কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* ৩০ দিনের ২ জিবি ডাটার ৫১২ কিলোবাইট ইন্টারনেট স্পিড প্যাকেজ পেতে হলে আপনাকে D20 লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* যদি কোনো প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তা পরবর্তী প্যাকেজে আর ব্যবহার করা যাবে না।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবাইট এবং বান্ডেল প্যাকেজে তা ২ মেগাবাইট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
মোবাইল ইন্টারনেট প্লান (২জি এর জন্য)
৫ মেগাবাইট: মূল্য ৪ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D1
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ২ দিন, প্যাকেজ কোড D2
৩০ মেগাবাইট: মূল্য ২০ টাকা, মেয়াদ ৭ দিন, প্যাকেজ কোড D3
২৫০ মেগাবাইট: মূল্য ১০০ টাকা, মেয়াদ ১৫ দিন, প্যাকেজ কোড D4
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D5
আনলিমিটেড: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D6
টেলিটক মোবাইল টিভি
মোবাইলে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখতে চান? তাহলে আপনার
মোবাইল থেকে ভিজিট করুন: http://wap.portal.teletalk.com.bd
পিসি থেকে ভিজিট করুন: http://portal.teletalk.com.bd

মোবাইল টিভি সাবস্ক্রিপশন ফি
* ৪ টি টিভি চ্যানেল দেখতে মাসিক ফি: ২০০ টাকা (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য)।
* ৮ টি টিভি চ্যানেল দেখতে মাসিক ফি: ৩২৫ টাকা (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য)।
এছাড়া
টেলিটকের থ্রিজি সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর জানতে দেখুন এখানে।
টেলিটকের থ্রিজি সম্পর্কে যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন এখানে।
সিমের মূল্যঃ ৯০০ টাকা
ফ্রিঃ
৫০০ মিনিট ভয়েস কল
৫০০ মিনিট ভিডিও কল
১০০০ এসএমএস
১ গিগা ইন্টারনেট
ভয়েস কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১০ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
টেলিটক থেকে অন্য অপারেটর: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৬ পয়সা।
ভিডিও কল রেট
সকাল ৮ টা থেকে রাত ১২ টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫০ পয়সা।
রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা
টেলিটক থেকে টেলিটক: প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ২০ পয়সা।
এফএনএফ: ১টি
এফএনএফ কল রেট
ভয়েস কল রেট:> সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ৫ পয়সা।
ভিডিও কল রেট: সারাদিন প্রতি ১০ সেকেন্ড পালস ১৫ পয়সা।
এসএমএস: প্রতিটি ১৫ পয়সা।
অন্যান্য সেবা
এসএমএস: প্রতিটি ৪৫ পয়সা।
এমএমএস: প্রতিটি ৩ টাকা।
ইন্টারনেট ডাটা: প্রতি ৫ কেবি ১ পয়সা।
প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* শুধুমাত্র নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে প্রজন্ম থ্রিজি প্যাকেজ।
* সিম চালু হওয়ার পর থ্রিজি সেবার ভিডিও কল, মোবাইল টিভি, দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা এবং থ্রিজির অন্যান্য সেবা উপভোগ করা যাবে।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবিট এবং বান্ডিল প্যাকেজে তা ২ মেগা্বিট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
* যেকোনো প্লানের থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা পেতে সাবস্ক্রিপশন কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* প্রাথমিক অবস্থায় ভয়েস এবং ভিডিও কল শুধুমাত্র টেলিটক থেকে টেলিটকে ব্যবহার করা যাবে।
* সকল সার্ভিসেই ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান
১২৮ কেবিপিএস স্পিড(kbps)
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D7
২ জিবি: মূল্য ৩৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D11
আনলিমিটেড: মূল্য ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D12
২৫৬ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ১৭৫ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D14
৪ জিবি: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D16
আনলিমিটেড: মূল্য ১,০৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D17
৫১২ কেবিপিএস(kbps) স্পিড
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন, প্যাকেজ কোড D19
২ জিবি: মূল্য ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D20
১০ জিবি: মূল্য ১,০০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D22
১ এমবিপিএস
৪ জিবি: মূল্য ৮০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D25
৮ জিবি: মূল্য ১,২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D26
২ এমবিপিএস
১০ জিবি: মূল্য ২,৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D27
মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্লান সম্পর্কে জরুরী তথ্য
* যেকোনো প্লানে সাবস্ক্রাইব করতে প্যাকেজ কোড লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* ৩০ দিনের ২ জিবি ডাটার ৫১২ কিলোবাইট ইন্টারনেট স্পিড প্যাকেজ পেতে হলে আপনাকে D20 লিখে ১১১ নম্বরে এসএমএস করতে হবে।
* যদি কোনো প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তা পরবর্তী প্যাকেজে আর ব্যবহার করা যাবে না।
* থ্রিজি চালু হলে ডিফল্ট হিসেবে ইন্টারনেট স্পিড থাকবে ৫১২ কিলোবাইট এবং বান্ডেল প্যাকেজে তা ২ মেগাবাইট পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
মোবাইল ইন্টারনেট প্লান (২জি এর জন্য)
৫ মেগাবাইট: মূল্য ৪ টাকা, মেয়াদ ১ দিন, প্যাকেজ কোড D1
১০ মেগাবাইট: মূল্য ৮ টাকা, মেয়াদ ২ দিন, প্যাকেজ কোড D2
৩০ মেগাবাইট: মূল্য ২০ টাকা, মেয়াদ ৭ দিন, প্যাকেজ কোড D3
২৫০ মেগাবাইট: মূল্য ১০০ টাকা, মেয়াদ ১৫ দিন, প্যাকেজ কোড D4
১ জিবি: মূল্য ২০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D5
আনলিমিটেড: মূল্য ৬০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন, প্যাকেজ কোড D6
টেলিটক মোবাইল টিভি
মোবাইলে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখতে চান? তাহলে আপনার
মোবাইল থেকে ভিজিট করুন: http://wap.portal.teletalk.com.bd
পিসি থেকে ভিজিট করুন: http://portal.teletalk.com.bd
মোবাইল টিভি সাবস্ক্রিপশন ফি
* ৪ টি টিভি চ্যানেল দেখতে মাসিক ফি: ২০০ টাকা (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য)।
* ৮ টি টিভি চ্যানেল দেখতে মাসিক ফি: ৩২৫ টাকা (১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য)।
এছাড়া
টেলিটকের থ্রিজি সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর জানতে দেখুন এখানে।
টেলিটকের থ্রিজি সম্পর্কে যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন এখানে।
Tag :
teletalk
,
Teletalk-Package
Teletalk introduces 3G mobile technology
State-run mobile phone operator Teletalk
is set to introduce the much-awaited third generation (3G) mobile
technology, for the first time in the country, on Sunday that provides
video calling, mobile TV, high-speed download.
Prime Minister Sheikh Hasina will inaugurate the service on an experimental basis, Mujibur Rahman, Managing Director of the state-owned cell phone operator, told bdnews24.com.
The official said that they have completed all the preparations in this regard and that the government's aim is to provide 3G technology to Teletalk subscribers very soon.
3G is a term used to represent the third generation of mobile telecommunications technology. It is fully a wireless broadband which is technically called high-speed packet access (HSPA), and it can be enjoyed through 3G- enabled handsets, smartphones and modems. 3G technologies enables faster data-transmission, greater network capacity and more advanced network services.
After installing the 3G technology, the mobile user would enjoy the Real-Time Video Calling, Live Mobile TV, High-Speed Download, HD gaming, e-education, public health, tele-medicine and e-shopping.
A senior official of the Teletalk said that Teletalk Bangladesh Limited would publish advertisements in the newspapers about 3G service this month.
Initial price for a 3G-enabled SIM ((Subscriber Identification Module) will be Tk 1,000 while existing users will get preference. Preparations are over to provide the services to over 300,000 subscribers in the capital initially after the inauguration.
According to the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission, untill August, Teletalk had nearly 1.4 million subscribers of which only 25,000 subscribers are using its internet connection while the six mobile-phone operators had a combined 99.5 million subscribers.
Being the state-run operator, Teletalk was given the opportunity to launch 3G experimentally before other operators. It was supposed to launch the service in March for six months but deferred the launch for 'technical reasons.'
The recently approved 3G licence draft says the spectrum would be auctioned by this year. Teletalk will have to take the 3G spectrum spending the same amount of money like others even if it does not take part in the auction.
Apart from Bangladesh's private operators Grameenphone, Banglalink, Citycell, Airtel and Robi, foreign companies will also be able to take part in the auction.
Prime Minister Sheikh Hasina will inaugurate the service on an experimental basis, Mujibur Rahman, Managing Director of the state-owned cell phone operator, told bdnews24.com.
The official said that they have completed all the preparations in this regard and that the government's aim is to provide 3G technology to Teletalk subscribers very soon.
3G is a term used to represent the third generation of mobile telecommunications technology. It is fully a wireless broadband which is technically called high-speed packet access (HSPA), and it can be enjoyed through 3G- enabled handsets, smartphones and modems. 3G technologies enables faster data-transmission, greater network capacity and more advanced network services.
After installing the 3G technology, the mobile user would enjoy the Real-Time Video Calling, Live Mobile TV, High-Speed Download, HD gaming, e-education, public health, tele-medicine and e-shopping.
A senior official of the Teletalk said that Teletalk Bangladesh Limited would publish advertisements in the newspapers about 3G service this month.
Initial price for a 3G-enabled SIM ((Subscriber Identification Module) will be Tk 1,000 while existing users will get preference. Preparations are over to provide the services to over 300,000 subscribers in the capital initially after the inauguration.
According to the Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission, untill August, Teletalk had nearly 1.4 million subscribers of which only 25,000 subscribers are using its internet connection while the six mobile-phone operators had a combined 99.5 million subscribers.
Being the state-run operator, Teletalk was given the opportunity to launch 3G experimentally before other operators. It was supposed to launch the service in March for six months but deferred the launch for 'technical reasons.'
The recently approved 3G licence draft says the spectrum would be auctioned by this year. Teletalk will have to take the 3G spectrum spending the same amount of money like others even if it does not take part in the auction.
Apart from Bangladesh's private operators Grameenphone, Banglalink, Citycell, Airtel and Robi, foreign companies will also be able to take part in the auction.
by
bdnews24.com
আজ টেলিটকের থ্রিজি সেবা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
(প্রিয় টেক) দফায় দফায় সময় পরিবর্তন করে অবশেষে তৃতীয় প্রজন্মের থ্রিজি
মোবাইল সেবা আজ রবিবার থেকে চালু হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন
কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আধুনিক
প্রযুক্তির এই সেবার উদ্বোধন করবেন। প্রথম দিকে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল
কোম্পানি টেলিটক ঢাকা মহানগরসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় থ্রিজি সেবা দেবে।
তবে সাধারণ গ্রাহকরা শুরুতেই এই সেবা পাচ্ছেন না।
ইতিমধ্যেই যারা গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তাদের সকলকেও শুরুর দিন থেকে সেবা দেয়া সম্ভব হবে না। থ্রিজি সেবা প্রাপ্তির তালিকায় প্রথমেই নির্বাচন করা হয়েছে কর্পোরেট গ্রাহকদেরকে।
জানা গেছে, আজ রোববার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে থ্রিজির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেড় ঘণ্টা ব্যাপী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। ওই অনুষ্ঠান গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা থ্রিজি সেবা উপভোগ করছেন তারা মোবাইলফোনে সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, টেলিটক এখনো অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারেনি। তবে দেশীয় ৫টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে লিংক তৈরির প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র। এসব বাস্তবায়ন করতে আরো ৬ থেকে ৮ মাস সময় প্রয়োজন।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর লিংক শেয়ার, কনটেন্ট প্রোভাইডারদের সঙ্গে চুক্তির বিষয়গুলোও সম্পন্ন না হওয়ায় আপাতত থ্রিজি দিয়ে স্যাটেলাইট টিভিতে সরাসরি খেলা দেখা আপাতত সম্ভব হবে না। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে প্রথম পর্যায়ে কর্পোরেট দুনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরই কেবল এই সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা ইতোমধ্যে গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তাদের মধ্য থেকে মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা বহারকারীরা উদ্বোধনের পর থেকে এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
আর চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে থ্রিজি ব্যবহার করতে পারবেন সকল গ্রাহক। এছাড়া দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪ থেকে ৫ লাখ গ্রাহককে থ্রিজি সেবা দেয়া সম্ভব হবে বলে জানা গেছে। টেলিটক সূত্রে জানা গেছে, শুরতে ইন্টারনেট সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডেটা কানেক্টিভিটি (২ এমবিপিএস) নিয়ে কাজ করছে এবং কনটেন্টের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে। প্রাথমিকভাবে টেলিটকের থিজি নেটওয়ার্কে ডেটা কানেক্টিভিটির পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্স করা যাবে। এজন্য মোবাইলফোন সেট বা ল্যাপটপে বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকতে হবে। মোবাইলফোনে থ্রিজি ব্যবহার করে নাটক, গান বা মুভি দেখতে চাইলে উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি প্রয়োজন। স্মার্টফোনেই উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি আছে। এ বিষয়টিও ব্যবহারকারীদের ভাবতে হবে। তা না হলে অল্প দিনের মধ্যেই মোবাইলফোন সেটে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির টেলিটকের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো তৈরি না করে সেবা চালু করার বিষয়টিকে গ্রাহক ধরার কৌশল হিসেবে দেখছে। ২১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (এক হাজার ৬শ ৮৮ কোটি টাকা) ব্যয়ে চীনা কোম্পানি সিএমইসি থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ করছে। সারাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজ করতে আরও এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। তবে ঢাকায় নেটওয়ার্ক স্থাপনের বিষয়টি শেষ হয়েছে কিছুদিন আগেই। নেটওয়ার্ক কতটা কার্যকর হয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। থ্রিজি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি একটি বড় বিপ্লব ঘটবে। গ্রামের মানুষও শহরের মানুষের মতো ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন।
সূত্র জানিয়েছে, টেলিটক "এ লড়াই আপনার জন্য নয়" শিরোনামে একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে ইতোমধ্যে চার লাখ গ্রাহকের জন্য থ্রিজি সেবা চালুর প্রস্ত্ততি নিয়েছে। ভ্যালিড গ্রাহক নির্বাচনের জন্য তিন মাসের প্যাকেজ অফারের আওতায় গ্রাভিটি ক্লাব নামের একটি বান্ডেল অফার দেয়। গত জুলাই মাস থেকে শুরু হয় এ অফার। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রামে থ্রিজি সেবা দেবে টেলিটক। পরিকল্পনা অনুযায়ী জানুয়ারিতে সিলেটেও এই সেবার বিস্তার করা হবে। তখন থ্রিজি নেটওয়ার্কে টেলিটকের আট লাখ গ্রাহক হবে।
চীনের দুটি কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ চুক্তিতে থ্রিজি প্রযুক্তি আমদানি করেছে টেলিটক। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির আমূল পরিবর্তন ঘটবে। পুরো আগস্ট মাস থ্রিজি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে। থ্রিজির জন্য সারাদেশে ৭শ টি বিশেষ বিটিএস স্থাপন করা হবে। রাজধানীতে বিটিএস স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। থ্রিজি প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চগতিতে তথ্য পরিবহন সম্ভব হওয়ায় মোবাইল ফোনেই টিভি দেখা, জিপিএসের মাধ্যমে পথনির্দেশনা পাওয়া, উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেয়া সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, টেলিটকের জন্য ২১১০ থেকে ২১৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের (ফ্রিকোয়েন্সি) মধ্যে ১০ মেগাহার্টজ বরাদ্দ দিয়েছে বিটিআরসি। রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান বলেই টেলিটক অগ্রাধীকারভিত্তিতে লাইসেন্স পেয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত থাকায় প্রতিষ্ঠানটি (লাইসেন্সের নিলাম) আগেই থ্রি-জি সেবা চালু করতে যাচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে থ্রি-জির নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ওই নিলামে টেলিটকও অংশ নিয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করবে।
ইতিমধ্যেই যারা গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তাদের সকলকেও শুরুর দিন থেকে সেবা দেয়া সম্ভব হবে না। থ্রিজি সেবা প্রাপ্তির তালিকায় প্রথমেই নির্বাচন করা হয়েছে কর্পোরেট গ্রাহকদেরকে।
জানা গেছে, আজ রোববার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে থ্রিজির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেড় ঘণ্টা ব্যাপী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। ওই অনুষ্ঠান গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে যারা থ্রিজি সেবা উপভোগ করছেন তারা মোবাইলফোনে সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, টেলিটক এখনো অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারেনি। তবে দেশীয় ৫টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে লিংক তৈরির প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র। এসব বাস্তবায়ন করতে আরো ৬ থেকে ৮ মাস সময় প্রয়োজন।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর লিংক শেয়ার, কনটেন্ট প্রোভাইডারদের সঙ্গে চুক্তির বিষয়গুলোও সম্পন্ন না হওয়ায় আপাতত থ্রিজি দিয়ে স্যাটেলাইট টিভিতে সরাসরি খেলা দেখা আপাতত সম্ভব হবে না। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে প্রথম পর্যায়ে কর্পোরেট দুনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরই কেবল এই সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা ইতোমধ্যে গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তাদের মধ্য থেকে মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা বহারকারীরা উদ্বোধনের পর থেকে এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
আর চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে থ্রিজি ব্যবহার করতে পারবেন সকল গ্রাহক। এছাড়া দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪ থেকে ৫ লাখ গ্রাহককে থ্রিজি সেবা দেয়া সম্ভব হবে বলে জানা গেছে। টেলিটক সূত্রে জানা গেছে, শুরতে ইন্টারনেট সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডেটা কানেক্টিভিটি (২ এমবিপিএস) নিয়ে কাজ করছে এবং কনটেন্টের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে। প্রাথমিকভাবে টেলিটকের থিজি নেটওয়ার্কে ডেটা কানেক্টিভিটির পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্স করা যাবে। এজন্য মোবাইলফোন সেট বা ল্যাপটপে বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকতে হবে। মোবাইলফোনে থ্রিজি ব্যবহার করে নাটক, গান বা মুভি দেখতে চাইলে উচ্চক্ষমতার ব্যাটারি প্রয়োজন। স্মার্টফোনেই উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি আছে। এ বিষয়টিও ব্যবহারকারীদের ভাবতে হবে। তা না হলে অল্প দিনের মধ্যেই মোবাইলফোন সেটে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির টেলিটকের পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো তৈরি না করে সেবা চালু করার বিষয়টিকে গ্রাহক ধরার কৌশল হিসেবে দেখছে। ২১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (এক হাজার ৬শ ৮৮ কোটি টাকা) ব্যয়ে চীনা কোম্পানি সিএমইসি থ্রিজি নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ করছে। সারাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজ করতে আরও এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। তবে ঢাকায় নেটওয়ার্ক স্থাপনের বিষয়টি শেষ হয়েছে কিছুদিন আগেই। নেটওয়ার্ক কতটা কার্যকর হয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। থ্রিজি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি একটি বড় বিপ্লব ঘটবে। গ্রামের মানুষও শহরের মানুষের মতো ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন।
সূত্র জানিয়েছে, টেলিটক "এ লড়াই আপনার জন্য নয়" শিরোনামে একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে ইতোমধ্যে চার লাখ গ্রাহকের জন্য থ্রিজি সেবা চালুর প্রস্ত্ততি নিয়েছে। ভ্যালিড গ্রাহক নির্বাচনের জন্য তিন মাসের প্যাকেজ অফারের আওতায় গ্রাভিটি ক্লাব নামের একটি বান্ডেল অফার দেয়। গত জুলাই মাস থেকে শুরু হয় এ অফার। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রামে থ্রিজি সেবা দেবে টেলিটক। পরিকল্পনা অনুযায়ী জানুয়ারিতে সিলেটেও এই সেবার বিস্তার করা হবে। তখন থ্রিজি নেটওয়ার্কে টেলিটকের আট লাখ গ্রাহক হবে।
চীনের দুটি কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ চুক্তিতে থ্রিজি প্রযুক্তি আমদানি করেছে টেলিটক। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির আমূল পরিবর্তন ঘটবে। পুরো আগস্ট মাস থ্রিজি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে। থ্রিজির জন্য সারাদেশে ৭শ টি বিশেষ বিটিএস স্থাপন করা হবে। রাজধানীতে বিটিএস স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। থ্রিজি প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চগতিতে তথ্য পরিবহন সম্ভব হওয়ায় মোবাইল ফোনেই টিভি দেখা, জিপিএসের মাধ্যমে পথনির্দেশনা পাওয়া, উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেয়া সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, টেলিটকের জন্য ২১১০ থেকে ২১৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের (ফ্রিকোয়েন্সি) মধ্যে ১০ মেগাহার্টজ বরাদ্দ দিয়েছে বিটিআরসি। রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান বলেই টেলিটক অগ্রাধীকারভিত্তিতে লাইসেন্স পেয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত থাকায় প্রতিষ্ঠানটি (লাইসেন্সের নিলাম) আগেই থ্রি-জি সেবা চালু করতে যাচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে থ্রি-জির নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ওই নিলামে টেলিটকও অংশ নিয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করবে।
Tag :
teletalk
টেলিটক থ্রি-জি'র জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতঃ টেলিটক
![]() |
| মুজিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক |
প্রিয় টেক: টেলিটক কি থ্রি জি’র জন্য প্রস্তুত?
মুজিবুর রহমান:পুরোপুরি প্রস্তুত। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থ্রি জি সেবা উদ্ভোধন করবেন। প্রথম দফায় ঢাকা এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ এলাকায় অত্যাধুনিক এই সেবা পাওয়া যাবে। খুব তাড়াতাড়ি এ বিষয়ে টেলিটক প্রচারণায় যাবে।
রাজধানীর টেলিটক গ্রাহকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে এই সেবাটি উপভোগ করতে পারেন তার জন্যে সকল রকম প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকায় বিটিএস সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে কল ড্রপ বা নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা কমে যাবে। থ্রি জি’র প্রতি গ্রাহকদের অত্যাধুনিক চাহিদার কথা বিবেচনা করেই এসব আয়োজন করা হয়েছে।
প্রিয় টেক: গ্রাহক থ্রি জি-তে গ্রাহক সবচেয়ে বেশী কি সুবিধা পেতে পারেন?
মুজিবুর রহমান: সংশ্লিষ্টরা বলছেন, থ্রিজি চালু হলে মোবাইল হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে অন্তত দশগুন। এখন যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে তখন সেটি হবে এক মিনিটে। আর মোবাইল ফোনেই দেখা যাবে টেলিভিশন। প্রতি মিনিটে খরচ হবে দুই টাকা। আর যিনি মোবাইলে ফোন করেছেন তার ছবিও দেখা যাবে, জানা যাবে তার অবস্থান। একে বলা হচ্ছে ভিডিও কল। এর খরচ পড়বে দুই টাকারও কম। টেলিটকের থ্রি-জির সব সার্ভিসেই ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা থাকবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই ঘরে বসেই সন্তানদের নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করা যাবে। শহরের সব সড়কের গাড়ির গতিবিধি দেখে অনাকাঙ্খিত জ্যাম নিয়ন্ত্রণও করতে পারবে পুলিশ।
প্রিয় টেক: আমাদের এখানে থ্রি জি’র মাধ্যমে মোবাইলে টিভি দেখার বিষয়টিই তো আবার সবচেয়ে বড় হয়ে উঠবে না?
মুজিবুর রহমান: সেটা হতেই পারে। থ্রি জি’র অন্যতম প্রধান বিষয়টি তো হবে মোবাইল বিনোদন। এ বিষয়টি টেলিটক মাথায় রেখেছে। আপাতত উদ্ভোধনের পরদিন থেকে ৫টি টেলিভিশন মোবাইলে দেখা যাবে। বিটিভি’র বাইরেও সময় টিভি, জিটিভি, আরটিভি ও মাইটিভি’র সঙ্গে আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। অন্য টেলিভিশনগুলোকেও এর মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন মুজিবুর রহমান।
প্রিয় টেক: আর কোন বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন?
মুজিবুর রহমান: ভিডিও কল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। থ্রি জি মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য পরিবহন সম্ভব বলে জিপিএসের মাধ্যমে পথ নির্দেশনা পাওয়া, উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়া বিষয়টিও থাকছে। এসব সেবা যাতে গ্রাহকরা সঠিকভাবে পেতে পারে তার জন্যে রাজধানীতে বিটিএসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের ৪ লাখ গ্রাহক এই সুবিধা পাবেন। থ্রিজি’তে কোনো কল ড্রাপ থাকবে না। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়েছে।
প্রিয় টেক: আপনারা নাকি এখনো রাজধানীর ৪০টি বিটিএস চালু করতে পারেননি।
মুজিবুর রহমান: বিদ্যুৎ সমস্যা আছে। এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না।
প্রিয় টেক: কল রেটের বিষয়ে কি কোনো পার্থক্য হবে?
মুজিবুর রহমান: প্রাথমিকভাবে টেলিটক যে কলের যে হার নির্ধারণ করেছে তাতে ভয়েস কলের (শুধু কথা বলা) রেট এখন যা আছে থ্রি-জি’তেও তাই থাকবে। অন্যান্য সুবিধার জন্য যে বিল ঠিক করা হচ্ছে তা পাশবর্তী দেশ ভারত ও শ্রীলংকার চেয়ে কম হবে এটি নিশ্চিত করে বলা যায়।
প্রিয় টেক: থ্রি জি বিষয়ে জানতে গ্রাহক কোথায় যাবে?
মুজিবুর রহমান: রাজধানীতে টেলিটকের তিন হাজার রিটেইলার পয়েন্ট ও ৮টি কাস্টমার সেন্টার থেকে সিম বিক্রি হবে। গ্রাহকের দেয়া তথ্য নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম চালু হবে। আর যারা পুরনো সিম থ্রিজিতে পরিবর্তন করতে চান তাদেরও রিটেলার বা কাস্টমার সেন্টারে গিয়ে সিম পরিবর্তন করতে হবে। ওই সব কাস্টমার কেয়ার সেন্টার এবং রিটেইলার পয়েন্টেই থ্রি জি সম্পর্কে জানা যাবে।
প্রিয় টেক: দশ সেকেন্ডের পালস কি থ্রি জি’র গ্রাহকরাও পাবেন?
মুজিবুর রহমান: টেলিটকের থ্রি-জির সব সার্ভিসেই ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা থাকবে। বিটিআরসি’র তো এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভিডিও কলসহ অন্যান্য যে কোনো কলে এই ব্যবস্থা থাকছেই।
প্রিয় টেক: কবে নাগাদ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের গ্রাহকরাও থ্রি জি পাবে?
মুজিবুর রহমান: ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম এবং জানুয়ারিতে সিলেট। পরবর্তীতে বৃহত্তর জেলা এবং এরপর জেলা ও গ্রোথ সেন্টার। আপাততো এই হচ্ছে স্বল্প মেয়াদী লক্ষ্য। তবে এক বছরের মধ্যেই যাতে দেশব্যপী সেবা ছড়িয়ে দেওয় যায় তার প্রচেস্টা চলছে।
প্রিয় টেক: সংখ্যাগত কোনো পরিকল্পপনা আছে কি?
মুজিবুর রহমান: এখন অন্তত চার লাখ গ্রাহক পেতে চায় টেলিটক। আর ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে পৌঁছাতে পারলে গ্রাহক আট লাখে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সব জেলায় যেতে পারলে অন্তত ১৭-১৮ লাখ থ্রি জি’র গ্রাহক পাওয়া যাবে বলে মনে করি।
প্রিয় টেক: থ্রি জি’র ক্ষেত্রে সংযোগ যেমন গুরুত্বপূর্ণ একই সঙ্গে মোবাইল হ্যান্ডসেটও অত্যাধুনিক হতে হবে। এই বিবেচনায় দেশে এর ভবিষ্যৎ কেমন?
মুজিবুর রহমান: বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন যতোটা গুরুত্ব পেয়েছে, যেভাবে এর বিস্তার হয়েছে; থ্রি জি’র ক্ষেত্রে তেমনটা হবে না এটি নিশ্চিত। এর সঙ্গে বাড়তি কিছু খরচের বিষয় জড়িত আছে। শিক্ষার বিষয়টিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক উন্নত এলাকায়ই থ্রি জি সফল হয়নি। তবে বাংলাদেশে যাতে এর বিস্তৃত সেবা গ্রাহক পায় সে লক্ষ্যে টেলিটক কাজ করছে।
প্রিয় টেক: বিদ্যমান গ্রাহকের মধ্য থেকে কিভাবে থ্রি জি’র গ্রাহক নির্বাচিত করা হবে?
মুজিবুর রহমান: এ বিষয়ে ইতিমধ্যে কিছু প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। শর্ত পূরণ করতে পারলে লটারির মাধ্যমে এখান থেকে প্রায় আড়াই লাখ গ্রাহককে থ্রি জি দেওয়া হবে। তাদেরকে অবশ্যই ঢাকার গ্রাহক হতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিতদের এসএমএস করে সংযোগ নেওয়ার জন্যে বলে দেওয়া হবে।
প্রিয় টেক: অন্য কোনো অপারেটর এখনো থ্রি জি’র লাইসেন্স পেল না। অথচ আপনারা সেবা নিয়ে আসতে যাচ্ছেন। এটি কিভাবে দেখেন?
মুজিবুর রহমান: এটি একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্ত। সরকারি কোম্পানি হিসেবে টেলিটক বাড়তি কিছু সুবিধা পেতেই পারে। তবে প্রতিযোগিতার মধ্যে লড়াই করে এগিয়ে যেতে তৈরীই আছে টেলিটক।
আধুনিক বিলিং সিস্টেম চালু করল টেলিটক
(প্রিয় টেক) বিল সংক্রান্ত যে কোনো ধরনের প্রতারণা
রোধসহ গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করতে কনভারজেন্স বিলিং সিস্টেম (সিবিএস) চালু
করছে রাস্ট্রয়াত্ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। রোববার রাত বারোটার পর সিবিএস প্রযুক্তি প্রতিস্থাপনের কাজ করার কথা তাদের।
সেক্ষেত্রে রাত বারোটার পর থেকে গ্রাহকদের কিছুটা সমস্যা হলেও হতে পারে বলেও এসএমএস দিয়ে জানিয়েছে টেলিটক।
টেলিটকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিবিএস প্রযুক্তির বিলিং পদ্ধতি এই প্রথম চালু করা হলো। নতুন এই প্রযুক্তি স্থাপনের ফলে কিছুদিন আগেও যে টেলিটকের দু'জন কর্মকর্তা কয়েক কোটি টাকার বিল লোপাট করেছেন সে সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন দাবি করেছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান নিজে। তিনি বলেন, এর বাইর নতুন প্রযুক্তি মাধ্যমে এখন থেকে সহজেই টেলিটকের পোষ্ট পেইড গ্রাহকরা চাইলে প্রিপেইড সেবা নিতে পারবেন। একইভাবে পিপ্রেইড গ্রাহকরা আগের নম্বর ঠিক রেখে পোষ্টপেইড সেবায় যেতে পারবেন।
মুজিবুর রহমান আরো জানান, ১৪ অক্টোবার থ্রি জি সেবা উদ্ভোধন করবে টেলিটক। থ্রি জি-কে সামনে রেখে তারা নতুন এই বিলিং সিস্টেম চালু করলেন।
সেক্ষেত্রে রাত বারোটার পর থেকে গ্রাহকদের কিছুটা সমস্যা হলেও হতে পারে বলেও এসএমএস দিয়ে জানিয়েছে টেলিটক।
টেলিটকের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিবিএস প্রযুক্তির বিলিং পদ্ধতি এই প্রথম চালু করা হলো। নতুন এই প্রযুক্তি স্থাপনের ফলে কিছুদিন আগেও যে টেলিটকের দু'জন কর্মকর্তা কয়েক কোটি টাকার বিল লোপাট করেছেন সে সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন দাবি করেছেন টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান নিজে। তিনি বলেন, এর বাইর নতুন প্রযুক্তি মাধ্যমে এখন থেকে সহজেই টেলিটকের পোষ্ট পেইড গ্রাহকরা চাইলে প্রিপেইড সেবা নিতে পারবেন। একইভাবে পিপ্রেইড গ্রাহকরা আগের নম্বর ঠিক রেখে পোষ্টপেইড সেবায় যেতে পারবেন।
মুজিবুর রহমান আরো জানান, ১৪ অক্টোবার থ্রি জি সেবা উদ্ভোধন করবে টেলিটক। থ্রি জি-কে সামনে রেখে তারা নতুন এই বিলিং সিস্টেম চালু করলেন।
Tag :
teletalk
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে থ্রি জি’র উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
(প্রিয় টেক) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভিডিও কল করে টেলিটকের তৃতীয় প্রজন্মে (থ্রি জি)
প্রযুক্তির উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৪ অক্টোবর
দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর
রহমানের সঙ্গে ভিডিও কল করবেন তিনি। পরপরই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলে অংশ
নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ. আ. ম. স. আরেফিন
সিদ্দিকী। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজের ছাত্রী জীবনের স্কুল আজিমপুর গার্লস
স্কুলের মেয়েদের সঙ্গেও তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে আলাপ করবেন।
থ্রি জি’র উদ্ভোধনের এই হচ্ছে আপাত প্রস্তুতি। টেলিযোগাযোগ দফায় দফায় বৈঠক করে এক ঘন্টার অনুষ্ঠানের এই আয়োজন সাজিয়েছে। ওই দিনের অনুষ্ঠানে যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক তরুনের সমাবেশ ঘটে সে বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। সে জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটসহ রাজধানীর অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রনালয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে ই-এডুকেশন বা ই-লার্নিং এবং ই-মেডিসিনের আরো কিছু ডেমোনেস্ট্রেশন প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছে সূত্র।

এদিকে গত দেড় বছরের প্রস্তুতিতে থ্রি জি’র উদ্ভোধনের পর্যায়ে এসেছে টেলিটক। রাষ্ট্রয়াত্ত্ব অপারেটরটি প্রথম দফায় তিন লাখ থ্রি জি সিম বাজারে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন কেবল ঢাকা এবং ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় থ্রি জি সেবা দিতে পারবে তারা। ডিসেম্বর নাগাদ তারা চট্টগ্রাম এবং পরে জানুয়ারিতে সিলেটেও এর বিস্তার ঘটাবে।
থ্রি জি’র উদ্ভোধনের এই হচ্ছে আপাত প্রস্তুতি। টেলিযোগাযোগ দফায় দফায় বৈঠক করে এক ঘন্টার অনুষ্ঠানের এই আয়োজন সাজিয়েছে। ওই দিনের অনুষ্ঠানে যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক তরুনের সমাবেশ ঘটে সে বিষয়ে নজর রাখা হয়েছে। সে জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটসহ রাজধানীর অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রনালয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে ই-এডুকেশন বা ই-লার্নিং এবং ই-মেডিসিনের আরো কিছু ডেমোনেস্ট্রেশন প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছে সূত্র।
এদিকে গত দেড় বছরের প্রস্তুতিতে থ্রি জি’র উদ্ভোধনের পর্যায়ে এসেছে টেলিটক। রাষ্ট্রয়াত্ত্ব অপারেটরটি প্রথম দফায় তিন লাখ থ্রি জি সিম বাজারে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এখন কেবল ঢাকা এবং ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় থ্রি জি সেবা দিতে পারবে তারা। ডিসেম্বর নাগাদ তারা চট্টগ্রাম এবং পরে জানুয়ারিতে সিলেটেও এর বিস্তার ঘটাবে।




