Home বাংলালিংকের নতুন সিইও WIND এর জিয়াদ সাতারা

(প্রিয় টেক) প্রায় দেড় বছর পর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পেয়েছে দেশের দ্বিতীয় সেরা মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক। জিয়াদ সাতারা আগামী জানুয়ারিতে এই পদে যোগ দেবেন। এর আগে ২০১১ সালের জুনে মিসরের আহমেদ আবু দোমা বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি পদোন্নতি নিয়ে মিসর চলে গেলে তার পর থেকে পদটি শূন্য ছিল।

নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন বাংলালিংকের অন্যতম অংশীদার ভিম্পেলকমের প্রধান নির্বাহী জো লান্ডার। এ সময় জিয়াদ সাতারাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে জিয়াদ সাতারা ইতালির উইন্ড টেলিকমিউনিকেশনের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। অনুষ্ঠানে জিয়াদ সাতারা গ্রাহকদের প্রতি বাংলালিংকের যে অঙ্গিকার রয়েছে তার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। টেলিকম খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলালিংকের যে নেতৃস্থানীয় সুনাম অর্জিত হয়েছে তা ধরে রেখে গ্রাহক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণের দিকটি তার কাছে প্রাধান্য পাবে বলে নতুন বাংলালিংক প্রধান নির্বাহী ঘোষণা দেন।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ভিম্পেলকম গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ আবু দোমা এবং চিফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার রব কনওয়ে। এছাড়া বাংলালিংকের চিফ ফিনানসিয়াল অফিসার মোহামেদ ওসমান, ডিরেক্টর সিসিডি মুহাম্মদ আরশাদ, মার্কেটিং সিনিয়র ডিরেক্টর শিহাব আহমাদ, হেড অফ রেগুলেটরি ও লিগ্যাল জাকিউল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিম্পেলকমের গ্রাহক সংখ্যা বর্তমানে ২১২ মিলিয়নের বেশি। আর বাংলালিংকের গ্রাহক সংখ্যা ২ আড়াই কোটির বেশী।

সিটিসেল গ্রাহক সপ্তাহ

(প্রিয় টেক) দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল দেশব্যাপী 'গ্রাহক সপ্তাহ' উৎযাপন করছে। সোমবার থেকে শুরু হয়ে এই 'গ্রাহক সপ্তাহ' চলবে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দীর্ঘ এই সময় জুড়ে সিটিসেলের সকল গ্রাহক সেবা কেন্দ্র এবং গ্রাহক সেবা স্থানে গ্রাহকরা অভিনব সেবা পাবেন।

সোমবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত সিটিসেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে 'গ্রাহক সপ্তাহ' কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সিটিসেলের সম্মানিত গ্রাহকদের দিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে বিশেষ এই গ্রাহক সপ্তাহের। এ সময় সিটিসেলের কর্মকর্তা ছাড়াও আমন্ত্রিত গ্রাহকদের মধ্যে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আতিফ নোমান আলী, প্রাক্তন নেভি চীফ রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোহায়মিনুল ইসলাম, ইউডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডীন মনিরুল ইসলাম শরীফ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাসান মাসুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা কাদির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এই 'গ্রাহক সপ্তাহ' উপলক্ষে গ্রাহকরা ৪৫৬৭ নাম্বারে ডায়াল করে শুনতে পাবেন গ্রাহক সেবা অফারগুলো। একই সঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন ১০০টি (সিটিসেল টু সিটিসেল) এসএমএস। এক হাজার টাকা রিচার্জে পাওয়া যাবে ৪'শ টাকা বোনাস (২০০ টাকা ভয়েস এবং ২০০ টাকা ডাটায়), এসএমএস কুইজের মাধ্যমে কাস্টমার কেয়ারে ভিজিটরদের প্রতিদিন ১০টি হ্যান্ডসেট জেতার সুযোগ, ফ্রি সিডিএমএ হ্যান্ডসেট এবং মোডেম সার্ভিসিং, হ্রাসকৃত মূল্যে (৪৮০০ টাকা) স্যামসাং এফ ৩০৯ হ্যান্ডসেট।
তাছাড়া বিশেষ মূল্যে ব্যাটারি ও চার্জার (মূল্যের ৪০% পরিশোধ করে এবং বাকি ৬০% রিচার্জ করে পেয়ে যাবেন নতুন ব্যাটারি/চার্জার)। হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়া মোডেমের ক্ষেত্রে ১০০% পর্যন্ত ছাড় দেওয়া এবং নির্দিষ্ট জুম আল্ট্রা প্ল্যান আপগ্রেড করার ক্ষেত্রে ৩ মাস ধরে মাসিক ফি'র উপর ২৫% ডিসকাউন্ট দেওয়া হবে। তাছাড়া সিমের মালিকানা পরিবর্তনও নিখরচায় সহজেই করা যাবে।

Mobile Subscriber After October 2012

Total Active Mobile Phone Subscribers at the end of October 2012:

01. Grameenphone Ltd. (GP): 4 core 6 lac 87 thousands.

02. Orascom Telecom Bangladesh Limited (Banglalink): 2 core 66 lac 20 thousands.

03. Robi Axiata Limited (Robi): 2 core 11 lac 17 thousands.

04. Airtel Bangladesh Limited (Airtel): 68 lac 78 thousands.

05. Pacific Bangladesh Telecom Limited (Citycell): 16 lac 24 thousands.

06. Teletalk Bangladesh Ltd. (Teletalk): 13 lac 68 thousands.

#Total number of Subscribers are 9 core 82 lac 93 thousands.
 
 

2GB Internet Free For GP Star Customer With Nokia Handset

Enjoy... as GP STAR customer, you can buy Nokia handset of your choice from any Grameenphone Centre and enjoy free internet upto 500 MB!

Don’t forget to avail some of the branded gifts we have for you too! Hurry while stocks last!

To know more about the fabulous offer, hit http://www.grameenphone.com/whats-new/nokia-handsets-gp-stars



রবিকে ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা কম জরিমানা করার অভিযোগ

(প্রিয় টেক) নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি'র অনুমোদন ছাড়া কোম্পানির নাম পরিবর্তন করায় দেশের তৃতীয় মোবাইল ফোন অপারেটর আজিয়াটা বাংলাদেশ লিঃ-কে অন্তত ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা কম জরিমানা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক। বিটিআরসি'র ২০০৯-২০১০ অডিট প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়।

অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানির নাম পরিবর্তন করা হলে তার জন্যে ৫'শ কোটি টাকা জরিমানা করার বিধান থাকলেও বিটিআরসি তাদেরকে মাত্র ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে। তাতে করে সরকারের ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অডিট প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে বিটিআরসি যে ব্যাখ্যা দিয়েছে তা সন্তোষজনক নয়।

এ প্রেক্ষাপটে আজিয়াটা বাংলাদেশ লি: এর নিকট হতে উক্ত অর্থ কেন আদায় করা হবে না তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে নতুবা সমুদয় টাকা আদায় করে তার প্রমাণপত্রসহ অগ্রগতি অডিট অফিসে প্রেরণের জন্যে বলা হয়েছে।

তবে বিটিআরসি বলছে, যা কিছু করা হয়েছে দেশের প্রচলিত আইন এবং বিধিবিধান মেনে করা হয়েছে। এখানে সরকারের কোনো আর্থিক ক্ষতি হয়নি। আর আজিয়াটা বাংলাদেশ লি: রবি বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

জানা গেছে, আগে রবি'র মূল কোম্পানির নাম ছিল TM International (Bangladesh) Limited (TMIB)। পরে ২০০৯ সালের ১৫ মে এই পরিবর্তন করে আজিয়াটা বাংলাদেশ লি: করা হয়। বিটিআরসি'র কাছ থেকে কোনো রকম অনুমোদন না নিয়ে নাম পরিবর্তন করে তারা। অথচ এ বিষয়ে আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরে একই বছরের ১৬ জুন বিটিআরসিকে অবহিত করে তারা। এর ফলে টিএমআইবি এর সঙ্গে বিটিআরসি'র লাইসেন্সের যে চুক্তি ছিল তার ১১ দশমিক ৬ এবং ২০ নং ধারা লঙ্ঘিত হয়।

অডিট দল বলছে, সরকার ১৯৯৬ সালের ১১ নভেম্বর এই চুক্তিতে তাদেরকে লাইসেন্স দেয় এবং ২০০৪ সালের ১১ অক্টোবর তাদের সঙ্গে পুনরায় লাইসেন্স চুক্তি সম্পন্ন করে। এই অন্যায়ের প্রেক্ষিতে বিটিআরসি তাদের ৭৮তম বোর্ড মিটিংয়ে ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইন মোতাবেক ৩ লক্ষ টাকা প্রশাসনিক জরিমানা আদায় এবং ভবিষ্যতে লাইসেন্সের বিধি বহির্ভূত কোনরূপ কাজ করবেনা মর্মে কঠোরভাবে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে সেটি বাস্তবায়িতও হয়।

কিন্তু অডিট দল বলছে, ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইনে এই অপরাধের জন্যে তিন লাখ টাকা জরিমানার কথা বলা থাকলেও ২০০৮ সালের ৫৮নং অধ্যাদেশে এই আইনটির সংশোধনী আনা হয়। সেখানে সুস্পষ্টরূপে এই অপরাধে তিন লাখ টাকা জরিমানার বদলে ৫'শ কোটি টাকা করা হয়েছে। পরে ২২ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখ থেকে সেটি কার্যকর হয়।

এ বিষয়ে বিটিআরসি'র ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ প্রিয় টেককে বলেন, এটি এমন সময়ের ঘটনা যখন তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন না। তারপরেও কাগজপত্র দেখে যতদূর বুঝেছেন তাতে অনিয়ম হয়নি। কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, অধ্যাদেশ জারি করলেও পরের সরকার এসে সেটি গ্রহণ করেনি। পরে আইন সংশোধন করতে সময় লেগেছে। সে কারণে তিন লাখ টাকা জরিমানা করারই যুক্তিযুক্ত রয়েছে।

একই বিষয়ে রবি'র শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চার্জ নির্ধারণ করেছে বিটিআরসি

গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চার্জ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ব্যাংকগুলোর কাছে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে বিটিআরসি। এতে বলা হয়, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকদের অর্থ জমা ও উত্তোলনে ১ শতাংশ হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বিকাশে টাকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন চার্জ না নিলেও উত্তোলনের সময় ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ অর্থ কেটে রাখা হয়। আর ডাচ-বাংলা ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা জমা দেয়ার ক্ষেত্রে ১ শতাংশ এবং উত্তোলনের সময় ২ শতাংশ চার্জ হিসেবে কেটে রাখে।

এ প্রসঙ্গে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, চার্জ নির্ধারণ করে দেয়া সংক্রান্ত বিটিআরসির নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। শিগগিরই আমরা তা বাস্তবায়ন করব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিষ্ঠান বিকাশ ২০১১ সালের জুলাইয়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। এ সেবায় তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। আর ডাচ-বাংলা ব্যাংক এ সেবা চালু করে ওই বছরের মে মাসে। এখন তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ।

অপরদিকে, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রাইম ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক এ সেবা চালু করলেও তারা তেমন একটি গ্রাহক তৈরি করতে পারেনি।

সংগ্রহকৃত

গ্রাহক বৃদ্ধির রেকর্ডের পর এবার গ্রাহক কমার রেকর্ড

এক মাসে গ্রাহক বৃদ্ধির রেকর্ড হলেও পরের মাসে আবার নতুন গ্রাহকরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। অক্টোবর মাসে দেশের শীর্ষ দুই অপারেটর গ্রামীণফোন এবং বাংলালিংকের একই সঙ্গে গ্রাহক বাড়ার বদলে কমে গিয়েছে। অক্টোবর মাসে কেনো তাদের গ্রাহক বৃদ্ধি না পেয়ে উল্টো কমে গেল সেই কারণ জানতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি অপারেটর দুটির কাছে কৈফিয়ত চাইছে। বৃহস্পতিবারই এ বিষয়ে বিটিআরসি অপারেটর দুটিকে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।

এই জটিলতায় প্রতি মাসে বিটিআরসি যে গ্রাহক সংখ্যার হিসেব প্রকাশ করে সেটি এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। সাধারণ বিটিআরসি ১২ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে আগের মাসের গ্রাহকের হিসেব জানিয়ে তাদের ওয়েব সাইটে দিয়ে দেয়।

বিটিআরসি একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে অক্টোবর মাসে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় কম দেখানো হয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহক দেখানো হয়েছিল ৪ কোটি ৯ লাখ ৫৪ হাজারে। এক মাস পরে তাদের সেই গ্রাহক আরো খানিকটা কমে গেছে বলে বিটিআরসিকে জানিয়েছে তারা। তবে অক্টোবরের শেষে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ঠিক কতো উল্লেখ করা হয়েছে সেই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

একইভাবে সেপ্টেম্বরের শেষে বাংলালিংকের গ্রাহক ছিল ২ কোটি ৬৭ লাখ ৭৫ হাজার। শুধু সেপ্টেম্বরে তাদের গ্রাহক বেড়েছিল ১০ লাখ ৩২ হাজার। আর অক্টোবরে উল্টো গ্রাহক কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে প্রিয় টেক বাংলালিংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের এক কর্মকর্তা জানান, আগে যেখানে দিনে ১০-১২ হাজার সিম বিক্রি হয়েছে এখন সেটি এক দেড় হাজারের নীচে নেমে এসেছে। তাছাড়া আগের বিক্রি হওয়া সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুটি হিসেব সমন্বয় করে দেখা গেছে তাদের গ্রাহক সংখ্যা কমে গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১২ অক্টোবরের পর থেকে মোবাইল সিমের প্রি-অ্যাক্টিভেশন বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে একটি সিম বিক্রি করতে গেলে পরিচয় নিশ্চিত করার সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরই কেবল সিমটি অ্যাক্টিভ হচ্ছে। নতুন সিম কেনার ক্ষেত্রে এই জটিলতার কারণেই সিম বিক্রি পড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

বাংলালিংকের ওই কর্মকর্তা বলেন, এভাবে গ্রাহক বৃদ্ধি কমলে বা নতুন সিম বিক্রি হওয়া বন্ধ হলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিম ট্যাক্সের টাকা পেতে তাদেরকে চেপে ধরবেন বলেও তাদের ধারণা। কিন্তু এক্ষেত্রে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানোর কোনো সুযোগ নেই। বর্তমানে প্রতিটি সিম বিক্রি থেকে সরকার ৬'শ টাকা ট্যাক্স পায়।

সেপ্টেম্বরে গ্রাহক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মোবাইল খাতে নতুন রেকর্ড হয়েছিল। ওই মাসে পুরনোগুলো বাদ দিয়ে সব মিলে ২৯ লাখ ৩৮ হাজার নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়। আর অক্টোবরে গ্রাহক বৃদ্ধি নেতিবাচক অংকে রূপ নিয়েছে বলেও জানিয়েছে বিটিআরসি।

সৌজন্যে
প্রিয় টেক

Cradle to boost up the signal

Get Cradle @ only tk. 740 to boost up the signal of your connection. Connect your Dongle AX326 with this remote antenna to enjoy the service smoothly. visit http://ollo.com.bd/ or call at 09611016243 to know more details.


দেশের প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ায় থ্রিজি

একটি দেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সঙ্গে থ্রিজি নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির বিষয়টি সম্পর্কিত। ১৪ টি দেশ থেকে সিসকোর সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএসএমএ অ্যান্ড ডেলাটি থ্রিজির উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এ বিষয়টি উঠে এসেছে। এক খবরে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ অনলাইন।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, টুজি নেটওয়ার্কের চেয়ে যদি থ্রিজি নেটওয়ার্কের ব্যবহার ১০ শতাংশ বাড়ে, সেক্ষেত্রে বার্ষিক মাথাপিছু প্রবৃদ্ধির হার ০.১৫ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর থ্রিজি ব্যবহারে মোবাইল তথ্য ব্যবহারের হার যদি দ্বিগুণ হয় সেক্ষেত্রেও গড়ে মাথাপিছু বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে ০.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। যে সব দেশে থ্রিজি ব্যবহার করে তথ্য ব্যবহারের হার বেশি সেখানে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য। এ তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ কোরিয়া। থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে এ দেশগুলোতে মাথাপিছু বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ১.৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। তবে যে দেশগুলোতে মোবাইল ফোনে তথ্য ব্যবহার করার হার এখনও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়েনি, সেখানে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার কম। এ তালিকাভুক্ত দেশগুলো হচ্ছে, ভারত, চীন, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মুঠোফোনে থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের হার যদি ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে সেখানে উত্পাদনশীলতা ৪.২ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সিসকোর গবেষক ড. রবার্ট পিপার এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করার সুবিধা পাচ্ছে, যে কোনো স্থান থেকেই সর্বশেষ তথ্য জানতে পারছে। আর তাতে আমাদের কাজ, জীবনযাপন ও খেলাধুলার বিষয়গুলোর ওপরে এর প্রভাব পড়ছে।
দ্রুতগতির মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা আমাদের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও উত্পাদনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত।

গবেষকেদের দেয়া এক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৯৬ টি দেশে ২০০৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর মোবাইলে তথ্য ব্যবহারের হার গড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
 collected

টেলিকম রোডম্যাপ করবে বিটিআরসি

(প্রিয় টেক) টেলিকমখাতের বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ে একটি বিশেষায়িত রোডম্যাপ করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। কখন কোন লাইসেন্স দেওয়া হবে, কখনো কোন তরঙ্গ উন্মুক্ত করা হবে এসব বিষয় এই রোডম্যাপে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা থাকবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি'র নতুন চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস।

দীর্ঘদিন ধরে রোডম্যাপ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরসহ অন্যান্য অপারেটরগুলোর একটি দাবি ছিল। দাবির পক্ষে তারা সাব সময় যুক্তি দেখিয়েছেন, এর ফলে ব্যবসায় তাদের পরিকল্পনা ও প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। তারা বলছেন, কখন কোন লাইসেন্স আসবে তা জানতে পারলে সে অনুসারে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তা না করে হঠাৎ করে বিটিআরসি বা সরকারের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে সেটি তাদের জন্যে পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিটিআরসি'র চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়ি তারা এ বিষয়ক কার্যক্রম শুরু করবেন। তবে অবশ্যই তা চূড়ান্ত করার আগে অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপরেই সেটি প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে আমাদের লক্ষ্যে এবং অর্জনের পদ্ধতি সম্পর্কে সকলে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে পারবে।

এর আগে জরুরী অবস্থার সময়ে বিটিআরসি প্রশাসন একবার দুই বছরের একটি রোডম্যাপ করেছিল। তখনকার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মঞ্জু্রুল আলম কয়েকটি লাইসেন্স দেওয়া বিষয়ে রোডম্যাপেই প্রথম ঘোষণা দেন। সে অনুসারে বাস্তবায়িতও হয়। ওই রোডম্যাপের শেষ ধাপে ছিল তৃতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি। ২০০৯ সালের শুরুর দিকেই তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অন্যান্য সব কিছু বাস্তবায়িত হলেও এখনো পর্যন্ত থ্রি জি'র লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি এক সাংবাদিকদের একটি ওয়ার্কশপে রোড বিষয়ে জোরালো দাবি জানান গ্রামীণফোনের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইন। তিনি বলেন, সবচেয়ে জরুরী হল স্পেকট্রামের রোডম্যাপ। কারণ এটিই সবচেয়ে দামি জিনিস। তিনি বলেন, ৭'শ মেগাহার্জের তরঙ্গ এখনো সরকার ছাড়েনি। অথচ এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মূল্যবান তরঙ্গ। কবে এটি উন্মুক্ত করা সেটি সবাই জানতে চায়। খুব তাড়াতাড়ি যদি এটি উন্মুক্ত হয়ে যায় তাহলে বাড়তি পয়সা খরচ করে এখন অন্য তরঙ্গ তারা কিনবেন না।

থ্রি জি'র নীতিমালার ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক তাদের দেওয়া সুপারিশেও রোডম্যাপের দাবি জানিয়েছে।

Sorry For Slow Internet : Banglalion

গতকাল থেকে BTRC বিভিন্ন IIG'র ইন্টারনেট ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ করছে। বাংলালায়ন যেসব IIG থেকে সংযোগ নিয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানও এর অন্তর্গত। ফলে বাংলালায়ন গ্রাহকেরাও খুব ধীরগতির ইন্টারনেট সেবার সম্মুখীন হচ্ছেন।

যেহেতু অনেক গ্রাহক এ সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে আমাদের হটলাইনে ফোন করছেন, তাই হটলাইনের সবক'টি সংযোগ ব্যস্ত থাকছে। এ কারণে অনেককেই সংযোগ পেতে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত BTRC এই পর্যবে

ক্ষণ শেষ হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেয়নি। BTRC'র এই পর্যবেক্ষণ শেষ হওয়া মাত্রই ইন্টারনেটের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে বলে আমরা আশা করছি।

বাংলালায়নের নিয়ন্ত্রণ-বহির্ভূত কারণে গ্রাহকদের এই অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

BTRC has started monitoring Internet Traffic of different IIGs. The traffic of Banglalion IIG providers are also being monitored. Due to this reason, Banglalion customers are experiencing extremely slow Internet connectivity from yesterday evening.

Since a huge number of customers are calling our hotline, all our lines are busy. This is causing many of our customers to wait for an unusually long time to get our hotline connection.

BTRC has not specified the end time of this monitoring. We are hoping that Internet speed will be normal again immediately after the monitoring is over.

We apologize for this unintentional inconvenience of our customers caused by a reason beyond our control.

টুজি তরঙ্গ নিলামের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হল ভারত সরকার

(প্রিয় টেক) দ্বিতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স বিক্রয়ের মাধ্যমে ভারত সরকার রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল তার ধারের কাছে পৌঁছাতে পারেনি দেশটি। দেশটি লক্ষ্যমাত্রার এক চতুর্থাংশের কম পরিমাণ অর্থ আদায় করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

সরকার যেখানে ৪০ হাজার কোটি রুপি আয় করবে বলে আশা করেছিল সেখানে মাত্র ৯,৪০৭.৬৭ কোটি রুপি রাজস্ব হিসেবে পেয়েছে।
অপারেটরদের দাবী অত্যধিক মূল্য দাবী করার কারণে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। এছাড়া সীমিত ব্যান্ডউইথের বরাদ্দ প্রদান করায় অনেক প্রতিষ্ঠান নিলামে অংশ নেয় নি। দেশটির সেলুলার অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সেক্রেটারি জেনারেল রাজন ম্যাথিউস বলেন, "যে স্বল্প পরিমাণ তরঙ্গ বরাদ্দের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ... তা নিলামের উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করেছে।"
উচ্চ মূল্য এতটাই প্রভাব বিস্তার করে যে মুম্বাই এবং দিল্লি সহ চারটি সার্কেলের জন্য নিলামে কোন ডাকই পরে নি। নেই সমগ্র ভারতে মোবাইল পরিচালনার জন্য কোন ডাক।
আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াং ইন্ডিয়ার টেলিকম ইনড্রাস্টির লিডার প্রশান্ত সিংঘাল বলেন, "ব্যাপারটা ভারত সরকারের জন্য বিশাল লজ্জার কারণ হয়ে গেল"।

আগামী বছর জিএসএম প্রযুক্তিতে যাচ্ছে সিটিসেল

সেলফোন অপারেটর সিটিসেল আগামী বছর মার্চ নাগাদ গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন্স (জিএসএম) প্রযুক্তির সেবা চালু করার আশা করছে। বর্তমানে কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (সিডিএমএ) প্রযুক্তির সেবাদানকারী দেশের একমাত্র এ সেলফোন অপারেটর এরই মধ্যে নতুন প্রযুক্তি চালু করতে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে আবেদন করেছে।

এ প্রসঙ্গে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী বলেন, জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদনের বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। এটি অনুমোদন হলে দ্রুতই এ সেবা চালু করা সম্ভব হবে। সিটিসেল আগামী বছরের মার্চ নাগাদ জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিটিআরসি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে সিটিসেলের গ্রাহকসংখ্যা ১৬ লাখ ৭৯ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক কমছে। ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন অপারেটর হিসেবে যাত্রা করলেও গ্রাহকসংখ্যার ভিত্তিতে এটি বর্তমানে দেশের ছয় অপারেটরের মধ্যে পঞ্চম।

জিএসএম প্রযুক্তি চালু করতে পারলে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকসংখ্যা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন মেহবুব চৌধুরী। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান যেসব গ্রাহক সিডিএমএ পরিবর্তন করে জিএসএম ব্যবহার করতে আগ্রহী, তাদের হ্যান্ডসেট বদলে দেয়া হবে। প্রসঙ্গত, সিডিএমএর গ্রাহকরা যে হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন, তাতে শুধু সিটিসেলের রিম ব্যবহার করা যায়। ফলে বিশেষ এসব হ্যান্ডসেটে অন্য কোনো অপারেটরের সংযোগ ব্যবহার করা যায় না বা সিটিসেলের সংযোগ অন্য যেকোনো হ্যান্ডসেটেও ব্যবহার করা যায় না। প্রতিষ্ঠানটি জিএসএম প্রযুক্তি চালু করলে গ্রাহক রিমের পরিবর্তে সিম ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি পছন্দ অনুযায়ী হ্যান্ডসেট ব্যবহারের সুযোগও পাবেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে জিএসএম প্রযুক্তির সেবা দিতে তরঙ্গ বরাদ্দের বিষয়ে বিটিআরসির কাছে আবেদন করে সিটিসেল। এতে প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া পাঁচ মেগাহার্টজ সিডিএমএ তরঙ্গ পরিবর্তন করে ইজিএসএম ব্যান্ডে পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ এবং ১ হাজার ৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে অতিরিক্ত পাঁচ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দের আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুকূলে বরাদ্দ তরঙ্গ দিয়ে জিএসএম প্রযুক্তির সেবাদানের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।

গত জুনে বিটিআরসিকে একই বিষয়ে দেয়া অন্য একটি আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে, সিডিএমএ ডিভাইসে ইকোসিস্টেম না থাকায় চেষ্টা সত্ত্বেও জিএসএম অপারেটরের তুলনায় সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার কমছে। ২০০৭ সালে যেখানে সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার ছিল ৪ শতাংশ, তা ২০১২ সাল নাগাদ ২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সিডিএমএ ডিভাইসে ভর্তুকি হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। বিশ্বের অনেক দেশের উদাহরণ দিয়ে এতে উল্লেখ করা হয়, জিএসএম অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এসব দেশে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিটিআরসির একটি সূত্র জানিয়েছে, টুজি লাইসেন্স নবায়ন হলেও এখনো দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি সিটিসেল। ফলে প্রযুক্তি পরিবর্তনের অনুমোদনের বিষয়ে বিটিআরসির মনোভাব ইতিবাচক হলেও এ অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

সৌজন্যে: বণিক বার্তা

টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা উন্মোচন হচ্ছে: সাহারা

দেশে মোবাইলফোনের গ্রাহক ৯ কোটি ছাড়িয়েছে। সরকারের খাতসহায়ক ভূমিকার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ খাতের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। এতে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন সেবার পাশাপাশি ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দ্বারও উন্মোচন হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সাউথ এশিয়ান ক্যারিয়ার মিট-২০১২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস। এতে সভাপতিত্ব করেন সাউথ এশিয়ান ক্যারিয়ার মিট-২০১২-এর আহ্বায়ক ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম রিয়াজ উদ্দিন মোশাররফ। দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ হচ্ছে আজ শনিবার।
সাহারা খাতুন বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়তে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজিসহ অন্যান্য সুবিধা সহজলভ্য করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রাইভেট সেলফোন অপারেটরদেরও থ্রিজি লাইসেন্স দেয়ার বিষয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেতবুনিয়া উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে সেই অগ্রযাত্রার সূচনা হয়েছিল।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশে গত কয়েক বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন আশাব্যঞ্জক। এ খাতে বিভিন্ন নতুন সেবার সূচনা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী কাজ করছেন। বিপুলসংখ্যক এ প্রবাসীর যোগাযোগের প্রয়োজনে এ খাতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ রয়েছে। তবে অবৈধ ভিওআইপির মাধ্যমে এ আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এটি বন্ধে এরই মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অবৈধ ভিওআইপির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি।
সম্মেলনে একাধিক প্ল্যানারি সেশনে টেলিকম খাতের সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে নিবন্ধ উপস্থাপন এবং উপস্থাপিত বিষয়ের ওপর আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন এ খাতের দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞরা। প্রথম দিনের আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ব্রিটিশ টেলিকমিউনিকেশন্সের মহাব্যবস্থাপক মার্ক অ্যামোস, মাল্টিনেট পাকিস্তান প্রাইভেট লিমিটেডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার রশিদ শফি, টাটা কমিউনিকেশন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড চ্যামারস, সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরী, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে লিমিটেডের লে. কর্নেল (অব.) শফিউল হক, এপসিলন টেলিকমিউনিকেশন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আন্দ্রেয়াস হিপ প্রমুখ।
সাউথ এশিয়ান ক্যারিয়ারস মিট ২০১২ আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করছে সেল টেলিকম, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে লিমিটেড, গোল্ডেন টেলিকম, বাংলা টেলিকম লিমিটেড ও সিনক্রোনাস আইসিটি।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা

Robi New PrePaid Package "JOY"

Core Value:
  • For every BDT 21 recharge buy 21 Mins, 21 SMS, 21 MMS and 21 MB Internet as many times as you want
  • First Time in Bangladesh Robi is offering Recharge Based Purchased Offer   

Package & Tariff: JOY 21
  1. Package price: BDT 138
  2. 14 paisa/10 to any operator during 24hrs with 10 sec pulse
  3. SMS charge: 50piasa to all local numbers
  4. International calls: International charge and pulse applicable
  5. 15% VAT applicable in all charges

Activation Bonus
  1. Mins: BDT 21 for any purpose use, to check dial *222# & validity 60 days
  2. SMS: 210 SMS for any local operator, to check dial *222*12# & validity 15 days
  3. Internet: 21 MB Internet, to check dial *222*81# & validity 15 days

TK 4000++ Bonus Value: JOY 21 & All Prepaid Packages
  1. For every BDT 21 Recharge customer can buy Mins: 21 and from that 11 Robi mins & 10 Other Operator Mins, to check dial *222*2# (Robi) & *222*9# (other) SMS: 21 for any operator usage, to check dial *222*12#, Internet: 21 MB, to check dial *222*81#, MMS: 21, to check dial *222*13#. Validity 1 calendar day (00:00:00 hrs to 23:59:59 hrs)
  2. Customer can avail this purchase offer as many times as they want
  3. After recharging BDT 21, customers will not get any TK in his/ her main account.
  4. This recharge offer is applicable for all prepaid packages except Uddokta, Easyload, Corporate, Udday SME, Shasroyee 38, Anonna 27, Symphony package subscribers.



নতুন দিনের ডাক কি শুনেছেন ?
রবি নিয়ে এলো নতুন প্রিপেইড প্যাকেজ ‘জয় ২১’ !!!
বাংলাদেশে এই প্রথম ৳৪০০০++ মূল্যের বোনাস !!!
টাকা ২১ রিচার্জে কিনুন :
>> ২১ মিনিট
>> ২১ MB ইন্টারনেট
>> ২১ টি SMS
>> ২১ টি MMS
প্রতিদিন যত খুশি ততবার !!!

বিস্তারিতঃ
>> নতুন সংযোগমূল্য মাত্র ১৩৮ টাকা
>> নতুন সংযোগ চালু করলেই যেকোন নম্বরে ১৪ পয়সা/১০ সেকেন্ড, দিনরাত ২৪ ঘন্টা
>> আক্টিভেশন বোনাস :
২১ টাকা (যেকোন নম্বরে, মেয়াদ ৬০ দিন)
২১০ SMS (যেকোন নম্বরে, মেয়াদ ১৫ দিন)
২১ MB ইন্টারনেট (মেয়াদ ১৫ দিন)
>> ২১ টাকা রিচার্জে কেনা ১১ মিনিট রবি-রবি নম্বরে এবং ১০ মিনিট যেকোন নম্বরে ব্যবহার করা যাবে । ২১ টি SMS যেকোন নম্বরে প্রযোজ্য ।
>> এই রিচার্জ অফার নতুন প্রিপেইড প্যাকেজ ‘জয় ২১’ সহ সকল রবি প্রিপেইড প্যাকেজের জন্য প্রযোজ্য । (উদ্যোক্তা, কর্পোরেট, ইজিলোড, সাশ্রয়ী ৩৮ এবং অনন্যা ২৭ ব্যতীত)
>> ২১ টাকা রিচার্জের সকল বোনাসের মেয়াদ ১ দিন (ক্যালেন্ডার দিন)
>> বোনাসের মেয়াদ জানতে ডায়াল করুন
মিনিট (রবি-রবি) : *222*2#
মিনিট (রবি-অন্য অপারেটর) : *222*9#
SMS : *222*12#
MMS : *222*13#
ইন্টারনেট : *222*81#
Posted by,

- Copyright © 2013 telecom bd - Metrominimalist - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan | Distributed by Rocking Templates -