Showing posts with label Spotlight. Show all posts

Telenor to launch Firefox smartphones

Norwegian mobile-phone company Telenor ASA has announced partnership with Mozilla, which has launched an operating system for smartphones to challenge Apple’s iOS, Windows Phone and Android.

Mozilla, which is a not-for-profit platform, has rolled out its new offer at a press conference attended by hundreds of journalists from across the world to pave the beginning of the Mobile World Congress in the Spanish tourism city of Barcelona.

It is abuzz with more than 70,000 experts, telecom officials and government representatives.

The four-day global conference began in Barcelona on Monday.

Over 70,000 executives of mobile phone companies, technology service providers, analysts, researchers and policymakers from Bangladesh and many other countries are attending the event.

Organisers say the GSMA Mobile World Congress styled “New Mobile Horizon” is creating opportunities to share knowledge while policy issues would come up in many group meetings and workshops.

The unveiling the Mozilla Firefox OS operating system for the smartphones was just one advancement to mark the opening of the global event.

Telenor, the parent company of Bangladesh’s largest mobile-phone company Grameenphone, has announced its partnership with Mozilla, which is moving towards bringing an open mobile ecosystem to its global business units.

Telenor’s partnership was announced at a time when many other global allies give Mozilla’s Firefox OS a mobile foothold. Apart from Telenor, partners backing the browser-based mobile operating system include phone maker LG Electronics and 17 other mobile network operators across the world. The first phones are due in the second quarter.

The new operating system by Mozilla is expected to mark big changes in the way people interact with mobile devices as it could ditch a closed “ecosystem” as Firefox OS is not a walled garden like Apples’s IOs or Android.

It is based on the open web, which means interacting with many of its HTML5-based apps will be like visiting websites through a browser, opening temporarily as apps, and closing. The phone, in essence, is a browser. Mozilla says Firefox phones will be the world’s first “open web devices.”

Welcoming Mozilla’s move, Telenor says it will include the operation system in Serbia, Montenegro and Hungary, and Firefox OS smartphones will be available to Telenor customers during the second half of the year. Asia will follow. Bangladesh will also be part of it, though it was not immediately clear exactly when.

Telenor has welcomed the move.

“We see a great potential in an open Web-based operating system. With HTML5 at the core of every feature on this phone, you remove barriers to development that are common with existing mobile ecosystems. This opens the door to the wide community of developers, who now have an opportunity to contribute to a new kind of smartphone,” said Jon Fredrik Baksaas, CEO of Telenor.

In a statement Baksaas said Telenor is committed to spreading the mobile Internet among its customers, and by embracing Mozilla’s open Web platform, the global company aims to give more customers a high quality mobile Internet experience, complete with applications that are tailored to local needs.

Development for the phone is in the hands of many, ultimately enriching the experience for the customer, the statement said.

“The cooperation with Mozilla is yet another initiative originating from Telenor Digital Services. We want to bring the smartphone experience to more customers, and by offering an affordable device, with rich and locally relevant apps, we expect to see Firefox OS phones serving as a stimulus for data growth in our markets,” added Baksaas.

“Telenor has been a dedicated partner in bringing Firefox OS to its realization,” said Gary Kovacs, Chief Executive Official of Mozilla.

“Our companies share a common vision of open Web devices powering the mobile experience. We are excited that individuals in Serbia, Montenegro and Hungary will be among the earliest to experience Firefox OS and contribute to its evolution.”

Mozilla won commitments to sell Firefox OS phones from carriers such as America Moovil, China Unicom, Deutsche Telekom, Etisalat, Hutchison Three Group, KDDI, KT, MegaFon, Qtel, SingTel, Smart, Sprint, Telecom Italia Group, Telefonica, Telenor, Telstra, TMN, and VimpelCom.

Handset manufacturers on board are Alcatel, ZTE, LG Electronics, and Huawei, with a boost from chipmaker Qualcomm.

The first phones should arrive in the second quarter of the year, said Mozilla Chief Technology Officer Brendan Eich.

While this is not going to be necessarily a big foothold for Mozilla in the US market, Firefox OS is geared mainly for more-budget-conscious regions as the first markets for the phone will be Brazil, Colombia, Hungary, Mexico, Montenegro, Poland, Serbia, Spain, and Venezuela, Mozilla said.

Telefonica, Mozilla's first and strongest Firefox OS ally, plans to push the phone aggressively in Latin America for customers who want something more powerful than a feature phone but not as expensive as an iPhone.

Its first phones will arrive mid-2013, with new models in late 2013 and 2014, the company said.

As the rivals are very strong, this is not going to be an easy game for Mozilla.

Mozilla is not like other competitors as it uses its software not to please shareholders rather to foster openness on the Web. Still, Mozilla is hamstrung because Firefox has effectively no presence at all in the fast-growing mobile market.

Firefox is not allowed on iOS, and it is not the default on Android, which means Mozilla has little leverage in charting the course of the Web.

And with walled gardens, patent barriers, and proprietary technology so commonplace in the mobile market, it is precisely the area where Mozilla feels the greatest need to inject some openness.

"The world still needs Mozilla," Eich said.

courtasy: bdnews24.com

Singtel will Sell Their Share og Warid Pakistan

singapore based mobile operator providers singtel has a 30% share on warid telecom in pakistan.  Now they are thinking to sell this. Already they have discussed about it with main management of warid telecom.



AbuDhabi Based dhabi group is the main owner of warid. Warid telecom is the third greater telecom company of Pakistan. At before, singtel has bought 30% share against75 core 80 lac dollar. Now they are thinking to sell it for 15 core dollar.

অবৈধ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রামীণফোন

দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন অবৈধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি না নিয়ে মোবিক্যাশসেবার মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধা দিচ্ছে অপারেটরটি। গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গ্রামীণফোনকে এজেন্টদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে টাকা জমা ও উত্তোলনসেবা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মোবিক্যাশের মাধ্যমে তিন ধরনের সেবা দেয়ার অনুমোদন রয়েছে গ্রামীণফোনের। এগুলো হলো— রেল ভ্রমণের টিকিট বিক্রি, ক্রিকেট খেলার টিকিট বিক্রি ও পরিষেবা বিল পরিশোধ। কিন্তু মোবিক্যাশ এ তিন সেবার বাইরেও গ্রাহকদের ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটসেবা দেয়ার জন্য এজেন্টদের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
গ্রামীণফোন অনুমোদনবিহীন ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটসেবা প্রদানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের এজেন্টদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট গ্রামীণফোনের সঙ্গে মোবিক্যাশ এজেন্সি হিসেবে ময়মনসিংহের একটি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, চুক্তির ব্যাপ্তি হলো ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউটসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান। তবে চুক্তিপত্রের কোথাও উল্লেখ নেই, কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সেবা দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাশগুপ্ত অসীম কুমার বলেন, ‘ব্যাংকিং সেবা অবশ্যই ব্যাংকের মাধ্যমে হতে হবে। অপারেটর এ ক্ষেত্রে শুধু সহযোগিতা দিতে পারবে। গ্রামীণফোনের মোবিক্যাশ অনুমোদিত তিন ধরনের সেবার বাইরেও সেবা দিচ্ছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তাই তাদের চিঠি দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে গ্রামীণফোনের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস সৈয়দ তাহমিদ আজিজুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। সে অনুযায়ী এজেন্টদের সঙ্গে চুক্তি সংশোধন করা হয়েছে। এরই মধ্যে আমরা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানিয়েছি, গ্রামীণফোন কোনো ব্যাংকিং করছে না। ব্যাংকের পক্ষে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে।’
বঞ্চিত জনগণের কাছে ব্যাংকিং সেবা সুবিধা পৌঁছে দিতে গত বছর ৩১ মার্চ বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয়। এ-সংক্রান্ত নীতিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, এ সেবা অবশ্যই ব্যাংকের মাধ্যমে দিতে হবে। মোবাইল অপারেটররা শুধু প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ঘটছে এর উল্টোটা।
মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনুমোদনেরও প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, টুজি লাইসেন্স নবায়নের আগে টিকিট বিক্রি ও বিল পরিশোধের জন্য মোবিক্যাশের অনুমোদন নিয়েছিল গ্রামীণফোন। তবে এর মাধ্যমে টাকা আদান-প্রদান অর্থাৎ ব্যাংকিংয়ের কোনো অনুমোদন ছিল না। কিন্তু টুজি লাইসেন্স নবায়নের পর তারা আর এ সেবার অনুমোদন নবায়ন করেনি। কাজেই মোবিক্যাশের সেবা প্রদান অবশ্যই অনুমোদনবিহীন।
মোবিক্যাশ এজেন্টদের সঙ্গে গ্রামীণফোনের চুক্তি অনুযায়ী, সেবার মাধ্যম হিসেবে কোনো ব্যাংক না থাকায় মোবিক্যাশ এজেন্টরা পুরোপুরি গ্রামীণফোনের নিয়ন্ত্রণে।
মোবিক্যাশের এজেন্ট বরগুনার রহমান বিজনেস কর্নারের স্বত্বাধিকারী আবুল বাশার বলেন, ‘গেল মাসের শেষ দিকে আমি গ্রামীণফোনের মোবিক্যাশের এজেন্সি নিয়েছি। চুক্তি অনুযায়ী কয়েক দিন ধরে আমরা ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটসেবা দিয়ে যাচ্ছি।’
এদিকে মোবিক্যাশ এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ব্যবহূত এক ম্যানুয়ালে উল্লেখ করা হয়েছে— মোবিক্যাশ গ্রামীণফোনের একটি ব্র্যান্ড, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটসেবার মাধ্যমে এজেন্টদের প্রথম ধাপে ১৭ দশমিক ৫৭, দ্বিতীয় ধাপে ২৮ দশমিক ৫৪ ও তৃতীয় ধাপে ৪২ দশমিক ৯৪ শতাংশ মুনাফা করার সুযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রণীত মোবাইলে আর্থিক সেবা নীতিমালার ৬ ধারায় আছে— বিশ্বব্যাপী ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত দুই মাধ্যমেই মোবাইলের সাহায্যে আর্থিক সেবা প্রদানের বিধান রয়েছে। তবে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শুধু ব্যাংকের মাধ্যমে এ সেবা দেয়া যাবে।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা।

৩ কোটি ৮৩ লাখ সিম অকার্যকর

(প্রিয় টেক) ওয়ারিদ থেকে এয়ারটেল হওয়ার মাঝে এ পর্যন্ত এক কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮৬৯টি সিম বিক্রি করেছে কোম্পানিটি। তার মধ্যে অক্টোবরের শেষ দিন পর্যন্ত কার্যকর সিমের সংখ্যা ৬৮ লাখ ৭৮ হাজার ১৮৯টি। তাদের দেওয়া হিসেব অনুসারে মোট বিক্রি হওয়া সিমের ৫৩ দশমিক ৯৯ শতাংশই অকার্যকর।

প্রতি মাসের শেষে অপারেটরগুলো বিটিআরসিতে যে হিসেব দেয় সেখান থেকেই পাওয়া গেছে এই তথ্য। তবে এর মধ্যে বিটিআরসি কেবল কার্যকর মিসের হিসেবটিই প্রকাশ করে। বিক্রি হওয়া সিম আর অকার্যকর সিমের সংখ্যা কখনোই তারা হিসেবে উল্লেখ করে না।
আবার অকার্যকর সিমের সংখ্যার বিবেচনায় অবশ্য সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলালিংক। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ১ কোটি ৪২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৭৩টি সিম অকার্যকর থেকেছে বলে জানা পাওয়া গেছে। বাংলালিংক বিটিআরসিকে জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত ৪ কোটি ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৩৭৩টি সিম বিক্রি করেছে। যার মধ্যে এখনো পর্যন্ত কার্যকর আছে ২ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার ৪০০টি। এক মাস আগেও তাদের অকার্যকর সিম ছিল ছিল ১ কোটি ৩৭ লাখ ১৭ হাজার ৭৫১টি। অক্টোবর মাসে এর সঙ্গে আরো ৫ লাখ ২৭ হাজার সিম নতুন করে অকার্যকরের তালিকায় উঠেছে।
এর আগে অবশ্য কার্যকর আর অকার্যকর সিমের ক্ষেত্রে একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দিয়েছে বিটিআরসি। ২০০৯ সালের অক্টোবরে বিটিআরসি সব অপারেটরকে জানিয়ে দেয় যে কোনো একটি সিম টানা তিন মাস একটিবারের জন্যেও ব্যবহার না হলে সেটিকে অকার্যকর হিসেব গণ্য করতে হবে।
এই হিসেবে দেশে এখন মোট অকার্যকর সিম আছে ৩ কোটি ৮৩ লাখ ১০ হাজার ৮৭৫টি। সঙ্গে কার্যকর সিম আছে ৯ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ২৫টি। এক মাস আগেও (সেপ্টেম্বর) তাদের অকার্যকর সিম ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৯ হাজার ২৩৯টি।
বিটিআরসি বলছে, তিন মাস নয়; এক মাসের মধ্যে কোনো একটি সিমে যদি কোনো এসএমএস বা কল না হয় তাহলেই সেটিকে অকার্যকরের তালিকায় নেওয়া উচিৎ। এ বিষয়ে বিটিআরসি'র এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অহেতুক প্রচার করা হচ্ছে যে দেশের মোট মোবাইল গ্রাহক ১০ কোটি প্রায়। এই নিয়ম চালু করা হলে প্রকৃত গ্রাহকের সংখ্যা অনেক কমে আসবে।
বিটিআরসি'র কাছ থেকে পাওয়া ওই হিসেবে দেখা গেছে, সবচেয়ে কম অকার্যকর সিম আছে সিটিসেলের, ৯৯ হাজার ২৮০টি। দেশের সবচেয়ে পুরনো এই অপারেটর বর্তমান কার্যকর সিম আছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ৫২১টি। টেলিটকের কার্যকর সিম ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯৭টির বিপরীতে অকার্যকর সিম আছে ১৭ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৭টি। এই অপারেটটির এ পর্যন্ত ৩১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৪টি সিম বিক্রি করলেও তার মধ্যে ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশই তাদেরকে নানা কারণে ছেড়ে গেছে। তবে ভিওআইপি'র অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কারণেও তাদেরকে অনেক সিম বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
অকার্যকর সিমের বিবেচনায় সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে দেশের শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোন। তাদের ৪ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৫৫১টি কার্যকর সিমের বিপরীতের অক্টোবরের শেষে অকার্যকর সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫০৪টি। তবে অক্টোবর মাসে তাদের অকার্যকর সিমের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের শেষে অকার্যকর সিম ছিল তাদের ৪৪ লাখ ৭ হাজার ২৬১টি।
তবে একমাত্র অপারেটর হিসেবে সেপ্টেম্বরের তুলনা অক্টোবরে অকার্যকর সিম কমিয়ে আনতে পেরেছে কেবল রবি। সেপ্টেম্বর মাসের শেষে তাদের অকার্যকর সিম ছিল ৯৭ লাখ ২৯ হাজার ৪৯টি। আর অক্টোবরের শেষে তারা সেটি ৯৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১টিতে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়।
অপারেটরটির এক ভাইস প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে প্রিয় টেককে বলেন, এই সময়ে তারা পুরনো সিম ব্যবহার করার ওপরে অনেক বড় বড় অফার দিয়েছেন। সে কারণে বন্ধ করেও আবার অনেক গ্রাহক তাদের কাছে ফেরত এসেছেন।
অকার্যকর সিম কার কতো
অপারেটর    প্রিপেইড                   পোস্টপেইড      মোট
বাংলালিংক   ১,৩৩,৪৫,২১৯ ৮,৯৯,৭৫৪ ১,৪২,৪৪,৯৭৩
রবি ৯৪,৭২,২৮৬ ১,৬৭,২৮৫ ৯৬,৩৯,৫৭১
এয়ারটেল    ৭৭,৮৭,৩৪৩ ২,৮২,৩৩৭ ৮০,৬৯,৬৮০
গ্রামীণফোন - - ৪৪,৮৯,৫০৪
টেলিটক ১৭,৪৭,২৮৭ ২০,৫৮০ ১৭,৬৭,৮৬৭
সিটিসেল ৯৫,৯৬০ ৩,৩২০ ৯৯,২৮০

Mobile Subscriber After October 2012

Total Active Mobile Phone Subscribers at the end of October 2012:

01. Grameenphone Ltd. (GP): 4 core 6 lac 87 thousands.

02. Orascom Telecom Bangladesh Limited (Banglalink): 2 core 66 lac 20 thousands.

03. Robi Axiata Limited (Robi): 2 core 11 lac 17 thousands.

04. Airtel Bangladesh Limited (Airtel): 68 lac 78 thousands.

05. Pacific Bangladesh Telecom Limited (Citycell): 16 lac 24 thousands.

06. Teletalk Bangladesh Ltd. (Teletalk): 13 lac 68 thousands.

#Total number of Subscribers are 9 core 82 lac 93 thousands.
 
 

রবিকে ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা কম জরিমানা করার অভিযোগ

(প্রিয় টেক) নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি'র অনুমোদন ছাড়া কোম্পানির নাম পরিবর্তন করায় দেশের তৃতীয় মোবাইল ফোন অপারেটর আজিয়াটা বাংলাদেশ লিঃ-কে অন্তত ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা কম জরিমানা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক। বিটিআরসি'র ২০০৯-২০১০ অডিট প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়।

অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানির নাম পরিবর্তন করা হলে তার জন্যে ৫'শ কোটি টাকা জরিমানা করার বিধান থাকলেও বিটিআরসি তাদেরকে মাত্র ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে। তাতে করে সরকারের ৪৯৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অডিট প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে বিটিআরসি যে ব্যাখ্যা দিয়েছে তা সন্তোষজনক নয়।

এ প্রেক্ষাপটে আজিয়াটা বাংলাদেশ লি: এর নিকট হতে উক্ত অর্থ কেন আদায় করা হবে না তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে নতুবা সমুদয় টাকা আদায় করে তার প্রমাণপত্রসহ অগ্রগতি অডিট অফিসে প্রেরণের জন্যে বলা হয়েছে।

তবে বিটিআরসি বলছে, যা কিছু করা হয়েছে দেশের প্রচলিত আইন এবং বিধিবিধান মেনে করা হয়েছে। এখানে সরকারের কোনো আর্থিক ক্ষতি হয়নি। আর আজিয়াটা বাংলাদেশ লি: রবি বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

জানা গেছে, আগে রবি'র মূল কোম্পানির নাম ছিল TM International (Bangladesh) Limited (TMIB)। পরে ২০০৯ সালের ১৫ মে এই পরিবর্তন করে আজিয়াটা বাংলাদেশ লি: করা হয়। বিটিআরসি'র কাছ থেকে কোনো রকম অনুমোদন না নিয়ে নাম পরিবর্তন করে তারা। অথচ এ বিষয়ে আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরে একই বছরের ১৬ জুন বিটিআরসিকে অবহিত করে তারা। এর ফলে টিএমআইবি এর সঙ্গে বিটিআরসি'র লাইসেন্সের যে চুক্তি ছিল তার ১১ দশমিক ৬ এবং ২০ নং ধারা লঙ্ঘিত হয়।

অডিট দল বলছে, সরকার ১৯৯৬ সালের ১১ নভেম্বর এই চুক্তিতে তাদেরকে লাইসেন্স দেয় এবং ২০০৪ সালের ১১ অক্টোবর তাদের সঙ্গে পুনরায় লাইসেন্স চুক্তি সম্পন্ন করে। এই অন্যায়ের প্রেক্ষিতে বিটিআরসি তাদের ৭৮তম বোর্ড মিটিংয়ে ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইন মোতাবেক ৩ লক্ষ টাকা প্রশাসনিক জরিমানা আদায় এবং ভবিষ্যতে লাইসেন্সের বিধি বহির্ভূত কোনরূপ কাজ করবেনা মর্মে কঠোরভাবে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে সেটি বাস্তবায়িতও হয়।

কিন্তু অডিট দল বলছে, ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইনে এই অপরাধের জন্যে তিন লাখ টাকা জরিমানার কথা বলা থাকলেও ২০০৮ সালের ৫৮নং অধ্যাদেশে এই আইনটির সংশোধনী আনা হয়। সেখানে সুস্পষ্টরূপে এই অপরাধে তিন লাখ টাকা জরিমানার বদলে ৫'শ কোটি টাকা করা হয়েছে। পরে ২২ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখ থেকে সেটি কার্যকর হয়।

এ বিষয়ে বিটিআরসি'র ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ প্রিয় টেককে বলেন, এটি এমন সময়ের ঘটনা যখন তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন না। তারপরেও কাগজপত্র দেখে যতদূর বুঝেছেন তাতে অনিয়ম হয়নি। কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, অধ্যাদেশ জারি করলেও পরের সরকার এসে সেটি গ্রহণ করেনি। পরে আইন সংশোধন করতে সময় লেগেছে। সে কারণে তিন লাখ টাকা জরিমানা করারই যুক্তিযুক্ত রয়েছে।

একই বিষয়ে রবি'র শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চার্জ নির্ধারণ করেছে বিটিআরসি

গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের চার্জ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ব্যাংকগুলোর কাছে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে বিটিআরসি। এতে বলা হয়, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকদের অর্থ জমা ও উত্তোলনে ১ শতাংশ হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বিকাশে টাকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন চার্জ না নিলেও উত্তোলনের সময় ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ অর্থ কেটে রাখা হয়। আর ডাচ-বাংলা ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা জমা দেয়ার ক্ষেত্রে ১ শতাংশ এবং উত্তোলনের সময় ২ শতাংশ চার্জ হিসেবে কেটে রাখে।

এ প্রসঙ্গে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, চার্জ নির্ধারণ করে দেয়া সংক্রান্ত বিটিআরসির নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। শিগগিরই আমরা তা বাস্তবায়ন করব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিষ্ঠান বিকাশ ২০১১ সালের জুলাইয়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। এ সেবায় তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। আর ডাচ-বাংলা ব্যাংক এ সেবা চালু করে ওই বছরের মে মাসে। এখন তাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ।

অপরদিকে, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রাইম ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক এ সেবা চালু করলেও তারা তেমন একটি গ্রাহক তৈরি করতে পারেনি।

সংগ্রহকৃত

গ্রাহক বৃদ্ধির রেকর্ডের পর এবার গ্রাহক কমার রেকর্ড

এক মাসে গ্রাহক বৃদ্ধির রেকর্ড হলেও পরের মাসে আবার নতুন গ্রাহকরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। অক্টোবর মাসে দেশের শীর্ষ দুই অপারেটর গ্রামীণফোন এবং বাংলালিংকের একই সঙ্গে গ্রাহক বাড়ার বদলে কমে গিয়েছে। অক্টোবর মাসে কেনো তাদের গ্রাহক বৃদ্ধি না পেয়ে উল্টো কমে গেল সেই কারণ জানতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি অপারেটর দুটির কাছে কৈফিয়ত চাইছে। বৃহস্পতিবারই এ বিষয়ে বিটিআরসি অপারেটর দুটিকে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।

এই জটিলতায় প্রতি মাসে বিটিআরসি যে গ্রাহক সংখ্যার হিসেব প্রকাশ করে সেটি এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। সাধারণ বিটিআরসি ১২ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে আগের মাসের গ্রাহকের হিসেব জানিয়ে তাদের ওয়েব সাইটে দিয়ে দেয়।

বিটিআরসি একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে অক্টোবর মাসে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় কম দেখানো হয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষে গ্রামীণফোনের গ্রাহক দেখানো হয়েছিল ৪ কোটি ৯ লাখ ৫৪ হাজারে। এক মাস পরে তাদের সেই গ্রাহক আরো খানিকটা কমে গেছে বলে বিটিআরসিকে জানিয়েছে তারা। তবে অক্টোবরের শেষে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ঠিক কতো উল্লেখ করা হয়েছে সেই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

একইভাবে সেপ্টেম্বরের শেষে বাংলালিংকের গ্রাহক ছিল ২ কোটি ৬৭ লাখ ৭৫ হাজার। শুধু সেপ্টেম্বরে তাদের গ্রাহক বেড়েছিল ১০ লাখ ৩২ হাজার। আর অক্টোবরে উল্টো গ্রাহক কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে প্রিয় টেক বাংলালিংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের এক কর্মকর্তা জানান, আগে যেখানে দিনে ১০-১২ হাজার সিম বিক্রি হয়েছে এখন সেটি এক দেড় হাজারের নীচে নেমে এসেছে। তাছাড়া আগের বিক্রি হওয়া সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুটি হিসেব সমন্বয় করে দেখা গেছে তাদের গ্রাহক সংখ্যা কমে গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১২ অক্টোবরের পর থেকে মোবাইল সিমের প্রি-অ্যাক্টিভেশন বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে একটি সিম বিক্রি করতে গেলে পরিচয় নিশ্চিত করার সকল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরই কেবল সিমটি অ্যাক্টিভ হচ্ছে। নতুন সিম কেনার ক্ষেত্রে এই জটিলতার কারণেই সিম বিক্রি পড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

বাংলালিংকের ওই কর্মকর্তা বলেন, এভাবে গ্রাহক বৃদ্ধি কমলে বা নতুন সিম বিক্রি হওয়া বন্ধ হলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিম ট্যাক্সের টাকা পেতে তাদেরকে চেপে ধরবেন বলেও তাদের ধারণা। কিন্তু এক্ষেত্রে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানোর কোনো সুযোগ নেই। বর্তমানে প্রতিটি সিম বিক্রি থেকে সরকার ৬'শ টাকা ট্যাক্স পায়।

সেপ্টেম্বরে গ্রাহক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মোবাইল খাতে নতুন রেকর্ড হয়েছিল। ওই মাসে পুরনোগুলো বাদ দিয়ে সব মিলে ২৯ লাখ ৩৮ হাজার নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়। আর অক্টোবরে গ্রাহক বৃদ্ধি নেতিবাচক অংকে রূপ নিয়েছে বলেও জানিয়েছে বিটিআরসি।

সৌজন্যে
প্রিয় টেক

দেশের প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ায় থ্রিজি

একটি দেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সঙ্গে থ্রিজি নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির বিষয়টি সম্পর্কিত। ১৪ টি দেশ থেকে সিসকোর সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএসএমএ অ্যান্ড ডেলাটি থ্রিজির উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এ বিষয়টি উঠে এসেছে। এক খবরে জানিয়েছে টেলিগ্রাফ অনলাইন।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, টুজি নেটওয়ার্কের চেয়ে যদি থ্রিজি নেটওয়ার্কের ব্যবহার ১০ শতাংশ বাড়ে, সেক্ষেত্রে বার্ষিক মাথাপিছু প্রবৃদ্ধির হার ০.১৫ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর থ্রিজি ব্যবহারে মোবাইল তথ্য ব্যবহারের হার যদি দ্বিগুণ হয় সেক্ষেত্রেও গড়ে মাথাপিছু বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে ০.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। যে সব দেশে থ্রিজি ব্যবহার করে তথ্য ব্যবহারের হার বেশি সেখানে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য। এ তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ কোরিয়া। থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে এ দেশগুলোতে মাথাপিছু বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ১.৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। তবে যে দেশগুলোতে মোবাইল ফোনে তথ্য ব্যবহার করার হার এখনও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়েনি, সেখানে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার কম। এ তালিকাভুক্ত দেশগুলো হচ্ছে, ভারত, চীন, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মুঠোফোনে থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের হার যদি ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে সেখানে উত্পাদনশীলতা ৪.২ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সিসকোর গবেষক ড. রবার্ট পিপার এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করার সুবিধা পাচ্ছে, যে কোনো স্থান থেকেই সর্বশেষ তথ্য জানতে পারছে। আর তাতে আমাদের কাজ, জীবনযাপন ও খেলাধুলার বিষয়গুলোর ওপরে এর প্রভাব পড়ছে।
দ্রুতগতির মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা আমাদের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও উত্পাদনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত।

গবেষকেদের দেয়া এক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৯৬ টি দেশে ২০০৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর মোবাইলে তথ্য ব্যবহারের হার গড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
 collected

টেলিকম রোডম্যাপ করবে বিটিআরসি

(প্রিয় টেক) টেলিকমখাতের বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ে একটি বিশেষায়িত রোডম্যাপ করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। কখন কোন লাইসেন্স দেওয়া হবে, কখনো কোন তরঙ্গ উন্মুক্ত করা হবে এসব বিষয় এই রোডম্যাপে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা থাকবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসি'র নতুন চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস।

দীর্ঘদিন ধরে রোডম্যাপ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরসহ অন্যান্য অপারেটরগুলোর একটি দাবি ছিল। দাবির পক্ষে তারা সাব সময় যুক্তি দেখিয়েছেন, এর ফলে ব্যবসায় তাদের পরিকল্পনা ও প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। তারা বলছেন, কখন কোন লাইসেন্স আসবে তা জানতে পারলে সে অনুসারে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তা না করে হঠাৎ করে বিটিআরসি বা সরকারের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে সেটি তাদের জন্যে পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিটিআরসি'র চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়ি তারা এ বিষয়ক কার্যক্রম শুরু করবেন। তবে অবশ্যই তা চূড়ান্ত করার আগে অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপরেই সেটি প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে আমাদের লক্ষ্যে এবং অর্জনের পদ্ধতি সম্পর্কে সকলে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে পারবে।

এর আগে জরুরী অবস্থার সময়ে বিটিআরসি প্রশাসন একবার দুই বছরের একটি রোডম্যাপ করেছিল। তখনকার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মঞ্জু্রুল আলম কয়েকটি লাইসেন্স দেওয়া বিষয়ে রোডম্যাপেই প্রথম ঘোষণা দেন। সে অনুসারে বাস্তবায়িতও হয়। ওই রোডম্যাপের শেষ ধাপে ছিল তৃতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি। ২০০৯ সালের শুরুর দিকেই তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অন্যান্য সব কিছু বাস্তবায়িত হলেও এখনো পর্যন্ত থ্রি জি'র লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি এক সাংবাদিকদের একটি ওয়ার্কশপে রোড বিষয়ে জোরালো দাবি জানান গ্রামীণফোনের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইন। তিনি বলেন, সবচেয়ে জরুরী হল স্পেকট্রামের রোডম্যাপ। কারণ এটিই সবচেয়ে দামি জিনিস। তিনি বলেন, ৭'শ মেগাহার্জের তরঙ্গ এখনো সরকার ছাড়েনি। অথচ এটিই সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মূল্যবান তরঙ্গ। কবে এটি উন্মুক্ত করা সেটি সবাই জানতে চায়। খুব তাড়াতাড়ি যদি এটি উন্মুক্ত হয়ে যায় তাহলে বাড়তি পয়সা খরচ করে এখন অন্য তরঙ্গ তারা কিনবেন না।

থ্রি জি'র নীতিমালার ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক তাদের দেওয়া সুপারিশেও রোডম্যাপের দাবি জানিয়েছে।

টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা উন্মোচন হচ্ছে: সাহারা

দেশে মোবাইলফোনের গ্রাহক ৯ কোটি ছাড়িয়েছে। সরকারের খাতসহায়ক ভূমিকার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ খাতের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। এতে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন সেবার পাশাপাশি ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দ্বারও উন্মোচন হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সাউথ এশিয়ান ক্যারিয়ার মিট-২০১২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস। এতে সভাপতিত্ব করেন সাউথ এশিয়ান ক্যারিয়ার মিট-২০১২-এর আহ্বায়ক ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম রিয়াজ উদ্দিন মোশাররফ। দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ হচ্ছে আজ শনিবার।
সাহারা খাতুন বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়তে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজিসহ অন্যান্য সুবিধা সহজলভ্য করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রাইভেট সেলফোন অপারেটরদেরও থ্রিজি লাইসেন্স দেয়ার বিষয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেতবুনিয়া উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে সেই অগ্রযাত্রার সূচনা হয়েছিল।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশে গত কয়েক বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন আশাব্যঞ্জক। এ খাতে বিভিন্ন নতুন সেবার সূচনা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী কাজ করছেন। বিপুলসংখ্যক এ প্রবাসীর যোগাযোগের প্রয়োজনে এ খাতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ রয়েছে। তবে অবৈধ ভিওআইপির মাধ্যমে এ আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এটি বন্ধে এরই মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অবৈধ ভিওআইপির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি।
সম্মেলনে একাধিক প্ল্যানারি সেশনে টেলিকম খাতের সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে নিবন্ধ উপস্থাপন এবং উপস্থাপিত বিষয়ের ওপর আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন এ খাতের দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞরা। প্রথম দিনের আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ব্রিটিশ টেলিকমিউনিকেশন্সের মহাব্যবস্থাপক মার্ক অ্যামোস, মাল্টিনেট পাকিস্তান প্রাইভেট লিমিটেডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার রশিদ শফি, টাটা কমিউনিকেশন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড চ্যামারস, সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরী, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে লিমিটেডের লে. কর্নেল (অব.) শফিউল হক, এপসিলন টেলিকমিউনিকেশন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আন্দ্রেয়াস হিপ প্রমুখ।
সাউথ এশিয়ান ক্যারিয়ারস মিট ২০১২ আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করছে সেল টেলিকম, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে লিমিটেড, গোল্ডেন টেলিকম, বাংলা টেলিকম লিমিটেড ও সিনক্রোনাস আইসিটি।
সৌজন্যে: বণিক বার্তা

আগামী বছর চালু হচ্ছে মোবাইল নাম্বার পোর্ট্যাবিলিটি (এমএনপি)

আগামী বছর চালু হচ্ছে মোবাইল নাম্বার পোর্ট্যাবিলিটি (এমএনপি)। ফলে বিদ্যমান নম্বর ঠিক রেখেই যেকোনো অপারেটরের সেবা নিতে পারবেন গ্রাহক। এতে সেলফোন অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে সেবার মানও।
এমএনপি নীতিমালা তৈরির কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশনের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বণিক বার্তাকে বলেন, এমএনপি চালুর কাজ শুরু হয়েছে। এ খাতে সেবার মান বাড়াতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে বিটিআরসি। গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতেই এটি প্রয়োজন। সেবাটি চালু করতে বেশকিছু প্রযুক্তিগত দিক রয়েছে। এগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে থ্রিজি চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। থ্রিজি লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগামী বছর এমএনপি চালু করা হবে।
একজন গ্রাহকের একটি নম্বরের মাধ্যমে যেকোনো সেলফোন অপারেটরের সেবাগ্রহণের সক্ষমতা এমএনপি নামে পরিচিত। এটি চালু হলে গ্রাহক তার বর্তমান নম্বরটি ঠিক রেখে অন্য যেকোনো অপারেটরের গ্রাহক হতে পারবেন। অর্থাৎ অপারেটর পরিবর্তন করলেও গ্রাহকের আগের নম্বরটি ঠিক থাকবে। ফলে গ্রাহক নম্বর পরিবর্তন না করেই অপারেটরদের দেয়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও কলচার্জ বিবেচনা করে প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো অপারেটরের সেবা নিতে পারবেন। এতে পুরনো সংযোগ ও সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্নতা এড়াতে পারবেন গ্রাহক।
বর্তমানে নম্বর দেখে যেভাবে কোনো সেলফোন অপারেটরকে চিহ্নিত করা যায়, এমএনপি চালু হলে তা সম্ভব হবে না। এটি চালু হলে গ্রাহকের ফোন নম্বরের প্রথম অংশটি পুরোপুরি গৌণ হয়ে যাবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমএনপি চালুর ক্ষেত্রে ভিন্ন দুটি পদ্ধতি চালু রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিজেই এমএনপিসেবা নিয়ন্ত্রণ করে অথবা তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এমএনপিসেবা দেয়া হয়। জানা গেছে, দেশে এমএনপি চালু করতে তৃতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হবে। এমএনপি নীতিমালা চূড়ান্ত হলে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এ লাইসেন্স দেয়া হবে।
এ্র প্রসঙ্গে রবির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদুর রহমান বলেন, গ্রাহকের কাছে এ ধরনের সেবার চাহিদা আছে কি না, তা দেখতে হবে। এ জন্য বাজার বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে।
এমএনপি চালুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি নীতিমালাও দরকার।
টেলিকমসেবায় গতি আনতে বিশ্বের অনেক দেশে এরই মধ্যে এমএনপি চালু হয়েছে। মূলত সেলফোন অপারেটরের মনোপলির সুযোগ কমিয়ে আনতে এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা বাড়াতে এটি চালু করা হয়েছে। এটি চালু হয়েছে, এমন দেশগুলোয় অপারেটরের মধ্যে প্রতিযোগিতা তুলনামূলকভাবে বেশি। গ্রাহক ধরে রাখতে প্রত্যেক অপারেটরই সেবার মানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সামগ্রিকভাবে লাভবান হন গ্রাহক। তবে এমএনপি চালুর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রায় সব দেশের সেলফোন অপারেটরের মধ্যেই প্রাথমিকভাবে অনীহা থাকে।
এমএনপি সুবিধা প্রথম চালু হয় সিঙ্গাপুরে। দেশটিতে ১৯৯৭ সালে সেবাটি চালু হয়। বর্তমানে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে এ সেবা চালু রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এমএনপি সবার আগে চালু করে পাকিস্তান। ২০০৭ সালের মার্চে পাকিস্তানে সেবাটি চালু হয়। ভারতে এটি চালু হয় ২০১০ সালের নভেম্বরে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমএনপি চালু হলে তুলনামূলক লাভবান হবে গ্রাহকসংখ্যার বিচারে ছোট অপারেটররা। কারণ সেবার মানে সন্তুষ্ট না হলেও অনেক সময়ই বড় অপারেটরের গ্রাহকরা নম্বর পরিবর্তনের ঝামেলায় যেতে চান না। গ্রাহকসংখ্যা বেশি হওয়ায় বড় অপারেটরদের এমন গ্রাহকের সংখ্যা স্বভাবতই বেশি। ফলে এমএনপি চালু হলে এ ধরনের গ্রাহক নম্বর পরিবর্তন না করে অন্য অপারেটরের সেবা নিতে পারবেন। এতে বড় অপারেটররা বেশ কিছু গ্রাহক হারাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

থ্রিজি প্রযুক্তিসেবার জন্য নিলামের সর্বনিম্ন মূল্য দুই কোটি মার্কিন ডলার

তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মুঠোফোন-প্রযুক্তিসেবার জন্য নিলামের সর্বনিম্ন মূল্য বা ন্যূনতম দর (বিড মানি) দুই কোটি মার্কিন ডলারের প্রস্তাব করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস প্রথম আলো ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘থ্রিজি নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’ থ্রিজি সম্পর্কিত খসড়া নীতিমালায় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য বিড মানি নির্ধারণ করা হয়েছিল তিন কোটি মার্কিন ডলার। তাতে পাঁচ মুঠোফোন অপারেটরের জন্য ১০ মেগাহার্টজ করে মোট ৫০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামের উল্লেখ করা হয়।
এখন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি মেগাহার্টজে এক কোটি মার্কিন ডলার কমানো হলে নিলামে মোট ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিড মানি কম আসবে। অপারেটরদের জন্য থ্রিজির লাইসেন্স মূল্যও কমে আসবে।
চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস বলেছেন, থ্রিজি খসড়া নীতিমালা নিয়ে সাধারণ অংশীদার, বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। মুঠোফোন অপারেটররা থ্রিজি লাইসেন্স নেওয়ার পর যাতে গ্রাহক সুলভ মূল্যে সেবা পায়, তা বিবেচনা করেই প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
এদিকে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চলতি মাসেই প্রাথমিকভাবে নীতিমালা চূড়ান্ত করে বিটিআরসির কাছে পাঠানো হবে। সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করার।
আর নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই বিটিআরসি থ্রিজি নিলামের জন্য প্রস্তুতি নেবে বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আগামী বছরের শুরুতেই থ্রিজি লাইসেন্স নিলামের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতির কাজ জোরেশোরে চলছে।
পাঁচটি অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ২৮ মার্চ থ্রিজি সেবা লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিটিআরসি।

সাড়া নেই টেলিটক থ্রিজিতে

দেশে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল ফোন চালু হলে যতটা সাড়া পড়বে বলে আশা করা হয়েছিল তা হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানার মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিক্রির জন্য এক লাখ সিম বাজারে ছাড়লেও দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়ে বিক্রি হয়েছে মাত্র কয়েক হাজার। আবার থ্রিজি সেবা ব্যবহার হচ্ছে এমন সিমের সংখ্যা আরও কম। বর্তমানে থ্রিজি নেটওয়ার্কে কত সিম চালু রয়েছে সেটি বলতে রাজি হননি টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, এ সময়ে তাদের প্রত্যাশা অনুসারে সব কিছু হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৪ অক্টোবর টেলিটকের থ্রিজি সেবার 'পরীক্ষামূলক' বাণিজ্যিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরদিন থেকেই সিম বিক্রি শুরু করেছে অপারেটরটি। এর আগে ২০০৫ সালে টেলিটকের যাত্রার সময় যেভাবে একটি সিমের জন্য সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন এবারও নতুন প্রযুক্তির সুবিধা নিতে তেমনটা হবে বলে ধারণা করেছিলেন অনেকে। তবে গ্রাহকদের আগ্রহ না থাকায় বদলে গেছে সব হিসাব আর পরিকল্পনা।

বাঁধ ভেঙ্গে দাও স্লোগান নিয়ে বাজারে নামলেও সেই বাঁধ আর ভাঙ্গা যাচ্ছে না।

দেশে মোবাইল ফোন সেবার নতুন এ প্রযুক্তি সম্পর্কে সাধারণ গ্রাহকদের খুব বেশি তথ্য জানা না থাকার বিষয়টি থ্রিজির কাটতিতে বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে অনেকে মনে করছেন। একই সঙ্গে এ জন্য কিছুটা ব্যয়বহুল মোবাইলসেটের ব্যবহার প্রয়োজন হওয়ায় আগ্রহ থাকলেও অনেক গ্রাহক এ সেবা নিচ্ছেন না।

রাজধানীতে টেলিটকের বেশ কয়েকটি গ্রাহক সেবা (কাস্টমার কেয়ার) কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, একেকটি কেন্দ্রে থ্রিজি সিম বিক্রি হয়েছে মাত্র দুই থেকে তিনশ' করে। মঙ্গলবার পল্টন কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত তিনশ' সিম বিক্রি করেছেন তারা। ঢাকার নয়টি কেন্দ্রে সব মিলে বিক্রি হওয়া সিমের সংখ্য তিন হাজারের বেশি হবে না বলে নিশ্চিত করেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা বলেন, প্রচারণার অভাব এবং ঈদের তিন দিন আগে নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত ঝামেলায় তাদের সব পরিকল্পনা মাঠে মারা গেছে। এখন নেটওয়ার্ক জটিলতায় অকেজো হয়ে পড়া দশ হাজার সিম বদলে দেওয়া নিয়ে তারা অনেক ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। যে কারণে থ্রিজি বিষয়ে খুব একটা মনোযোগও দিতে পারছেন না।

সাড়া না মেলার কারণ হিসেবে গ্রাহকদের মধ্যে থ্রিজি সংক্রান্ত বিভ্রান্তি রয়েছে বলেও মনে করছে টেলিটক। মুজিবুর রহমান বলেন, মোবাইল গ্রাহকদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া থাকলেও তারা বুঝে উঠতে পারছেন না এ প্রযুক্তির ব্যবহারের দিকগুলো। তাছাড়া সিম কিনলেও থ্রিজি ব্যবহার উপযোগী মোবাইলসেট কিনতে গিয়ে ভুল করেছেন কেউ কেউ। ফলে থ্রিজির সুবিধা পাচ্ছেন না তারা। এতে গ্রাহক ভোগান্তিও বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সমস্যা সমাধানে ও এ বিষয়ে তথ্য জানাতে রোববার থেকে টেলিটকের প্রধান কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে। এ জন্য বিশেষভাবে কিছু কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কন্ট্রোল রুমের বেশ কয়েকটি নম্বরে গ্রাহকরা ফোন করে থ্রিজি বিষয়ে তাদের যে কোনো প্রশ্নের উত্তর সার্বক্ষণিকভাবে জেনে নিতে পারবেন। এ সেবার ব্যবহারবিধি ও কার্যকারিতা সম্পর্কেও জানতে পারবেন গ্রাহকরা বলে তিনি জানান।

মুজিবুর রহমান বলেন, এর আগে টেলিটকের ওয়েবসাইটে থ্রিজি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও এতে হিট খুবই কম। এ সম্পর্কে গ্রাহকদের স্বচ্ছ ধারণা দিতে টেলিভিশনে বিষয়কভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচার এক সপ্তাহে শুরু হবে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামনে রোড শো করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি জানান।

মুজিবুর রহমান দাবি করেন, এতদিন শুধু সিম বিক্রি করা হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ডঙ্গল বিক্রি শুরু হলে অবস্থার রাতারাতি পরিবর্তন ঘটবে। ইন্টারনেট ডঙ্গলের মূল্য নির্ধারণের পর আগামী সপ্তাহে এর বিক্রি শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকে থ্রিজিতে কথা বলতে পছন্দ না করলেও উচ্চ গতির জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আগ্রহী হবে। তখন সিম বিক্রি হু হু করে বাড়বে বলে তার ধারণা।

থ্রিজিতে রাজধানীর অধিকাংশ জায়গায় নেটওয়ার্ক না পাওয়া বিষয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের জবাবে টেলিটক এমডি বলেন, নেটওয়ার্ক বিস্তারের জন্য আরও জোরেশোরে কাজ করছেন। নেটওয়ার্ক আপ-ডাউন করার অভিযোগও মেনে নিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানান।

টেলিটক থ্রিজি সেবা দেওয়া শুরু করলেও অন্যান্য বেসরকারি অপারেটরের জন্য সেবাটি এখনও উন্মুক্ত করা হয়নি। এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে। জানুয়ারিতে উন্মুক্ত নিলামে একাধিক অপারেটরকে লাইসেন্স দেওয়ার পর তারাও থ্রিজি সেবা শুরু করতে পারবে।

সৌজন্যে: সজল জাহিদ, দৈনিক সমকাল

বিটিসিএলের আয়-ব্যয় দুটোই বেড়েছে

(প্রিয় টেক) শেষ হওয়া ২০১১-১২ অর্থ বছরে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব টেলিফোন কোম্পানি-বিটিসিএলের আয় এবং ব্যয় দুটোই বেড়েছে। তবে আয়ের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় আয় তলানিতে নেমে এসেছে। আবার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারগুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত আয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাদের এক হাজার ৭’শ দুই কোটি ৯২ লাখ টাকা আয়ের মধ্যে এক হাজার ৭০ কোটি ৪৯ লাখ টাকাই এসেছে ডলারে। যা যে কোনো সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে তাদের স্থানীয় আয় নেমে এসেছে মাত্র ৬৩২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। গত দশ বছরের হিসেবে স্থানীয় আয় এতো কমে যাওয়ার নজির নেই বিটিসিএলে।
আয় বাড়লেও অর্থ বছরের শুরুতে বিটিসিএলের আয়ের যে লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছিল তা থেকে খানিকটা পিছিয়ে আছে তারা। বছরের শুরুতে আয়ের লক্ষ্য নির্ধারন করা হয়েছিল এক হাজার ৭৬০ কোটি টাকা।
আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কোম্পনির খরচও বেড়েছে ঢের। ২০১১-১২ অর্থ বছরে তারা খরচ করেছে ১ হাজার ৪৩৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। তবে আয়-ব্যয়ের এই হিসাব এখনো নিরিক্ষিত হয়নি। সেক্ষেত্রে নিরিক্ষার পর হিসাবের ক্ষেত্রে খানিকটা তারতম্য হতেও পারে। তারপরেও বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ তাদের এই পাফম্যান্সকে দেখছে ইতিবাচভাবেই। কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আজিজুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, আয়-ব্যয় মিলিয়ে তারা একটি চমৎকার বছর পার করলেন। সামনের দিনে তাদের হিসাব আরো সমৃদ্ধ হবে বলেও আশা করেন তিনি।
বিটিসিএলের ওই হিসেব থেকে দেখা যচ্ছে, ২০১০-১১ অর্থ বছরের তুলনায় সর্বশেষ অর্থ বছরে তাদের আয় বেড়েছে ৩১৬ কোটি এক লাখ টাকা। আগের বার তাদের আয় ছিল এক হাজার ৩৮৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। তাতেও আন্তর্জাতিক সার্কিটের আয়েরই ছিল প্রাধান্য। সে বছর তাদের খরচ ছিল ১ হাজার ২৩৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১১-১২ অর্থ বছরে তা ১৯৮ কোটি এক লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যয় বৃদ্ধিকে মোটেই নেতিবাচকভাবে দেখতে চান না বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, আয় বাড়াতে গেলে ব্যয় তো বাড়বেই। তবে এই ব্যয়ের কতোটা বিনিয়োগ সে বিষয়ে পরিস্কার কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি।
তবে আয় ব্যয়ের সঙ্গে সরকার পদ্ধতিরও যে সম্পর্ক আছে সেটিও পরিস্কার হয় বিটিসিএলের পুরনো তথ্যে। জরুরী অবস্থায় ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে তারা একবার ১৫’শ কোটি টাকা লক্ষ্য নির্ধারণ করলেও অর্থ বছর শেষে তাদের আয় দাঁড়ায় ২ হাজার ১০৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আর সেখানে ব্যয় ছিল মাত্র ৬৬২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ওটি ছিল সরকারি সংস্থা থেকে কোম্পানি হওয়ার প্রথম বছর।
বিটিসিএলের আয়-ব্যয়ের হিসাব (কোটি টাকা)
অর্থ বছর লক্ষ্য আয় ব্যয়
২০১১-১২ ১৭৬০ ১৭০২.৯২ ১৪৩৪.৬৫
২০১০-১১ ১৫৬৬ ১৩৮৬.৯১ ১২৩৬.৫৫
২০০৯-১০ ১৫৮৩ ১২৮৩.৭৮ ১৩৫১.৬৯
২০০৮-০৯ ১৫০০ ২১০৮.৫১ ৬৬২.৪৭

রিচার্জ ব্যবসায়ীদের আন্দোলন সমস্যা সমাধানে অপারেটরদের কাছে বিটিআরসির চিঠি

সেলফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে অপারেটরদের চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গত রোববার সব অপারেটরের কাছে এ চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
কমিশন বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবিতে এক মাস ধরে আন্দোলন করছেন সেলফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি চার দিনের টানা ধর্মঘটও পালন করেছে তাদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআরবিএ)। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ গ্রাহকরা। গতকাল থেকে রিচার্জ আবার চালু হলেও দাবি আদায় না হলে ঈদের পর আবারও কর্মসূচি দেয়ার হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি। এ সমস্যার সমাধানে তাই অপারেটরদের চিঠি দিল বিটিআরসি।
অপারেটরদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সেলফোনের রিচার্জ নিয়ে ব্যবসায়ীদের এ আন্দোলনের ফলে গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। দ্রুত এ সমস্যা সমাধানে অপারেটরদের ব্যবস্থা নিতে হবে।
নাম প্রকাশ না করার সূত্রে কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে অপারেটরদেরই এ সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ব্যর্থ হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এতে হস্তক্ষেপ করবে।
ছয় অপারেটরকে এ সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে বলা হলেও কোনো দিনক্ষণ বেঁধে দেয়নি বিটিআরসি। ফলে অপারেটররাও এটি সমাধানে কোনো দিনক্ষণ জানাতে পারেনি।

http://www.bonikbarta.com/?view=details&pub_no=124&menu_id=31&index=2

বিতর্কিত মনিরুল কবির গ্রামীনফোন ছেড়ে গুগলে!

মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের (জিপি) প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা (সিসিও) কাজী মনিরুল কবির সংস্থার চাকরি ছাড়ছেন।

আগামী মাসেই তিনি গ্রামীণফোনের চাকরি থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। যোগ দিচ্ছেন গুগলে।

মনিরুল কবিরের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র তার চাকরি ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে গ্রামীণফোনের কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান সৈয়দ তাহমিদ আজিজুল হক বাংলানিউজকে জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। আর যদি ধরনের কিছু হয়ে থাকে তাহলে তা গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ নিজে থেকেই গণমাধ্যমকে জানাবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের এতটা আগ্রহ দেখানোর কিছু নেই।

সাম্প্রতিককালে গ্রামীণফোনে গণছাঁটাইয়ের নেপথ্যে মনিরুল কবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আর এই গণছাঁটাই থেকে রেহাই পাননি অন্ত:স্বত্বা নারীকর্মীরাও। এ ঘটনার পর তাকে নিয়ে গ্রামীণফোনের কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত গুগল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কোম্পানি। গুগল আগামী মাসেই বাংলাদেশে তারা অফিস খুলছে। এ ব্যাপারে মনিরুল কবিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জানা গেছে, গুগল বিশ্বের ৪৯টি দেশে ইউটিউবের স্থানীয় সংস্করণ সেবা দিয়ে থাকে। সম্প্রতি মহানবী (স:)কে কটাক্ষ করে তৈরি করা ইনোসেন্স অব মুসলিম’ ছবিটি ইউটিউবে আপলোড হওয়ায় এ নিয়ে মুসলিম বিশ্বসহ বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এরপর সরকার পুরো ইউটিউবই বন্ধ করে দেয় তবে ভারত ও ইন্দোনেশিয়া পুরো ইউটিউব বন্ধ করেনি। স্থানীয় সংস্করণের মাধ্যমে তারা শুধু ছবিটি নিষিদ্ধ করেছে। যদি ইউটিউবের স্থানীয় অফিস বাংলাদেশে থাকতো সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইনোসেন্স অব মুসলিম ছবিটি নিষিদ্ধ করা সম্ভব হতো। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বাংলাদেশে অফিস খুললে এ বিষয়টির সমাধান হতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, গ্রামীণফোনে বর্তমানে যে গণছাঁটাই হয়েছে তার নেপথ্যে অন্যতম নায়ক ছিলেন মনিরুল কবির। চাকরিচ্যুতির নায়ক হওয়ায় মনিরুল কবির অবশ্য তার কমিনিউকেশন বিভাগের ২০ জন কর্মকর্তার কাউকে চাকরিচ্যুৎ করেননি। তার প্রভাব বলয়ে থাকা কাউকেই ছাঁটাই করা হয়নি। তার সিন্ডিকেটকে শক্তিশালী করতেই তিনি বেছে বেছে চাকরিচ্যুতির তালিকা করেন। নতুবা চাকরি রক্ষার কথিত পরীক্ষায় ২০ নম্বরের মধ্যে ১৪ পেয়েও একজন চাকরি হারিয়েছেন। অন্যদিকে একই পরীক্ষায় ৭ নম্বর পেয়েও চাকরিতে বহাল রয়েছেন কেউ কেউ।

গ্রামীণফোনে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো (ব্যাট) গ্রুপের আধিপত্য তৈরির পেছনেও মনিরুল কবির ভূমিকা রেখেছেন।

মূলত ২০০৮ থেকে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো (ব্যাট) থেকে আসা কর্মকর্তাদের সংখ্যা গ্রামীণফোনে বাড়তে থাকে। মনিরুল কবিরও ওই বছরই গ্রামীণফোনে যোগ দেন। এরপর থেকেই গ্রামীণে সক্রিয় হয়ে ওঠে ব্যাট গ্রুপ। তবে মনিরুল কবির বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কিছুদিন আগে এই ব্যাটেরই এক কর্মকর্তার কারণে চাকরিচ্যুৎ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল মনিরুল কবিরের। ওই ধাক্কা সামলে তিনিই এখন হয়ে উঠেছেন গ্রামীণফোনের সর্বেসর্বা। ঠিক এই মুহূর্তে তার গ্রামীণফোন ছাড়া নিয়ে তাই বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনে তারই একজন ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে তার বেশিদিন চাকরি করার অতীত রেকর্ড নেই। বলতে পারেন এ কারণেই তিনি গ্রামীণফোন ছাড়ছেন। অন্য এক কর্মকর্তা অবশ্য বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, এখান থেকে মনিরুল কবিরের যা পাওয়ার সবই পেয়েছেন। এবার আরো বেশি কিছু পাওয়ার আশায় তার এই প্রস্থান।

গ্রামীণফোনের আয় ও লাভ দুই’ই কমেছে। গ্রাহক এখন চার কোটি।

  গত চারটি প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের নেট লাভের পরিমান ধারাবাহিকভাবে কমছে। গত বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বরে তা বেড়ে ৬৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তখন তাদের লাভ ছিল ২৮ শতাংশ। জানুয়ারি-মার্চে তা নেমে আসে ৫২০ কোটি টাকা (২২ শতাংশ)। এপ্রিল-জুনে তা ৪৫০ কোটিতে (১৯ শতাংশ) নেমে আসে। আর জুলাই-সেপ্টেম্বরে নেট লাভের পরিমান নেমে আসে ৩২০ কোটি টাকা (১৪ শতাংশ)।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয় অপারেটরটির তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয় মাসে গ্রামীণফোনের আয় হয়েছে ৬ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা। যা ২০১১ সালের প্রথম নয় মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৬০ ভাগ বেশী। তবে জুলাই-সেপ্টেম্বরে তাদের আয় দাঁড়ায় ২ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। হিসেবে দেখানো হয়েছে গত দুটি প্রান্তিক পরে আবারো আয়ের অংক কমে গেছে।
গ্রামীণফোনের এই প্রতিবেদন বিষয়ে অপারেটরটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টোরে ইয়ানসেন বলেন, ঘটনাবহুল একটি প্রান্তিক পার করলেন তারা। এই প্রান্তিকেই তাদের দ্বিতীয় প্রজন্মের লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিতে হয়েছে। ফলে লাভের পরিমান কিছুটা হলেও কমে গেছে।
তবে এই প্রান্তিকেই চার কোট গ্রাহকের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করে গ্রামীণফোন। প্রান্তিক শেষে তাদের গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ১০ লাখ। সব মিলে তৃতীয় প্রান্তিকে তারা ১৭ লাখ নতুন গ্রাহক যোগ করতে পেরেছেন।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে শেয়ার প্রতি আয় দাড়িয়েছে ২ দশমিক ৩৮ টাকায় যা, ২০১১ এর একই সময় ছিল ৪ দশমিক ১৭ টাকা। ২০১২ এর প্রথম নয় মাসে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯ দশমিক ৫৪ টাকা যা আগের বছর এর একই সময়ে ছিল ৯ দশমিক ১৮ টাকা। এই নয় মাসেই গ্রামীণফোন রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা জমা দিয়েছে।
গ্রামীণফোনের প্রতিবেদন বলছে, ধারাবাহিকভাবে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা বাড়ছে। সর্বশেষ প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ব্যবহারকারি দাঁড়িয়েছে ৯৮ লাখ। যা তাদের মোট গ্রাহকের ২৪ শতাংশ। এর আগের চারটি প্রান্তিকে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকারি ছিল যথাক্রমে ৩৪ লাখ (১০ শতাংশ), ৫২ লাখ (১৪ শতাংশ), ৫৮ লাখ (১৬ শতাংশ) এবং ৮৮ লাখ (২২ শতাংশ)।

অ্যামটবের নতুন সেক্রেটারী জেনারেল টি আই এম নূরুল কবির

(প্রিয় টেক) গত ১ অক্টোবর ২০১২ তারিখে অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অফ বাংলাদেশ (অ্যামটব)-এর নতুন সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে যোগ দিয়েছেন টি. আই. এম. নূরুল কবির। সম্প্রতি এই বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তিবিদ ইন্টারনেটের অন্যতম শীর্ষ ডোমেইন ডট অর্গের (.ORG) উপদেষ্টা পরিষদেরও সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

নূরুল কবির দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অনেক অবদান রেখেছেন। তিনি জাতিসংঘের ইন্টারনেট গভঃর্নেন্স ফোরামে, এবং ডবলিও.এস.আই.এস (WSIS) ফোরামে ২০০৩ সাল থেকে কাজ করেন।
মি. কবির বিগত দুই দশক ধরে আইটি ম্যানেজম্যান্ট, বিজনেস কনসাল্টিং, বিজনেস প্রসেস ইঞ্জিনীয়ারিং, এবং এন্টারপ্রাইজ ম্যানেজম‌েন্টের উপর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। তিনি স্পিনোভিশন লি.-এর কো-ফাউন্ডার এবং সিইও ছিলেন। তিনি ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই), এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার এন্ড ইনফোরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সিনিয়ন সভাপতি ছিলেন।
তিনি পলিসি অ্যাডভোকেসী, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনাশীপ (পিপিপি), পাবলিক প্রাইভেট ডায়ালগ (PPD) ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রচুর অবদান রাখেন, যা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য দারুন ভূমিকা রাখে।
তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পউটার বিজ্ঞান, বিজনেস স্ট্রাটিজি, হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপম্যান্ট, ই-গভর্মেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে পড়িয়ে থাকেন।

১০ সেকেন্ডের পালস: ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিচ্ছে গ্রামীণফোন

(প্রিয় টেক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা - বিটিআরসি’র বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ১০ সেকেন্ড পালস বাস্তবায়ন করতে না পারায় গ্রাহকদের যে ক্ষতি হয়েছে সেই অর্থ ফেরত দিতে শুরু করেছে গ্রামীণফোন। মঙ্গলবার থেকে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের ব্যালেন্সের সঙ্গে এই টাকা যোগ করে দেওয়া শুরু হয়েছে। এই সপ্তাহের মধ্যেই সব গ্রাহকের হিসেব সম্পন্ন করে তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্যে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করার সময় বেঁধে দেওয়া ছিল। কিন্তু গ্রামীণফোন নির্ধারিত ওই সময়ের মধ্যে সব গ্রাহকের জন্যে দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পরে ২০ সেপ্টেম্বর বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে গ্রাহককের কাছ থেকে বাড়তি টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করেছেন তারা।
এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন সৈয়দ তাহমিদ আজিজুল হক মিডিয়াকে জানান, বিটিআরসি’র নির্দেশনা আমলে নিয়ে তারা গ্রাহকের ব্যালান্স সমন্বয় করে দিচ্ছেন। আজ সকাল থেকেই প্রিপেইড গ্রাহকরা তাদের প্রাপ্য টাকা ফেরত পেতে শুরু করছেন বলে জানান তিনি। অন্যদিকে পোষ্ট পেইড গ্রাহকদের টাকা মাস শেষে বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
তবে দশ সেকেন্ডের পালস বাস্তবানে বিলম্বের কারণে এভাবে গ্রাহকে ঠিক কতো টাকা গ্রামীণফোন ফেরত দিচ্ছে সেই অংক জানাতে পারেনি তাহমিদ আজিজুল হক।
গ্রামীণফোনের মতো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দশ সেকেন্ডের পাসল বাস্তবানে ব্যর্থ হয়েছিল দ্বিতীয় গ্রাহক সেরা অপারেটর বাংলালিংক। বিটিআরসি তাদেরকেও গ্রাহকের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বাংলালিংক এখনো এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
বিটিআরসি’র ওই নির্দেশনায় দুটি অপারেটরকে সঠিক সময়ে ১০ সেকেন্ডের পালস বাস্তবায়ন করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু ওই কাজও করেনি অপারেটর দুটি।

- Copyright © 2013 telecom bd - Metrominimalist - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan | Distributed by Rocking Templates -